BREAKING NEWS

২৮ শ্রাবণ  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

বীরবিক্রমে ফিরে এল ‘বিক্রম’, কী হতে পারে ল্যান্ডারের ভবিষ্যৎ?

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: September 8, 2019 3:32 pm|    Updated: September 9, 2019 2:52 pm

An Images

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়, বেঙ্গালুরু: ‘শত্তুরের মুখে ছাই’ দিয়ে চন্দ্রযানের ল্যান্ডার বিক্রমের খোঁজ পেল ইসরো। চাঁদের মাটিতেই খোঁজ মিলেছে বিক্রমের। ইসরোর প্রাথমিক ধারণা, বিক্রমের বেশ কিছু যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাই তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। ইসরোর বিজ্ঞানীরা ল্যান্ডার বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগের আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। কিন্তু আদৌ কি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ল্যান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ সাধন সম্ভব? কী বলছেন বিজ্ঞানীরা?

[আরও পড়ুন: চাঁদের মাটিতেই হদিশ মিলল ল্যান্ডার বিক্রমের, নিশ্চিত করলেন ইসরো প্রধান]

ইসরো সূত্রের খবর, ল্যান্ডার বিক্রমের সন্ধান পাওয়া গেলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা এখনই সম্ভব নয়। আপাতত বড় কোনও মিরাকলের আশায় দিন গুণতে হবে ইসরোর বিজ্ঞানীদের। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, বিক্রমের যে সফট ল্যান্ডিং হওয়ার কথা ছিল, তা হয়নি। বদলে বেশ গতির সঙ্গেই চাঁদের মাটিতে আছড়ে পড়েছে চন্দ্রযানের ল্যান্ডার। চাঁদের মাটিতে জোরে আছড়ে পড়ার ফলে বিক্রমের বেশ কিছু যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে বিক্রমের অ্যান্টেনা এবং ক্যামেরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের পথ আরও কঠিন হয়ে গিয়েছে।

বিক্রমের অন্দরেই তাঁর ‘সেলফ চেক’-এর প্রযুক্তি রয়েছে। অর্থাৎ বিক্রম স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেকে পরীক্ষা করে নিতে পারে। কিন্তু, যন্ত্রাংশ বিশেষ করে ক্যামেরা এবং অ্যান্টেনা ভেঙে যাওয়ায়, এই মুহূর্তে বিক্রমের ‘সেলফ চেক’ সম্ভব নয়। এখনও বিক্রম থেকে কোনওরকম বেতার তরঙ্গে পাওয়া যাচ্ছে না। চন্দ্রযানের অর্বিটারও বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি। শুধু ‘থার্মাল ইমেজ’ পেয়েছে। বিক্রমের বেশ কিছু যন্ত্রাংশ বিকল হওয়ার ফলে মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়া তা আর চালু করা একপ্রকার অসম্ভব। চন্দ্রপৃষ্ঠে মানুষের হস্তক্ষেপ যে সম্ভব নয়, সেকথা বলাই বাহুল্য। তাই আপাতত অপেক্ষা করা এবং কোনও মিরাকলের আশা করা ছাড়া কোনও উপায় নেই ইসরোর। যদি, বিক্রম কোনওভাবে স্বয়ংক্রিয় হয়ে নিজেকে চালু করতে পারে তবেই যোগাযোগ সম্ভব।

[আরও পড়ুন: ‘বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগের আপ্রাণ চেষ্টা চলছে’, হাল ছাড়েননি ইসরো চেয়ারম্যান]

আশার কথা, ইসরোর বিজ্ঞানীরা প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ করার। ইসট্র্যাকের অ্যান্টেনা, বেঙ্গালুরুতে ইসরোর সদর দপ্তরের অ্যান্টেনা এবং অরবিটারের নিজের অ্যান্টেনা ক্রমাগত বিক্রমকে বেতার তরঙ্গ পাঠিয়ে চলেছে। যদি কোনওভাবে বিক্রম সেই তরঙ্গে সাড়া দেয়, তবেই তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement