এদিন কপিল মুনির আশ্রম থেকে বেরিয়ে কেন্দ্রকে তোপ দাগেন মমতা। বলেন, "গঙ্গাসাগর মেলা কুম্ভ মেলা থেকে কোনও অংশে কম নয়।" নিজস্ব চিত্র
৪৯
মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, "'কুম্ভমেলায় কেন্দ্র হাজার হাজার কোটি টাকা দেয়। গঙ্গাসাগর মেলার জন্য কেন্দ্র কোনও টাকা দেয় না। গঙ্গাসাগরের দিকে তাকিয়েও দেখে না কেন্দ্র।" নিজস্ব চিত্র
৫৯
তিনি আরও বলেন, "কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিলেও সেতু তৈরি হয়নি। মুড়িগঙ্গার ওপর সেতু তৈরি করছে রাজ্য সরকার। টেন্ডার হয়ে গিয়েছে, দেড় হাজার কোটি টাকা লাগবে। ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যে সেতু তৈরি হয়ে যাবে।" নিজস্ব চিত্র
২০২০ সালের ১১ ডিসেম্বর সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন যুজবেন্দ্র চাহাল ও ধনশ্রী ভার্মা। পাঁচবছর পর আলাদা হল তাঁদের পথ। বান্দ্রার পারিবারিক আদালত তাঁদের ডিভোর্সে সিলমোহর দিয়েছে বৃহস্পতিবার।
২৭
১৯৮৭ সালে ১৬ বছর বয়সি নৌরিনের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন তারকা ক্রিকেটার মহম্মদ আজহারউদ্দিন। দুই সন্তানও হয় তাঁদের। কিন্তু ১৯৯৬ সালে ডিভোর্স হয় আজহারের। বলি অভিনেত্রী সঙ্গীতা বিজলানিকে বিয়ে করেন তারকা ক্রিকেটার। সেই সম্পর্কও টেকেনি। তাঁদের বিচ্ছেদ হয় ২০১০ সালে।
ছোটবেলার বন্ধু ঋতু সিংয়ের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন বিশ্বকাপজয়ী রবি শাস্ত্রী। একটি কন্যাও রয়েছে তাঁদের। কিন্তু ২২ বছর ২০১২ সালে বিচ্ছেদ হয়ে তাঁদের। ডিভোর্সের কারণ প্রকাশ্যে আনেননি তাঁরা।
৪৭
নোয়েলা লুইসের সঙ্গে জীবনে প্রথমবার গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন বিনোদ কাম্বলি। কিন্তু ছোটবেলার বন্ধুর সঙ্গে সংসা বেশিদিন টেকেনি। ২০০৫ সালে ডিভোর্স হয় তাঁদের। পরে আন্দ্রেয়া হিউইটকে বিয়ে করেন কাম্বলি।
৫৭
ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে সবচেয়ে যন্ত্রণাদায়ক বিবাহবিচ্ছেদ হয় দীনেশ কার্তিক। সতীর্থ মুরলী বিজয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন কার্তিকের প্রথম স্ত্রী নিকিতা বাঞ্জারা। পরে স্কোয়াশ তারকা দীপিকা পাল্লিকালকে বিয়ে করেন কার্তিক।
অস্ট্রেলিয়ার বাসিন্দা আয়েষা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিয়ে হয় ভারতীয় দলের প্রাক্তন ওপেনার শিখর ধাওয়ানের। ১০ বছরের বিবাহিত জীবনে একটি পুত্রও রয়েছে তাঁদের। তবে ২০২৩ সালে দিল্লি হাই কোর্টের নির্দেশে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়।
৭৭
২০২০ সালে বাগদানের পরেই বিয়ে হয় হার্দিক পাণ্ডিয়া-নাতাশা স্ট্যানকোভিচের। সেবছর জন্ম নেয় তাঁদের পুত্র অগস্ত্য। ২০২৩ সালে উদয়পুরে ফের ধুমধাম করে বিয়ে হয় দুজনের। কিন্তু বছর ঘুরতেই আলাদা হয়ে যান তারকা দম্পতি।
রকমারি গোলাপ ফুল দিয়ে একটি সুন্দর গাউন ডিজাইন করেছেন মধুমিতা সরকার নিজে। আর সেই ফুলেল গাউনেই নজরকাড়া নায়িকা। ভক্তদের কথায়, 'ফুল ফুটুক না ফুটুক, পৌষেই বসন্ত আনলেন মধুমিতা।'
৪৫
দর্শক অনুরাগীদের কাছে মধুমিতা সরকার 'সেক্সিং বং বিউটি'। দুষ্টু মিষ্টি নায়িকা মাঝেমধ্যেই বোল্ড ফটোশুটে নেটপাড়ায় উষ্ণতা ছড়ান।
৫৫
যা পরেন, তাতেই মানিয়ে যায়। আসলে মধুমিতা যে ফ্যাশন সচেতন, তা বোধহয় আর আলাদা করে বলার প্রয়োজন হয় না। এবারও নতুন ফটোশুটে আগুন ধরালেন নেটপাড়ায়। (ছবি- ইনস্টাগ্রাম)