ধর্ষণ থেকে ম্যাচ ফিক্সিং! আপাদমস্তক ‘কেচ্ছায়’ ডুবে পাক ক্রিকেট, বয়কট নাটক তো ‘দুধের শিশু’
বাবর আজম থেকে শাহিন আফ্রিদি, পাক ক্রিকেটে ‘কীর্তিমানে’র সংখ্যা নেহাত কম নয়!
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে বিস্ফোরক অভিযোগ ওঠে প্রাক্তন পাক অলরাউন্ডার শাহিদ আফ্রিদির বিরুদ্ধে। ২০০০ সালে এক হোটেলের ঘরে কয়েকজন যুবতীর সঙ্গে ধরা পড়েন আফ্রিদি। দুই সতীর্থও যুবতীদের সঙ্গে হোটেলের ঘরে ছিলেন। আফ্রিদিরা সাফাই দেন, ওই যুবতীরা অটোগ্রাফ নিতে এসেছিলেন। তবে পাক বোর্ড সেই দাবি নাকচ করে দেয়। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে বাদ পড়েন আফ্রিদি।
আরও পড়ুন:
শ্বশুরের মতো যৌন কেচ্ছায় জড়িয়েছে শাহিন আফ্রিদির নামও। ২০১৯ সালে এক যুবতী এক্স হ্যান্ডেলে শাহিনের আপত্তিকর ভিডিও শেয়ার করেন। তাঁর দাবি, ভিডিও কলে তিনি পাক পেসারের সঙ্গে কথা বলছিলেন। সেসময়েই আপত্তিকর আচরণ করেন শাহিন। ওই যুবতী বলেন, "শাহিন আমার সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিল। কয়েক মিনিটের মধ্যেই নিজের যৌনাঙ্গ দেখিয়ে হস্তমৈথুন করতে শুরু করে। এটা কি ঠিক?" তবে এই অভিযোগ মানতে চাননি শাহিন।
আরও পড়ুন:
পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক বাবর আজমের নামও জড়িয়েছে যৌন কেলেঙ্কারিতে। সাংবাদিক সম্মেলন করে এক যুবতী দাবি করেন, তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বাবর। এমনকি তিনি গর্ভবতীও হয়ে পড়েন। ওই তরুণী আরও দাবি করে, তাঁকে গর্ভপাত করতে বাধ্য করেন বাবর। তারপর তারকা ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে দায়ের করেন ধর্ষণের মামলা। তিন বছর ধরে এই মামলা চলছে আদালতে।