৯ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

জানেন, দেশের এই গ্রামে কেন গণেশকে প্রসাদে দেওয়া হয় মদ-মাংস?

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: August 21, 2020 6:28 pm|    Updated: August 21, 2020 4:56 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খেতে বড্ড ভালবাসেন গজানন৷ প্রিয় খাবার ‘মোদক’৷ তাই শুক্লা চতুর্থীতে যখন ধরাধামে আসেন, ভক্তরা ‘মোদক’ অর্পণ করেই বিঘ্ননাশের আবেদন জানান বিনায়কের কাছে৷ এবারও করোনার (Coronavirus) বিধিনিষেধ মেনে গণেশ চতুর্থীর জন্য প্রস্তুত হচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত।

তবে ভক্তির সব রূপ অবশ্য এক নয়৷ বিশেষ করে ভারতবর্ষে তো একেবারেই নয়৷ সারা দেশে যেখানে মিষ্টি-মোদকে গণপতিকে স্বাগত জানানো হয়৷ কর্ণাটকের কোপ্পাল জেলার ভাগ্যনগর গ্রামে দেবতার পুজো করা হয় মদ-মাংস সহযোগে৷ আজ্ঞে হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন৷ বহু বছর ধরে এই প্রথা পালন করে আসছেন দাক্ষিণাত্যের এই ছোট্ট গ্রামের ক্ষত্রিয় সম্প্রদায়ের মানুষরা৷

[আরও পড়ুন: গণপতি বাপ্পার আরাধনার আগে জেনে নিন মাহাত্ম্য]

54275619_1473587687

কী কারণে শুরু হয়েছিল এই প্রথা? কে-ই বা শুরু করেছিলেন এই অদ্ভুত ঐতিহ্য? এই প্রশ্নগুলির সঠিক উত্তর আজও কারও কাছে নেই৷ অনেকেই অনেক রকম কারণ ব্যাখ্যা করেন। তবে মূলত ধন-সমৃদ্ধি লাভের জন্যই পূর্বপুরুষদের এই প্রথাকে আজও মেনে চলেছে ভাগ্যনগর গ্রামের প্রায় ১০০টি ক্ষত্রিয় পরিবার৷

শুধুমাত্র এই ক’টি বাড়ির পুজোতেই আমিষ ভোজন করানো হয় পার্বতীনন্দনকে৷ বারোয়ারি পুজোতে এই নিয়মের চল নেই৷ গণেশ চতুর্থীর (Ganesh Chaturthi) তৃতীয় দিন থেকে নিবেদন করা হয় আমিষ ভোজন৷ প্রতিদিন খাদ্যের তালিকায় ঠাঁই পায় আলাদা ধরনের মাংস৷ সঙ্গে অবশ্যই থাকে মদ৷ ভগবানের গায়ে নাকি একটু কারণসুধা ছিঁটিয়েও দেওয়া হয়৷ যদিও এবার করোনা আবহে কীভাবে পুজো আয়োজিত হতে চলেছে, তা এখনও জানা যায়নি।

[আরও পড়ুন: গণেশ চতুর্থীর আগে রাজ্যে পরপর দু’দিন লকডাউন, পুজোর সামগ্রী জোগাড়ে চিন্তায় উদ্যোক্তারা]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement