Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২ জুলাই ২০২৬
Hottest March

১২১ বছরে উষ্ণতম মার্চের সাক্ষী দেশ, সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা

মার্চে ৭১ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে দেশজুড়ে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২২, ১৩:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২২, ১৩:০৩

options
link
১২১ বছরে উষ্ণতম মার্চের সাক্ষী দেশ, সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন’। জীবনানন্দ দাশের সেই কবিতার পঙক্তি যেন নতুন করে ভারতে ফিরে এল ২০২১ সালের মার্চে। ১৯০১ সাল থেকে যে রেকর্ড রয়েছে, তার হিসেবে নয়া নজির গড়ল এই মাসের উষ্ণতা (Temperature)! হাওয়া অফিসের তথ্য সেকথাই বলছে। স্বাভাবিক সর্বোচ্চ তাপমাত্রার চেয়ে গড়ে ১.৮৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল এবারের মার্চের তাপমাত্রা। এই পরিসংখ্যানে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

কেবল উষ্ণতাই নয়, বৃষ্টিপাতের (Rainfall) স্বাভাবিক হিসেবেও এই মাস ছিল অনেকটাই শুষ্ক। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের দাবি, দীর্ঘকালীন বৃষ্টিপাতের হিসেবে মার্চে ৭১ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে দেশজুড়ে। এই মাসের গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১.৮৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। গড় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০.২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা তৃতীয় সর্বোচ্চ। স্বাভাবিকের থেকে ১.৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। সব মিলিয়ে গড় তাপমাত্রার বিচারে এটাই ১৯০১ সাল থেকে ধরলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ১.৬১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: অপরাধ দমনে কড়া মধ্যপ্রদেশ, গুঁড়িয়ে দেওয়া হল নাবালিকাকে গণধর্ষণে অভিযুক্ত ধর্মগুরুর বাড়ি]

প্রসঙ্গত, মার্চ মাসের দেশের গড় সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকে যথাক্রমে ৩১.২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও ১৮.৮৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গড় তাপমাত্রা থাকে ২৫.০৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পাশাপাশি বৃষ্টিতেও তৈরি হয়েছে নয়া নজির। দীর্ঘকালীন গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ এমাসে ৭১ শতাংশ কম। সাধারণত এমাসে দেশে ৩০.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয় গড়ে। সেখানে এবার বৃষ্টি হয়েছে মাত্র ৮.৯ মিলিমিটার। এই হিসেবও চমকে দেওয়ার মতো। ১৯০৮ সালে দেশে বৃষ্টি হয়েছিল ৮.৭ মিলিমিটার। পরের বছর হয়েছিল তার চেয়েও কম, ৭.২ মিলিমিটার। এবারের মার্চের হিসেব থাকবে তার ঠিক পরেই।

বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাব এখন আর সুদূরপ্রসারী নয়। সতর্ক না হলেই যে অচিরে বড় বিপদ অপেক্ষা করে রয়েছে, বারবার সেই বিষয়ে সাবধান করেছেন আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা। কিন্তু যাবতীয় প্রচার সত্ত্বেও সচেতনতা যে সেভাবে গড়ে ওঠেনি তা ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে মার্চের এই তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের পরিসংখ্যানকে ইঙ্গিতবহই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

[আরও পড়ুন: হস্টেলে অমানবিক নির্যাতনের শিকার! রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার ১৪ বছরের ছাত্র]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.