Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
Taxi

চালক ছাড়াই ঘুরছে স্টিয়ারিং, এগোচ্ছে গাড়ি! আমেরিকায় চালকহীন ট্যাক্সিতে স্বপ্নের সফর বাঙালি যুবকের

ক্যালিফোর্নিয়া, সান ফ্রান্সিসকোর যাতায়াত ব্যবস্থাকে অন্য রূপ দিয়েছে চালকবিহীন এই 'ওয়েমো' ট্যাক্সি।

Advertisement
সুমন করাতি
সুমন করাতি

শেষ আপডেট: মার্চ ২৪, ২০২৬, ১৬:৫৪

link
সুমন করাতি
সুমন করাতি

শেষ আপডেট: মার্চ ২৪, ২০২৬, ১৬:৫৪

options
link
চালক ছাড়াই ঘুরছে স্টিয়ারিং, এগোচ্ছে গাড়ি! আমেরিকায় চালকহীন ট্যাক্সিতে স্বপ্নের সফর বাঙালি যুবকের zoom
সান ফ্রান্সিসকোর রাস্তায় চালকবিহীন ট্যাক্সিতে ঘুরে বিস্মিত বাংলার যুবক। নিজস্ব ছবি

এ যেন স্বপ্নের সফর! চালক নেই, অথচ ঘুরছে গাড়ির স্টিয়ারিং, এগোচ্ছে গাড়ি! হ্যাঁ, কল্পবিজ্ঞানের গল্প কিংবা সিনেপর্দায় দেখা সেই চালকবিহীন গাড়ি এখন খাস আমেরিকায় ঘোর বাস্তব। গুগলের হাতে তৈরি সম্পূর্ণ চালকবিহীন ট্যাক্সি পরিষেবা ওয়েমো এই শহরের যাতায়াত ব্যবস্থাকে নতুন রূপ দিচ্ছে। সান ফ্রান্সিসকোর রাস্তায় সেই ট্যাক্সিতে চড়ে যেন ঘোর কাটছেন না বাঙলি যুবক শৌনক দাসের। আসলে শ্রীরামপুরের শৌনক নিজেও প্রযুক্তিতে উৎসাহী একজন মানুষ। আর তাই গুগলের এই নয়া ট্যাক্সি দেখে তিনি এর প্রযুক্তিগত খুঁটিনাটি জানতে আগ্রহী।

​২০০৯ সালে গুগল চালকবিহীন ট্যাক্সি তৈরির মতো উচ্চ প্রযুক্তির এক প্রোজেক্ট শুরু। কিন্তু এখন তা পূর্ণাঙ্গ ও বাণিজ্যিক রূপ পেয়েছে। সেই ট্যাক্সিতে চড়েই আমেরিকার সান ফ্রান্সিসকো শহরটি ঘুরলেন শৌনক। তিনি জানান, কোনও চালক ছাড়াই গাড়িটি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে এবং পথচারীদের অগ্রাধিকার দিয়ে শহরের ব্যস্ত রাস্তায় চলাচল করছে। এতে শুধু চমকপ্রদ সফরের আনন্দ উপভোগ করা যায়, তা নয়। একইসঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অত্যাধুনিক লিডার প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়ের বিষয়টিও স্পষ্ট হয়।

Advertisement

​শৌনক দাসের বর্ণনায়, “এ আমার জীবনে এক অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা।” বিস্ময়ের বিষয় হলো, কোনও আন্তর্জাতিক সিম কার্ড ছাড়াই সাধারণ ভারতীয় ফোন নম্বর ব্যবহার করে এই পরিষেবাটি অনায়াসেই বুক করা সম্ভব হয়েছে। গাড়ির ভিতরে কোনও চালক নেই, স্টিয়ারিং হুইলটি অদৃশ্য কোনও শক্তির প্রভাবে নিজে থেকেই ঘুরছে, যা দেখে বিস্মিত না হয়ে উপায় নেই। নিরাপত্তার দিক থেকেও এই ব্যবস্থা অত্যন্ত উন্নত। গাড়ির ভিতরের ডিজিটাল স্ক্রিনে তার চারপাশের প্রতিটি ছোট-বড় বস্তু স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।” শৌনকের মতে, ওয়েমো ট্যাক্সি চড়ার অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে যে প্রযুক্তির কোনও ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা নেই। সান ফ্রান্সিসকোর এই চালকবিহীন গাড়ির বিপ্লব খুব শীঘ্রই হয়তো বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তেও যাতায়াতের সংজ্ঞা বদলে দেবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.