২৮ আশ্বিন  ১৪২৬  বুধবার ১৬ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়: এবছর পুজো উদ্যোক্তাদের জন্য অনুদানের অঙ্ক বাড়িয়েছে রাজ্য সরকার। আর তারপরই পুজোয় পুলিশের অনুমতি পেতে পুজো কমিটিগুলির মধ্যে আবেদনের হিড়িক পড়ে গেল। সে কারণে এবছর শহরে নথিভূক্ত পুজোর সংখ্যা অনেকটাই বেশি হবে বলে ধারণা লালবাজারের পুলিশ কর্তাদের। ইতিমধ্যেই ‘আসান’ প্রকল্পে পুজোর অনুমতির জন্য আবেদন করে ফেলেছেন প্রায় সকলেই। এবছর পুজোর সংখ্যা বেড়ে প্রায় ২৭০০ হবে বলে মনে করছে পুলিশ। আগের বছরও যা অন্তত ২০০ কম ছিল।

[আরও পড়ুন: নামী সংস্থার রঙের বিজ্ঞাপনে বাংলার অবমাননা! ভুল মা দুর্গার ছবিতেও]

এরই মধ্যে আজ, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ‘সিঙ্গল উইন্ডো সিস্টেম’। এই সিস্টেমের মাধ্যমেও পুজোর অনুমতি চেয়ে আবেদন করবেন অনেকেই। সেক্ষেত্রে মোট পুজোর সংখ্যা আরও বেড়ে কোথায় পৌঁছাতে পারে, সেই হিসেবের দিকেই নজর রাখছেন পুলিশ কর্তারা। গত বছর পর্যন্ত শহরে মোট পুজোর সংখ্যা ছিল ২৫০০। বেশ কয়েক বছর ধরেই কলকাতায় পুজোর সংখ্যা এরই আশেপাশে ঘোরাঘুরি করছিল। রাস্তা আটকে নতুন পুজো করতে অনুমতি দেওয়া যাবে না বলে হাই কোর্টের নির্দেশ রয়েছে। তা সত্ত্বেও আবেদনের সংখ্যা যেভাবে বেড়ে চলেছে, তাতে চিন্তিত লালবাজার।
এই ২৫০০ পুজো কমিটি অনুদান হিসেবে রাজ্য সরকারের তহবিল থেকে পেত ১০হাজার টাকা করে। কয়েকদিন আগে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে সমন্বয় বৈঠকে এবছর অনুদানের অঙ্ক বাড়ানো হবে বলে ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ঘোষণা অনুযায়ী, এবার অনুদান হিসেবে পুজো কমিটিগুলি পাবে দ্বিগুণ – ২০হাজার টাকা করে। তার উপর কলকাতা পুলিশের তরফে আলাদা করে দেওয়া হবে ৫০০০টাকা। সবমিলিয়ে, অনুদানের অঙ্কটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫হাজার টাকা। মহিলা পরিচালিত পুজোগুলি পাবে তিরিশ হাজার টাকা করে।

[আরও পড়ুন: মহিলা পরিচালিত পুজোগুলি নিয়ে এবার ‘বাংলার দুগ্গা’ ফোরাম, ঘোষণা চন্দ্রিমার]

অনুদানের টাকার অঙ্ক এবার বাড়তেই পুজোর জন্য অনুমতি চেয়ে আবেদনের হিড়িক পড়ে গিয়েছে কমিটিগুলির মধ্যে। তবে এই অনুদান লাভের বাইরে থাকছে আবাসনের পুজো। কারণ সেসব পুজোকে বাড়ির পুজো হিসেবেই গণ্য করে পুলিশ। তাদের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সিইএসসির অনুমতি পেলেই হবে। লালবাজারের এক পদস্থ কর্তা জানিয়েছেন, “বড় পুজো বাদ দিয়ে ছোট ছোট পুজোগুলি এতদিন পর্যন্ত শুধুমাত্র সিইএসসি এবং দমকলের অনুমতি নিয়েই পুজো চালিয়ে এসেছে। এবার তারাও অনুমতির জন্য আবেদন করছেন ‘আসান’ অনলাইন পদ্ধতিতে।” যে সমস্ত পুজো কমিটি এই চার, পাঁচটি দিনের জন্য মেলার আয়োজন করে, তারা এই অনলাইনে আবেদন করতে পারছে না। তারা পুজো ও মেলার অনুমতির জন্য আজ থেকে ‘সিঙ্গল উইন্ডো সিস্টেম’-এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবে।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং