সুখী দাম্পত্যের আড়ালে পরকীয়া! প্রেমিককে চিঠি লিখে ‘আত্মঘাতী’, তমলুকে ইনফ্লুয়েন্সর মৃত্যুতে রহস্য
স্রেফ ফেসবুকেই এই ক্রিয়েটরের ফলোয়ার প্রায় সাড়ে চার লক্ষ।
সীমা ওরফে প্রিয়তমার বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরের পায়রাচালি গ্রামে। স্বামী মনোজিতের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের প্রেম। বছর তিনেক আগে সাত পাকে বাঁধা পড়ে তাঁরা। পরিবার-প্রতিবেশীদের দাবি, সুখের অভাব ছিল না দম্পতির। কিন্তু অন্যান্য কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের মুখে শোনা যাচ্ছে অন্য কথা। অভিযোগ, প্রেম করে বিয়ে করলেও সেই ভালোবাসা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।
আরও পড়ুন:
মনোজিৎ নাকি প্রিয়তমাকে ভীষণ ভালোবাসতেন। কিন্তু প্রিয়তমা জড়িয়ে পড়েছিলেন একাধিক সম্পর্কে। প্রথমে তা চাপা থাকলেও একটা সময়ের পর মনোজিৎ তা জানতে পারেন। স্বাভাবিকভাবেই প্রতিবাদ করেন। তবে একথা ঘুণাক্ষরেও জানতে দেননি পরিবারের কাউকে। সম্প্রতি প্রিয়তমা ও মনোজিৎ গিয়েছিলেন তারকেশ্বরে। এক কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের দাবি, সেখানে নাকি চরমে উঠেছিল দম্পতির বিবাদ। নেপথ্যে প্রিয়তমার প্রেমিক।
আরও পড়ুন:
তবে প্রিয়তমার প্রেম-পরকীয়া নিয়ে অন্য ক্রিয়েটররা নানারকম দাবি করলেও পরিবার কিন্তু বলছে অন্যকথা। তাঁদের কাছে প্রিয়তমা ও মনোজিৎ আদর্শ জুটি। তাঁদের মধ্যে কোনওরকম অশান্তি কেউ কোনওদিন দেখেননি বলেই দাবি। তাই আচমকা প্রিয়তমার মৃত্যু ও মনোজিতের আত্মহত্যার চেষ্টার সিদ্ধান্তে হতবাক পরিবারের। বধূর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠছে তা মানতে পারছেন না কেউই।