Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
Dirac Medal

বিশ্ববিশ্রুত হকিং পেয়েছিলেন, সেই ডির‌্যাক মেডেলে এবার সম্মানিত উত্তরপ্রদেশের দীপক

২০২৩ সালে পদ্মভূষণে ভূষিত হয়েছিলেন দীপক ধর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০২৬, ১৯:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০২৬, ১৯:২০

options
link
বিশ্ববিশ্রুত হকিং পেয়েছিলেন, সেই ডির‌্যাক মেডেলে এবার সম্মানিত উত্তরপ্রদেশের দীপক zoom
ফাইল চিত্র।
Advertisement

ডির‌্যাক মেডেল পেলেন ভারতীয় বিজ্ঞানী দীপক ধর। উত্তরপ্রদেশের প্রতাপগড়ে জন্ম তাঁর। ছোটবেলা থেকেই বিজ্ঞানের পত্রিকা পড়ে সিদ্ধান্ত নেন বিজ্ঞানী হবেন। কে জানত, সেই ছোট্ট ছেলেটা একদিন ছুঁয়ে ফেলবে বিশ্ববিশ্রুত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের কীর্তি! ২০২৬ সালে যে চার জন বিজ্ঞানীকে এই সম্মানে ভূষিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তাঁদেরই অন্যতম দীপক।

মেকানিক্যাল ফিজিক্সে তাঁর অবদানের জন্য বহুদিন ধরেই প্রশংসিত বেঙ্গালুরুর ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর থিওরিটিক্যাল সায়েন্সেস-এর সঙ্গে যুক্ত দীপক। বিশেষত বার্নিং অ্যালগরিদম তত্ত্বের জন্য তিনি বিখ্যাত। ২০২৩ সালে ভূষিত হয়েছিলেন পদ্মভূষণে। তিনি ছাড়া আর যাঁরা এই সম্মান পেলেন তাঁরা হলেন কলেজ দ্য ফ্রান্স-এর অধ্যাপক বার্নার্ড দেরিদা, বোকোনি বিশ্ববিদ্যালয়ের তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক মার্ক মেজার্ড এবং হিব্রু ইউনিভার্সিটি অফ জেরুজালেমের নিউরোসায়েন্স ও পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক হাইম সমপোলিনস্কি।

Advertisement

দীপককে কেন দেওয়া হল এই পুরস্কার? আইসিটিপির মতে, তাঁর গবেষণা বিজ্ঞানীদের বুঝতে সহায়তা করেছে যে, কোনও ব্যবস্থার ক্ষুদ্র অংশগুলোর মধ্যের সাধারণ মিথস্ক্রিয়া কীভাবে ব্যবস্থাটি বিশাল আকার ধারণ করার পর জটিল আচরণের সৃষ্টি করতে পারে। তাঁর অন্যতম উল্লেখযোগ্য অবদান হল ‘স্যান্ডপাইল মডেল’ বা বালির স্তূপ সংক্রান্ত মডেল নিয়ে করা কাজ। এর মূল ধারণাটি বেশ সহজ। বালির স্তূপে যখন নতুন বালুকণা যোগ করা হয়, তখন সেগুলোর অধিকাংশই কোনও প্রভাব ফেলে না সেই অর্থে। কিন্তু কখনও কখনও মাত্র একটি বালুকণা যোগ করতেই স্তূপটির বড় ধরনের ধস নামতে পারে। ভূমিকম্প, যানজট, এমনকী শেয়ার বাজারের ওঠানামার মতো জটিল ব্যবস্থাতেও এই ধারণা ব্যবহার করা হয়েছে।

মেকানিক্যাল ফিজিক্সে তাঁর অবদানের জন্য বহুদিন ধরেই প্রশংসিত বেঙ্গালুরুর ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর থিওরিটিক্যাল সায়েন্সেস-এর সঙ্গে যুক্ত দীপক। বিশেষত বার্নিং অ্যালগরিদম তত্ত্বের জন্য তিনি বিখ্যাত। ২০২৩ সালে ভূষিত হয়েছিলেন পদ্মভূষণে।

১৯৫১ সালে জন্ম দীপকের। হিন্দি মাধ্যমে পড়াশোনা করেছিলেন তিনি। মায়ের আশা ছিল, তিনি একদিন আইএএস অফিসার হবেন। তাঁর বাবা অবশ্য চাইতেন ছেলে বিজ্ঞানী হবে। শেষে সেই আশাই সত্যি হয়। এবার ডির‌্যাক মেডেলে সম্মানিত হলেন দীপক। স্পর্শ করলেন হকিংকে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.