খেলদুনিয়ায় সবচেয়ে দামি ডিভোর্স, উডস-অঁরি-ক্লার্কের মতো ‘দিল্লি কা লাড্ডু’ খেয়ে পস্তেছেন কারা?
কখনও বা এর নেপথ্যে থাকে বিবাহবহির্ভূত রসায়নও। যা এড়াতে পারেন না অনেকেই।
মাইকেল জর্ডন ও জুয়ানিতা ভানয়: ক্রীড়া জগতের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ডিভোর্স হয়েছিল মার্কিন বাস্কেটবল খেলোয়াড় মাইকেল জর্ডনের। জুয়ানিতা ভানয়ের সঙ্গে ১৭ বছরের দাম্পত্য টিকে থাকার পর ২০০৬ সালে পারস্পরিক সম্মতিতে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর খোরপোশ বাবদ ১৬৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১,৪৫৪.৮ কোটি টাকা) পেয়েছিলেন জুয়ানিতা। তবে এত মোটা অঙ্কের টাকা স্ত্রীর ভরণপোষণের জন্য দিতে কোনও অসুবিধা হয়নি জর্ডনের। আমেরিকার হয়ে দু'টি অলিম্পিক স্বর্ণপদক...
আরও পড়ুন:
টাইগার উডস ও নর্ডেগ্রেন: বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কারণে ডিভোর্স হয় কিংবদন্তি গলফার টাইগার উডসের। বিবাহবিচ্ছেদের পর এলিন নর্ডেগ্রেনকে ৮৬০ কোটি টাকা খোরপোশ দিতে হয়েছিল। এই ডিভোর্সের পর কেবল টাকার অঙ্ক নয়, উডসকে খোয়াতে হয়েছিল একাধিক স্পনসরও। অনেক সংস্থাই সর্বকালের সেরা এই গলফারের সঙ্গে তাদের চুক্তি বাতিল করে।
আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার ও মারিয়া শ্রীভার: তিনি বডিবিল্ডিং কিংবদন্তি। সাতবার মিস্টার অলিম্পিয়া বিজয়ী। জিতেছেন অজস্র খেতাব। আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার। তাঁর আরও পরিচয় রয়েছে। তিনি অ্যাকশন মুভি আইকন। ক্যালিফোর্নিয়ার প্রাক্তন গভর্নরের পদে ছিলেন। সেই তিনি ২৫ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর মারিয়া শ্রীভারের সঙ্গে ২০১১ সালে তিনি আলাদা হয়ে যান ২০১১ সালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে লস অ্যাঞ্জেলেস সুপিরিয়র কোর্টে বিবাহবিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয়। গৃহকর্মীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন শোয়ার্জনেগার। এই...
আরও পড়ুন:
হাল্ক হোগান ও লিন্ডা: WWE তারকা হাল্ক হোগানও রয়েছেন এই তালিকায়। তাঁর প্রথম স্ত্রী লিন্ডার সঙ্গে দীর্ঘ ২৪ বছরের দাম্পত্যের ইতি ঘটেছিল। হোগানের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ এনে ২০০৭ সালে ডিভোর্সের আবেদন করেন লিন্ডা। ২০০৯ সালে পারস্পরিক সম্মতিতে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। জানা যায়, তাঁর সম্পত্তির প্রায় ৭০ শতাংশ লিন্ডাকে দিয়ে দেন হোগান। তাছাড়াও তাঁর কোম্পানির ৪০ শতাংশ ইন্টারেস্ট এবং প্রায় ৩ মিলিয়ন ডলার নগদ (ভারতীয় মুদ্রায়...
থিয়েরি অঁরি ও ক্লেয়ার মেরি: ফরাসি ফুটবল তারকা থিয়েরি অঁরি ২০০৩ সালে মডেল ক্লেয়ার মেরিকে বিয়ে করেন। তাঁদের একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে। তবে চার বছরের বেশি তাঁদের দাম্পত্য টেকেনি। ২০০৮ সালে এই দম্পতির বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। বিচ্ছেদের পর ক্লেয়ারকে ১ কোটি ৬০ লক্ষ ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১৩৫ কোটি) খোরপোশ বাবদ দিতে হয় অঁরিকে।
রায়ান গিগস ও স্টেসি কুক: ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের প্রাক্তন মিডফিল্ডার কিংবদন্তি রায়ান গিগস এবং তাঁর স্ত্রী স্ট্যাসি কুকের ১০ বছরের বৈবাহিক জীবনের ইতি ঘটে ২০১৭ সালে। ইংলিশ ফুটবলারের একাধিক বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের খবর প্রকাশ্যে আসে। এর মধ্যে 'কুখ্যাত' ভাইয়ের স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া। ২০১৭ সালের আগস্টে লন্ডন সেন্ট্রাল ফ্যামিলি কোর্টে পারস্পরিক সম্মতিতে স্টেসির সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে রায়ানের। তাঁদের তিন সন্তানও রয়েছে। স্টেসিকে ৩১ মিলিয়ন ডলারের সম্পত্তি খোরপোশ হিসাবে...
মাইকেল ক্লার্ক ও কাইলি বন্ডি: ক্রিকেট বিশ্বে সবচেয়ে দামি ডিভোর্স হিসাবে পরিচিত এই তারকা দম্পতির বিচ্ছেদ। নতুন প্রেমে পড়ে প্রাক্তন স্ত্রীকে ৩০০ কোটি খোরপোশ দিয়েছেন বিশ্বজয়ী প্রাক্তন অজি ক্রিকেটার মাইকেল ক্লার্কের। ২০২০ সালে প্রাক্তন স্ত্রী কাইলি বন্ডির সঙ্গে তাঁর বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছিল। তখনই ক্লার্কের প্রাক্তন স্ত্রীকে খোরপোশ দেওয়ার ব্যাপারে আদালত ঘোষণা করে।
শাকিল ও'নিল এবং শাউনি ও'নিল: এনবিএ কিংবদন্তি শাকিল ও'নিল। ২০০২ সালে শাউনির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। তাঁদের চারটি সন্তান রয়েছে। ২০০৯ সালে পারস্পরিক সম্মতিতে তাঁরা আলাদা হয়ে যান। খোরপোশ বাবদ শাউনি পেয়েছিলেন ৩৩ মিলিয়ন ডলার। ডিভোর্সের পর দু'জনেই ভালো সম্পর্ক বজায় রেখে সন্তানদের দেখভাল করেছেন।