Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
পরিবেশবান্ধব বিয়ে

বিয়ের আয়োজনেও পরিবেশ সচেতনতা, অভিনব পথে হেঁটে দৃষ্টান্ত স্থাপন ভোপালের যুবক

কাগজের আমন্ত্রণপত্রের বদলে ই-কার্ডে সবুজের ছোঁয়া।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১, ২০১৯, ১৪:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১, ২০১৯, ১৪:৪৪

options
link
বিয়ের আয়োজনেও পরিবেশ সচেতনতা, অভিনব পথে হেঁটে দৃষ্টান্ত স্থাপন ভোপালের যুবক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিয়ের আমন্ত্রণপত্র কেমন হবে, তার বয়ান, নকশা ঠিক করতে করতেই হপ্তাখানেক কেটে যায়। প্রস্তুতিপর্বে সেও কম ঝক্কির কাজ নয়। তবে ভোপালের এক যুবক দেখিয়ে দিলেন, কীভাবে ‘গ্র্যান্ড ওয়েডিং’ কেও পরিবেশবান্ধব কর তোলা যায়। পালটে দিলেন আমন্ত্রণপত্র তৈরির ধারণা। কাগজের ব্যবহার একেবারে বাদ দিয়ে সবার কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন ই-কার্ড। সেখানেও পরিবেশ
বাঁচানোর উপায় বাতলেছেন তাঁরা।
একটি টব, তাতে মাটি ভরে ছোট্ট একটি গাছ আর টবের গায়ে সংক্ষিপ্ততম বিবাহ বার্তা – ব্যাস, এইই হল বিয়ের নিমন্ত্রণপত্র। এই কার্ডের দৌলতেই ভোপালের প্রাংশু আর সুমির বিয়ে আলোড়ন ফেলে দিল নেটদুনিয়ায়।ভোপালের ব্যবসায়ী প্রাংশু কাঁকানের সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয় সুমির। প্রাংশু এবং তাঁর ভাই প্রতীক বরাবরই পরিবেশ সচেতন। তাই বিয়েটাকেও কীভাবে পরিবেশবান্ধব করে তোলা যায়, সেই ভাবনা ছিলই।

[আরও পড়ুন: ‘একটি পাতাও কাটা যাবে না’, মুখ্যমন্ত্রী হয়েই আরে জঙ্গল বাঁচাতে কড়া পদক্ষেপ উদ্ধবের]

সেইমতো দাদার বিয়ের গোটা পরিকল্পনাই করেছেন প্রতীক। পরিবেশ সচেতনতামূলক ই-কার্ড তৈরি তাঁরই মস্তিষ্কপ্রসূত। আমন্ত্রণপত্রে অতিথিদের কাছে বেশ কয়েকটি অনুরোধ রেখেছেন তাঁরা। যেমন, বিয়ের উপহার হিসেবে পুষ্পস্তবক না হলেই ভাল। কারণ, তাঁরা মনে করছেন যে ফুল গাছেই সবচেয়ে সুন্দর, নবদম্পতির হাতে নয়।খাবার যেন কোনওভাবে নষ্ট না করেন কেউ। কারও পাতে খাবার পড়ে থাকলে, তিনি যেন তা জঞ্জালের স্তূপে ফেলার আগে বাড়তি খাবারটি বিয়েবাড়িতে থাকা ‘রবিনহুড আর্মি’র সদস্যদের দিয়ে দেন। তাহলে সেই খাবারে পেট ভরবে খেতে না পাওয়া শত, সহস্র হতভাগ্য মানুষের।

Advertisement

BHOPAL-green-marriage1

দাদার বিয়ের এহেন অভিনব আয়োজন নিয়ে প্রতীকের বক্তব্য, ‘কাগজের আমন্ত্রণপত্রের বিকল্প হিসেবে আমরা এই ই-কার্ড তৈরি করেছি। তাছাড়া খরচ নিয়ন্ত্রণ করাও আমাদের একটা লক্ষ্য। যে টাকা বিয়ের কার্ড তৈরিতে খরচ হত, তা আমরা পরিবেশের কোনও কাজে লাগাব। আমরা অতিথিদের একটু পরিবেশ সচেতন করতে চাই। সবাইকে না হলেও, কেউ কেউ নিশ্চই এই আয়োজন থেকে কিছুটা অনুপ্রেরণা পাবেন।’

[আরও পড়ুন: সাইবেরিয়ায় খোঁজ মিলল ১৮ হাজার বছর পুরনো প্রাণীর, ধন্দে বিজ্ঞানীরা]

শুধু আয়োজনেই থেমে থাকেননি প্রতীক-প্রাংশু। বিয়েবাড়িতে আগত অতিথিদের প্রত্যেকের কাছে গিয়ে বুঝিয়েছেন, তাঁদের নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। এভাবেই জীবনের নতুন অধ্যায়ের পাতা খুলেছেন প্রাংশু-সুমি। এই আয়োজন নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই সকলে ‘ধন্য ধন্য’ করছেন। বলছেন, পরিবেশ বাঁচাতে শুধু দীর্ঘ বক্তৃতা, আন্দোলন – এসবের পথে না হেঁটে কীভাবে কাজ করা যায়, সেটাই দেখিয়ে দিলেন ভোপালের এই যুবক। পরিবেশপ্রেমীদের কাছে তিনিই এখন ‘হিরো’।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.