Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৪ অক্টোবর ২০২৬
Pakistani Pilots in China

চলছে প্রশিক্ষণ, চিনা মহাকাশ স্টেশনে পাক পাইলটদের পাঠাচ্ছে বেজিং!

ঠিক কী উদ্দেশ্যে তাঁদের পাঠানো হবে সেখানে?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬, ১৫:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬, ১৫:৫৩

options
link
চলছে প্রশিক্ষণ, চিনা মহাকাশ স্টেশনে পাক পাইলটদের পাঠাচ্ছে বেজিং! zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

২০৩৫ সালে নাকি চাঁদে যাবে পাকিস্তান। তার আগে প্রথম পাক মহাকাশচারীকে ২০২৬ সালেই চিনের স্পেস স্টেশনে পাঠাচ্ছে চিন। এই প্রথম ‘তিয়ানগং’ মহাকাশ স্টেশনে কোনও বিদেশি নভশ্চরকে পাঠানো হবে। আর তারই অংশ হিসেবে বেজিংয়ে পাকিস্তানের দুই পাইলট (Pakistani Pilots in China) নিবিড় প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। মনে করা হচ্ছে, দুই দেশের মধ্যে মহাকাশ-বিষয়ক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে।

এই মিশনের বিষয়টি কিন্তু নতুন নয়। ২০১৯ সালেই জানা গিয়েছিল, চিনের ঘাড়ে ভর দিয়েই মহাকাশ অভিযান করতে চায় প্রতিবেশী দেশটি। কেননা পাকিস্তানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা সুপারকো এখনও পর্যন্ত স্বাবলম্বী হয়ে কোনও উপগ্রহই পাঠাতে পারেনি। সুতরাং, নিজেদের ক্ষমতায় যে তা সম্ভব নয়, তা ভালোই জানে পাকিস্তান। তাই তাদের দুই পাইলট— জিশান আলি, খুরম দাউদ চিনা তত্ত্বাবধানে ওজনহীন অবস্থায় খাওয়া-দাওয়া, ঘুমানো ও যন্ত্রপাতি মেরামতের অনুশীলন করছেন পুরোদমে। শিখছেন ম্যান্ডারিন ভাষা। এমনকী, সেন্ট্রিফিউজের ভেতরে তীব্র অভিকর্ষজ বলের অভিজ্ঞতাও অর্জন করছেন। তবে এই অভিযানের কোনও নির্দিষ্ট তারিখ এখনও পর্যন্ত ঘোষণা করেনি বেজিং।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আসলে পরমাণু গবেষণা থেকে প্রযুক্তি- সবেতেই চিনই পাকিস্তানের ভরসা। এবার তারা ‘মেড ইন চায়না’ হয়েই মহাকাশেও পৌঁছতে চায়। এপর্যন্ত মহাকাশে পাকিস্তান তিনটি কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠিয়েছে। কিন্তু সেক্ষেত্রেও চিনা সাহায্যেই তা সম্ভব হয়েছে। এমতাবস্থায় ২০৩৫ সালে চন্দ্রাভিযান ও ২০২৬ সালে পাক মহাকাশচারীকে মহাকাশে পাঠানোর লক্ষ্য সামনে রেখে উচ্চাভিলাসী হয়ে উঠছে পাকিস্তান।

উল্লেখ্য, পাকিস্তানের যখন এই অবস্থা, সেখানে ভারত ভারত ইসরোকে সামনে রেখে মহাকাশে প্রতি মুহূর্তেই এগিয়ে চলেছে নতুনতর লক্ষ্যে। ভারতের চন্দ্রাভিযানের পর পাক সাংসদ সৈয়দ মোস্তফা কামাল পাকিস্তানের পার্লামেন্টে দাঁড়িয়েই বলেছিলেন, “গোটা বিশ্ব আজ চাঁদে চলে যাচ্ছে। অথচ আমাদের করাচির অবস্থা দেখুন। এখানে বহু শিশু আবর্জনার স্তূপে পড়ে প্রাণ হারায়। যে মুহূর্তে ভারত চাঁদের বুকে পা রেখেছিল তার ঠিক দু’সেকেন্ড পড়ে খবর এসেছিল আবর্জনার স্তূপে একটি শিশু মারা গিয়েছে। প্রতি তিনদিনে এই শিশুমৃত্যুর খবর আমাদের কাছে আসে।” এই অবস্থায় পাকিস্তানি নভশ্চররা চিনের কাঁধে চড়েই মহাকাশ বিজয়ের খোয়াব দেখছেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.