‘সুজলাং সুফলাং মলয়জশীতলম শস্যশ্যামলাং মাতরম’… রাশিয়ার উপগ্রহ চিত্রে দেখা গেল ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা’ ভারতের ছবি। রসকসমসের ইলেকট্রো-এল হাইড্রোমেটারোলজিক্যাল স্যাটেলাইটের তোলা এই ছবি ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।
রাশিয়ার এই কৃত্রিম উপগ্রহ গোটা পৃথিবীর আবহাওয়ার হিসেব রাখে। এটি পৃথিবীর বিষুবরেখা থেকে প্রায় ৩৬,০০০ কিলোমিটার উঁচুতে একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে স্থির হয়ে ভেসে থাকে এবং ঠিক পৃথিবীর আবর্তনের সমান গতিতে চলাচল করে। আর সেই উপগ্রহের তোলা ছবিতে ধরা পড়েছে ভারতের ছবি। ভারত মহাসাগর, ইউরেশিয়া, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, অ্যান্টার্কটিকাও দেখা যাচ্ছে সেই ছবিতে।
আরও পড়ুন:
রাশিয়ার উপগ্রহ চিত্রে দেখা গেল ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা’ ভারতের ছবি। রসকসমসের ইলেকট্রো-এল হাইড্রোমেটারোলজিক্যাল স্যাটেলাইটের তোলা এই ছবি ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, রাশিয়ার মোট ১৫৫৯টি কৃত্রিম উপগ্রহ রয়েছে। এর মধ্যে বহু উপগ্রহ রুশ সেনার সিস্টেম মেনে কাজ করে। আলোচ্য উপগ্রহটি এই বছরেরর ফেব্রুয়ারিতেই উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। এতে তোলা ছবিগুলিতে প্রতি পিক্সেলে এক থেকে চার কিলোমিটার অঞ্চল দেখা যায়। ফলে খুঁটিনাটি বিস্তারিত ভাবে দেখা যায়। এই উপগ্রহটিকে সেই কারণেই পৃথিবীর অন্যতম তীক্ষ্ণদৃষ্টিসম্পন্ন উপগ্রহ ধরা হয়।
এর আগে পৃথিবীর একগুচ্ছ অসামান্য ছবি উপহার দিয়েছে আর্তেমিস ২। অরিওন ক্যাপসুল থেকে চোখধাঁধানো ছবিগুলি দেখে মুগ্ধ মহাকাশপ্রেমীরা। ৫০ বছর মানুষের চন্দ্রাভিযানের শুরুতেই এই ছবিগুলি নিঃসন্দেহে বড় পাওনা হয়ে রইল বলেই মনে করা হচ্ছে। ছবিগুলির মধ্যে অন্যতম একটি ছবি, কালো অন্তরীক্ষের প্রেক্ষাপটে নীল রঙের ঝলমলে পৃথিবী। মহাকাশযানের জানালা দিয়ে তোলা আরেকটি চমৎকার ছবিতে প্রশান্ত মহাসাগর ও মেঘমালার ঘূর্ণায়মান নীল ও সাদা বিন্যাসের এক উচ্চ-রেজোলিউশনে পৃথিবীকে দেখা গিয়েছে। হয়তো যা দেখে মহাকাশচারীদের মনে পড়ছিল মাত্র কয়েক দিন আগেই পেছনে ফেলে আসা নিজেদের গ্রহটাকে! এই সব যে কেবল ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে তা নয়। বরং গোটা পৃথিবীবাসীকেই নভশ্চরদের অভিযানের ‘লাইভ’ আপডেটও দেবে কার্যত।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সপ্তমীর সাজে রাখছেন লিকুইড লিপস্টিক? এই ৬ ভুল করলে সাজ হবে ঘেঁটে ঘ!
-
পুজোর মরশুমে সুখবর, টয় ট্রেনে আরও ৬ জয় রাইড
-
আরও এক রাজ্যে কার্যকর অভিন্ন দেওয়ানি বিধি! শাহী টার্গেট পূরণের লক্ষ্যে এগোচ্ছে বিজেপি
-
সরল সেন্সরের কাঁচি! চৈনিক ‘চাল শুধরে’ অবশেষে ছাড়পত্র পেল সলমনের ‘মাতৃভূমি’
-
‘বাংলা থেকে কোনও সম্মান পাইনি’, এশিয়াডে ঐতিহাসিক সোনা জিতেও আক্ষেপ দমদমের অঙ্কিতার