Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬
Shivling

হর হর মহাদেব… ৬৫ ফুট গভীর কুণ্ডে খোঁজ মিলল ২৫০ বছর পুরনো শিবলিঙ্গের

এখনও পর্যন্ত শিবলিঙ্গটির সাইন্টিফিক ডেটিং করা হয়নি। তবে বর্তমান ত্র্যম্বকেশ্বর মন্দিরের পুনর্নির্মাণ ১৭৫৫ থেকে ১৭৮৬ সালের মধ্যে পেশোয়া বালাজি বাজিরাওয়ের সময় সম্পন্ন হয়েছিল। সেই হিসেবে শিবলিঙ্গটির বয়স অন্তত ২৪০ বছর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ১৮:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ১৮:২২

options
link
হর হর মহাদেব… ৬৫ ফুট গভীর কুণ্ডে খোঁজ মিলল ২৫০ বছর পুরনো শিবলিঙ্গের zoom
এআই দ্বারা নির্মিত ছবি।

হাড়ভাঙা খাটুনি করে কুণ্ড সংস্কারের কাজ চালাচ্ছিল একদল শ্রমিক। ক্লান্ত অবসন্ন শরীরেও নিয়োজিত ছিল কাজে। এমন পরিশ্রমসাধ্য কাজের এক পর্যায়ে যে স্বয়ং দেবদর্শনের (Shivling) সুযোগ এসে যাবে জীবনে, সে সম্পর্কে তিলমাত্র অগবত ছিল না তারা!

এ ঘটনা মহারাষ্ট্রের নাসিক জেলার। সেখানকার অতিপরিচিত ত্র্যম্বকেশ্বর মন্দিরে সারা বছরই লেগে থাকে ভক্তদের ভিড়। ভারতের দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের অন্যতম এই মন্দির। ‘ত্র্যম্বক’ শব্দের অর্থ তিন-নয়নধারী শিব। এই মন্দিরের বিশেষত্ব হল এখানে একটিমাত্র লিঙ্গের মধ্যেই ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বর—এই ত্রিদেবের প্রতীকী উপস্থিতি রয়েছে। মহারাষ্ট্রের নাসিক শহর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে ব্রহ্মগিরি পর্বতের পাদদেশে অবস্থিত এই মন্দিরটিকে গোদাবরী নদীর উৎসস্থল বলে মনে করা হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
ancient Shivling discovered in 65 foot deep Amritkund at Trimbakeshwar
সূত্র: ইন্টারনেট।

এই মন্দিরটির প্রাঙ্গণেই রয়েছে একটি অমৃতকুণ্ড, যার গভীরতা ৬৫ ফুট! বহু বছর ধরে পলি জমেছে এই কুণ্ডের তলদেশে। তাই সাম্প্রতিককালে আর্‌কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার তত্ত্বাবধানে চলছিল এখানকার সংরক্ষণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রক্ষার কাজ। তখনই পলি ও জলস্তরের নীচ থেকে বেরিয়ে আসে এক শিবলিঙ্গ, যা দেখে স্বাভাবিকভাবেই হতবাক গবেষকমহল।

আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে, অমৃতকুণ্ডটি পেশোয়া আমলের নির্মাণ বলে আন্দাজ করা যায়। এখানকার জল আজও মন্দিরের প্রতিদিনের পূজা ও মহাভিষেকের কাজে ব্যবহৃত হয়। কুণ্ডটি অত্যন্ত গভীর এবং ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় সাধারণ ভক্তদের সেখানে প্রবেশের অনুমতি নেই। ফলে বহু দশক ধরে কুণ্ডটি পলি ও আবর্জনায় ভরাট হতে থাকে, এবং শিবলিঙ্গটি দৃষ্টির আড়ালে চলে যায়। সংরক্ষণমূলক কাজের ফলেই এটি আবার প্রকাশ্যে আসে।

ancient Shivling discovered in 65 foot deep Amritkund at Trimbakeshwar
ত্র্যম্বকেশ্বর মন্দির, নাসিক, মহারাষ্ট্র।

এখনও পর্যন্ত শিবলিঙ্গটির সাইন্টিফিক ডেটিং করা হয়নি। তবে বর্তমান ত্র্যম্বকেশ্বর মন্দিরের পুনর্নির্মাণ ১৭৫৫ থেকে ১৭৮৬ সালের মধ্যে পেশোয়া বালাজি বাজিরাওয়ের সময় সম্পন্ন হয়েছিল। সেই হিসেবে শিবলিঙ্গটির বয়স অন্তত ২৪০ বছর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু স্থানীয় জনশ্রুতি অনুসারে এটি আরও প্রাচীন, সম্ভবত মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের আমলে ধ্বংসপ্রাপ্ত পুরনো মন্দিরের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। তবে এই দাবির পক্ষে এখনও কোনও প্রত্নতাত্ত্বিক বা বৈজ্ঞানিক প্রমাণ প্রকাশিত হয়নি।

কেবল ধর্মীয় আঙ্গিক নয়, প্রত্নতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এই শিবলিঙ্গের আবিষ্কার। ভারতে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা অন্যান্য জলাধার ও মন্দিরের নিয়মিত সংস্কার করলে খুঁজে পাওয়া যেতে পারে এমনই আরও বহু নিদর্শন— আশা করছেন গবেষকরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.