৫ আশ্বিন  ১৪২৬  সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হিন্দুশাস্ত্র মতে, শ্রাবণ শিবের মাস। তাই এই মাসেই পুণ্য অর্জন করতে দূর দূরান্তে পাড়ি দেয় ভক্তেরা। তারকেশ্বরেও অগণিত ভক্ত দেবাদিদেবের মাথায় জল ঢালতে যায়। কারণ এই মাসে নিষ্ঠা ভরে শিবের পুজো করলে সুফল মেলে, কৃপালাভ হয়। তাই শিবভক্তদের কাছে এই মাসটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু শ্রাবণ মাসে শিব পুজো করার কিছু নিয়ম মীতি রয়েছে।

[ আরও পড়ুন: সৌভাগ্য ফেরাতে চান? গুরু পূর্ণিমার দিন এই নিয়মগুলি আপনাকে মানতেই হবে ]

শ্রাবণ মাসের প্রতি সোমবার অনেকেই উপোস রাখেন। একে সোমেশ্বর ব্রত বলে। শিবপুরাণ অনুযায়ী এই সোমেশ্বর শব্দের দুটি মানে। এক, চাঁদ; দুই, শিব। তাই অনেকে প্রতি সোমবার ব্রত না করে শুধু মাসের প্রথম আর শেষ সোমবার শিবের পুজো করেন। কথিত আছে, এই সময়ে মহাদেবের পুজো করলে ভক্তের পাপমুক্তি ঘটে। আর দেবাদিদেবও সন্তুষ্ট হন। সামনেই আসছে শ্রাবণ মাসের শিবরাত্রি। বলা হয়, এদিন নিয়ম মেনে ব্রত পালন করলে ভক্তদের সমস্ত আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়। সাধারণত শ্রাবণের চতুর্দশীর দিন শিবরাত্রি হয়ে থাকে। তবে ব্রত পালন করার আগে একবার শাস্ত্রজ্ঞের মতামত নিয়ে নেওয়া ভাল।

এই পুজোর উপকরণে বেশি কিছু জোগাড় করতে হয় না। বিধিতেও তেমন কঠিন কোনও নিয়ম নেই। ওই দিন ভোরে উঠে স্নান করে শুদ্ধ পোশাক পরতে হবে। তারপর জল, দুধ, দই মধু, ঘি, চিনি, চন্দন, কেশর, সিদ্ধি সমস্ত একটি পাত্রে মিশিয়ে নিতে হবে। এটাই পুজোর মূল উপকরণ। এবার তা মন্দিরে গিয়ে শিবলিঙ্গের মাথায় ঢালতে হবে। প্রক্রিয়া এখানেই সমাপ্ত। এদিন শিবকে ভোগও দেওয়া যেতে পারে। এই ক্ষেত্রেও বেশি জোগাড় নেই। গম দিয়ে তৈরি যে কোনও খাবারে শিব তুষ্ট হন। ঐশ্বর্য পেতে চাইলে মুগের তৈরি খাবার ভোগ হিসেবে দেওয়া যেতে পারে। ছোলার ডাল দিয়ে তৈরি খাবার ভোগ হিসেবে দিলে দেব সন্তুষ্ট হয়ে মনের মতো জীবনসঙ্গী দেন বলে কথিত আছে।

[ আরও পড়ুন: ভাগ্য ফেরাতে চান? রথযাত্রার দিন এই নিয়মগুলি আপনাকে মানতেই হবে ]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং