Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Endengered Species

বাড়ি ফেরা! অর্ধশতক পরে ফের বাসা বাঁধতে হাজির বিরল প্রজাতির পাখি

২০১৯ সালে ১৪ একর আয়তনের আবাসস্থল তৈরি করা সার্থক হল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬, ১৯:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬, ১৯:৫৬

options
link
বাড়ি ফেরা! অর্ধশতক পরে ফের বাসা বাঁধতে হাজির বিরল প্রজাতির পাখি zoom
ছবি: সংগৃহীত।
Advertisement

আপাতভাবে ভেবে দেখলে মনে হবে এটা কী এমন ব্যাপার? একজোড়া পাখি বাসা বেঁধেছে। সে তো কোটি কোটি বছর ধরেই পাখিরা বাসা বাঁধছে। তাহলে হঠাৎই আমেরিকার উইসকনসিন পয়েন্টে পাইপিং প্লোভারের জোড়া বাসা বেঁধে ডিম পাড়ার ঘটনায় কেন অভিভূত বিজ্ঞানীরা?

আসলে ‘পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন’, তাই সব কিছুতেই একটা আশঙ্কার মেঘ। সেই পরিস্থিতিতে বিপন্ন প্রজাতির ওই পাখিদের ফের সুপিরিয়রের উইসকনসিন পয়েন্টে বাসা বাঁধতে প্রত্যাবর্তন এক আশ্চর্য সদর্থক ঘটনা। কেননা শেষবার এখানে তারা বাসা বেঁধেছিল ১৯৭৭ সালে! এরপর কেটে গিয়েছে ৪৯ বছর। পাঁচ শতকের ব্যবধান ঘুচিয়ে বাসা বাঁধতে এই ফিরে আসা নেহাত সামান্য বিষয় নয়। বলা যায়, ওই এলাকাকে তাদের কাছে বাসার বাঁধার অনুকূল পরিবেশ ফিরিয়ে দিতে যে প্রচেষ্টা করা হচ্ছিল গত সাতবছর ধরে, তা সফল হল।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রকৃতির কোল থেকে আমরা ক্রমশ তার সন্তানদের বিচ্যুত করে চলেছি। সেই পরিস্থিতিতে এহেন প্রয়াসকে সাধুবাদ দিতেই হবে। এবং এবার সেই প্রয়াস সফল হতেও শুরু করেছে।
২০১৯ সালে উইসকনসিন বন্দর এলাকা থেকে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে উত্তোলিত ৮৭,০০০ কিউবিক গজ পলি ও মাটি ব্যবহার করে ১৪ একর আয়তনের আবাসস্থছল তৈরি করা হয়। ‘উইসকনসিন ডিপার্টমেন্ট অফ ন্যাচারাল রিসোর্সেস’-এর তরফে জানানো হয়েছে, পাখিগুলো ২০২৬ সালের গ্রীষ্মকালে সেন্ট লুইস নদীর মোহনায় বাসা বেঁধেছিল। আর তা সম্ভব হয়েছে ওই আবাসস্থল নির্মাণের কারণেই।

জানা যাচ্ছে, প্রজননক্ষম ওই পাখি দম্পতি বালি ও নুড়িপাথরের তৈরি একটি বিচ্ছিন্ন ভূখণ্ডে তাদের বাসা তৈরি করেছিল। ২০১৯ সালে ড্রেজিং করে যে সব উপাদান মিলেছিল তা ‘উইসকনসিন পয়েন্ট বার্ড স্যাংচুয়ারি’-র অন্তর্গত বালির চরে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এর ফলেই পাখিদের খাবার সংগ্রহ ও বাসা বাঁধার উপযোগী ১৪ একর নতুন ভূমির সৃষ্টি হয়েছে। সেখানেই তৈরি হয়েছে এই বাসা। যেখানে ডিমও পেড়েছে ওই পক্ষীযুগল। এই পাখিরা বালির উপরে অগভীর বাসা বাঁধার জন্য গাছপালাহীন প্রশস্ত ও শান্ত উপকূলীয় এলাকাই পছন্দ করে। সেটাই তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হল। উইসকনসিন পয়েন্টে বাসা বাঁধার এই প্রচেষ্টা গ্রেট লেকস অঞ্চলে পাইপিং প্লোভারের সংখ্যা পুনরুদ্ধারের বৃহত্তর প্রক্রিয়ারই একটি অংশ বলে জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। স্বাভাবিক ভাবেই এই ছোট্ট ঘটনার তাৎপর্য বিরাট। ফলে বিজ্ঞানীমহলের উচ্ছ্বাস স্বাভাবিকই।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.