Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Shubhanshu Shukla

হালুয়া পাশ, ফেল করেছিল খিচুড়ি! স্পেস স্টেশনে মেনু বাছাইয়ের গোপন গল্প ফাঁস শুভাংশুর

স্পেস স্টেশনে নাকি তাঁর নিয়ে যাওয়া ভারতীয় খাবার নিয়ে কাড়াকাড়ি করতেন বাকি নভশ্চররা!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৮, ২০২৬, ১৮:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৮, ২০২৬, ১৮:০৫

options
link
হালুয়া পাশ, ফেল করেছিল খিচুড়ি! স্পেস স্টেশনে মেনু বাছাইয়ের গোপন গল্প ফাঁস শুভাংশুর zoom
স্পেস স্টেশনে খাবারের পরীক্ষায় খিচুড়ি ফেল, পাশ হালুয়া! জানালেন শুভাংশু শুক্লা
Advertisement

খাবার নিয়ে বড্ড কড়াকড়ি মহাশূন্যে! এটা চলবে না, ওটা চলবে না – তালিকা একেবারে দীর্ঘ। রীতিমতো পরীক্ষা নিয়ে তবেই মেনু বাছাই করতে হয়। তাতে হালুয়া পাশ করে গেলেও ফেল করেছিল বাঙালির প্রিয় খিচুড়ি আর পোলাও! শুনে অবাক হচ্ছেন? সম্প্রতি এক পডকাস্ট চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে সেই মজার গল্প শোনালেন ভারতীয় নভশ্তচর তথা গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লা। গত বছর বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ঘুরে এসেছেন তিনি। সঙ্গী ছিলেন আরও ৪ বিদেশি নভশ্চর। সেই অভিজ্ঞতা ভাগ করতে গিয়েই অভিযানের নানা নেপথ্য কাহিনী শোনালেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন।

গ্রুপ ক্যাপ্টেন বরাবর চাইছিলেন, সবজিসমৃদ্ধ খিচুড়ি বা পোলাও জাতীয় ‘ওয়ান পট মিল’ গোছের খাবার নিয়ে যেতে। এমনই আরও বেশ কিছু পছন্দের খাবারের তালিকা তিনি ফুড ল্যাবের দায়িত্বের থাকা আধিকারিকদের জানিয়েছিলেন। সব রান্নাও করা হয়। কিন্তু পরে পরীক্ষায় খিচুড়ি বা পোলাও ডাহা ফেল করে! জানানো হয়, এত সবজি দেওয়া খাবার মহাশূন্যে নিয়ে যাওয়া কিংবা সংরক্ষণ করে রেখে খাওয়া – কিছুই হবে না। কিন্তু গাজরের হালুয়া, মুগের হালুয়া, আম রসের মতো জিভে জল আনা খাবার পাশ করে যায়। তার মূল কারণ সম্ভবত যে কোনও একটি উপকরণ দিয়ে তৈরি অর্থাৎ সরল খাবার।

স্পেস স্টেশনে শুভাংশুদের ১৪ দিনের সফরে খাবারের মেনু ছিল যথেষ্ট বৈচিত্র্যের। চিরাচরিত পুষ্টিগুণসম্পন্ন, একটু সান্দ্র স্যুপ বা এনার্জি ড্রিঙ্ক নয়। ওই সফরে ভারতের একমাত্র নভশ্চর শুভাংশুর ঝুলিতে ছিল বাড়ির তৈরি খাবার – গাজর আর মুগের হালুয়া, আম রস। পডকাস্টের ওই সাক্ষাৎকারে তিনি জানাচ্ছেন, তাঁর নিয়ে যাওয়া ভারতীয় খাবারের স্বাদ নিতে নাকি বাকি নভশ্চররা মুখিয়ে থাকতেন। সতীর্থদের এই আগ্রহ বেশ উপভোগ করতেন শুভাংশু। এসব কথা বলতে গিয়েই তিনি খাবারের নেপথ্য কাহিনি ফাঁস করলেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
Shubhanshu Shukla Ax-4 crew to leave ISS on July 14
স্পেস এক্সের মিশনে শুভাংশু শুক্লার সঙ্গে সতীর্থরা, ফাইল ছবি

শুভাংশুদের ওই সফরের জন্য খাবার তৈরি হচ্ছিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের ফুড ল্যাবরেটরিতে। আসন্ন গগনযান মিশনেও খাবারের দায়িত্বে তারাই। গ্রুপ ক্যাপ্টেন বরাবর চাইছিলেন, সবজিসমৃদ্ধ খিচুড়ি বা পোলাও জাতীয় ‘ওয়ান পট মিল’ গোছের খাবার নিয়ে যেতে। এমনই আরও বেশ কিছু পছন্দের খাবারের তালিকা তিনি ফুড ল্যাবের দায়িত্বের থাকা আধিকারিকদের জানিয়েছিলেন। সব রান্নাও করা হয়। কিন্তু পরে পরীক্ষায় খিচুড়ি বা পোলাও ডাহা ফেল করে! জানানো হয়, এত সবজি দেওয়া খাবার মহাশূন্যে নিয়ে যাওয়া কিংবা সংরক্ষণ করে রেখে খাওয়া – কিছুই হবে না। কিন্তু গাজরের হালুয়া, মুগের হালুয়া, আম রসের মতো জিভে জল আনা খাবার পাশ করে যায়। তার মূল কারণ সম্ভবত যে কোনও একটি উপকরণ দিয়ে তৈরি অর্থাৎ সরল খাবার।

আসলে মহাশূন্যে আহার বিষয়টিও বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার মতো জটিল। তার আলাদা কৌশল রয়েছে। এমন কিছু খাবার সেখানে নিয়ে যাওয়া যাবে না যার উপকরণ যৌগিক। কারণ তা বিভিন্ন রাসায়নিকের সংস্পর্শে আসার ফলে দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এছাড়া ক্যালোরিসম্পন্ন খাদ্যে অগ্রাধিকার থাকে। এছাড়া শূন্য মহাকর্ষের ফলে কোনও কিছু চিবিয়ে খাওয়ার প্রক্রিয়া এখানে ঠিকমতো কাজ করে না। এমনই নানা ছোটখাটো অথচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় মাথায় রেখেই স্পেস স্টেশনে খাবার পাঠানো হয়। সেই কঠিন পরীক্ষাতেই পাশ করতে পারেনি খিচুড়ি, পোলাও। অথচ আম রস, হালুয়ার মতো খাবার উতরে গিয়েছে। শুধু তাই নয়, শুভাংশুর দৌলতে এসব লোভনীয় ভারতীয় পদের স্বাদ পেয়েছেন বিদেশি নভশ্চররাও।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.