পোশাক নিয়ে রীতিমতো এক্সপেরিমেন্ট করতে ভালোবাসেন অভিনেত্রী মনামী ঘোষ। বিদেশে বেড়াতে গিয়েই হোক বা কলকাতায় কোনও অনুষ্ঠান, তাঁর নতুন নতুন পোশাকে নতুন লুক সর্বদা চোখ ধাঁধিয়ে দেয়।
২৬
এবার এক্কেবারে বাঙালি লুকে ধরা দিলেন অভিনেত্রী। যা দেখে ধন্য ধন্য করছে নেটপাড়া। লাল শাড়ি, মানানসই ব্লাউজ, পারফেকট মেকআপ, হেয়ারস্টাইলে নজর কাড়লেন মনামী।
কপালে বড় লাল টিপ, মাথায় সিঁথি ভর্তি সিঁদুর আর লাল শাড়িতে মনামী যেন বাঙালি বাড়ির আটপৌরে বউ। তবে আটপৌরে সেই লুকের মাঝেও বরাবরের মতোই গ্ল্যাম ডিভা হিসাবে ধরা দিয়েছেন অভিনেত্রী।
৪৬
অভিনেত্রীর বন্ধু, সহকর্মী থেকে আম নেটজনতা প্রত্যেকেই তাঁর 'লাল ইশক' -এর প্রতি মুগ্ধ।
৫৬
নিত্যনতুন পোশাক ও সাজ নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট মনামীর পছন্দের বিষয়। তবে এক্সপেরিমেন্ট করতে গিয়ে ট্রোলিংয়ের শিকারও হয়েছেন তিনি।
রাজনৈতিক কেরিয়ারের গুরুদায়িত্ব সামলে নতুন করে দাম্পত্য জীবন শুরু করলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র। গত ৩ মে জার্মানির বার্লিনে চার হাত এক হয়েছে। পুরীর চারবারের সাংসদ, বছর পঁয়ষট্টির বিজেডি নেতা তথা আইনজীবী পিনাকী মিশ্রর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন মহুয়া মৈত্র। এই খবরে তাঁর অনুরাগীরা শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
২৭
যাঁর সঙ্গে জীবনে দ্বিতীয় দাম্পত্যে প্রবেশ করলেন মহুয়া, সেই পিনাকী মিশ্রের পরিচয় কিন্তু স্রেফ রাজনীতিবিদ নয়। তিনি নামী আইনজীবী। দেশের প্রায় সমস্ত আদালত কখনও না কখনও সওয়াল করেছেন। ১৯৯৬ সালে কংগ্রেসের টিকিটে পুরীর সাংসদ হন। পরে নবীন পট্টনায়েকের বিজু জনতা দলে যোগ দিয়ে ২০০৯, ২০১৪ ও ২০১৯ সালে সেই টিকিটে লড়েন পুরী থেকেই। ২০২৪ সালে অবশ্য বিজেডি আর তাঁকে প্রার্থী করেনি।
১৯৫৯ সালে জন্ম পিনাকী মিশ্রর। দিল্লির সেন্ট স্টিফেন কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার পর দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন নিয়ে পড়াশোনা করেন। ১৯৮৪ সালে তিনি বিয়ে করেন সঙ্গীতা মিশ্রকে। তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে। পরে অবশ্য সঙ্গীতা ও পিনাকীর বিবাহবিচ্ছেদ হয়।
৪৭
এদিকে, মহুয়া মৈত্রও দীর্ঘদিন ধরে বিবাহবিচ্ছিন্না। আগে ডেনমার্কের লার্স ব্রর্সন ছিলেন তাঁর স্বামী। তবে মহুয়া দেশে ফেরার আগেই শোনা যায়, তাঁদের ডিভোর্স হয়ে গিয়েছিল। এদেশে ফিরে পুরোপুরি রাজনীতিতেই মন দিয়েছিলেন করিমপুরের কন্যা। রাজ্যের শাসকদলের দু'বারের সাংসদ তিনি।
৫৭
এই মুহূর্তে নদিয়ার কালীগঞ্জ অর্থাৎ মহুয়ার সংসদীয় এলাকায় উপনির্বাচনের ব্যস্ততা। দলীয় প্রার্থীর হয়ে প্রচারও করেছেন সাংসদ। তবে কয়েকদিন ধরে তাঁকে প্রচারে দেখা যাচ্ছিল না। শোনা গিয়েছিল, মহুয়া বিদেশে রয়েছেন ব্যক্তিগত কাজে। বৃহস্পতিবার জানা গেল আসল খবর। বিয়ের জন্য তিনি বার্লিনে ছিলেন। প্রকাশ্যে আসে বিয়ের ছবি। ছিমছাম সাজ ছিল মহুয়া ও পিনাকীর।
বিয়েতে মহুয়া পরেছিলেন সাদা, গাঢ় গোলাপি, সোনালি রঙের শাড়ি, সঙ্গে মানানসই গয়না। আর পিনাকীর পরনে ছিল সাদা কুর্তা-পায়জামা, সোনালি জ্যাকেট। দু'জনে হাতে হাত ধরে একসঙ্গে হাঁটলেন বার্লিনের রাস্তায়।
৭৭
পিনাকী মিশ্রকে বিয়ের পর মহুয়া মৈত্র দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করে সে খবর জানান, আশীর্বাদ চান। তাঁর জীবনের নতুন সুখবর শোনার পর অভিনন্দন জানিয়েছেন রাজনৈতিক সহকর্মী জুন মালিয়া, সায়নী ঘোষরা।