Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Shubhangshu Shukla

সহায় ‘ভীম’! পৃথিবীর বাইরে জনবসতির খোঁজে নতুন পরীক্ষা ভারতের ‘গগনযাত্রী’ শুভাংশুর

স্পেস স্টেশন ঘুরে আসা শুভাংশু স্রেফ মহাকাশযাত্রা নিয়েই ভাবিত নন, তাঁর স্বপ্ন সুদূরপ্রসারী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬, ১৮:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬, ১৮:৫০

options
link
সহায় ‘ভীম’! পৃথিবীর বাইরে জনবসতির খোঁজে নতুন পরীক্ষা ভারতের ‘গগনযাত্রী’ শুভাংশুর zoom
পৃথিবীর বাইরে কি বসবাস সম্ভব? নতুন পরীক্ষায় নভশ্চর শুভাংশু শুক্লার
Advertisement

মহাকাশ বিজ্ঞানে ভারতের জয়যাত্রা নতুন মাত্রা পেয়েছে নরেন্দ্র মোদির ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর হাত ধরে। শুক্রবারই EOS-05 নামে একটি নজরদারি স্যাটেলাইট উড়িয়ে সাফল্যের মুখ দেখেছে ইসরো। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের আগাম সংকেত দেওয়া থেকে একাধিক কাজ তার। কিন্তু এখানেই থেমে নেই দেশের গবেষণা। বরং পৃথিবীর বাইরে কোথায় মানুষের বসতি গড়ে তোলা যায়, সেই উত্তর খুঁজতে নতুন পরীক্ষানিরীক্ষা শুরু করেছেন ভারতের ‘গগনযাত্রী’ ও স্পেস স্টেশন ঘুরে আসা নভশ্চর শুভাংশু শুক্লা। এক্ষেত্রে তাঁর সহায় ‘ভীম’! কীভাবে চলছে সেই কাজ? নিজেই এক্স হ্যান্ডলে তার হাল-হকিকত জানালেন তিনি।

নিজের এক্স হ্যান্ডলে তিনি জানিয়েছেন, ‘এখন থেকে যদি এটা নিয়ে আমরা কাজ শুরু না করি, তাহলে আগামী ২০ বছরেও আমরা কিছু করতে পারব না। পৃথিবীর বাইরে জনবসতির জন্য যে বাড়ি, ঘরদোরই তৈরি করতে হবে, তেমনটা নয়। আগে খুঁজে দেখতে হবে ঠিক কোথায় আমরা নিজেদের পরিবেশ পাব। এর জন্য অনেক পরীক্ষানিরীক্ষা প্রয়োজন, প্রযুক্তির অনেক সাহায্য লাগবে। চাঁদ, মঙ্গলে আমরা অহরহ অভিযান চালাচ্ছি। তাঁদের সকলের জন্যই প্রয়োজন পৃথিবীর বাইরে বিকল্প বাসস্থান।’

‘ভীম’ শুনে অবাক হচ্ছেন? ‘আত্মনির্ভর ভারত’কে সামনে রেখেই শুভাংশুর নতুন পরীক্ষার এই নামকরণ। পুরো নাম ‘ভারতীয় হ্যাবিটেবল এক্সপ্যান্ডেবল এক্সট্রাটেরিস্টিয়াল হ্যাবিটেট’। অর্থাৎ পুরোপুরি ভারতীয় পদ্ধতিতে খোঁজা হবে পৃথিবীর বাইরে কোথাও মানুষের বসতি সম্ভব কি না, কেমন পরিবেশ গড়ে তোলা যেতে পারে, এসবের তথ্য-তালাশ চলবে। এ বিষয়ে শুভাংশু জানিয়েছেন, আসলে পৃথিবীর বাইরে স্থায়ী জনবসতি খুব বড় চ্যালেঞ্জের ব্যাপার। তার মূল কারণ, মহাশূন্যের অত্যন্ত বেশি তাপমাত্রা, বিকিরণ। এছাড়া এখানে জীবনদায়ী শক্তির প্রকৃতিও বেশ আলাদা, যার সঙ্গে আমরা অভ্যস্ত নই। তিনি মনে করেন, দেশের মহাকাশ গবেষণার মতোই গুরুত্বপূ্র্ণ বিকল্প বাসস্থান খোঁজা। সেই লক্ষ্যে তাঁর এই ‘ভীম’ গবেষণা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিজের এক্স হ্যান্ডলে তিনি জানিয়েছেন, ‘এখন থেকে যদি এটা নিয়ে আমরা কাজ শুরু না করি, তাহলে আগামী ২০ বছরেও আমরা কিছু করতে পারব না। পৃথিবীর বাইরে জনবসতির জন্য যে বাড়ি, ঘরদোরই তৈরি করতে হবে, তেমনটা নয়। আগে খুঁজে দেখতে হবে ঠিক কোথায় আমরা নিজেদের পরিবেশ পাব। এর জন্য অনেক পরীক্ষানিরীক্ষা প্রয়োজন, প্রযুক্তির অনেক সাহায্য লাগবে। চাঁদ, মঙ্গলে আমরা অহরহ অভিযান চালাচ্ছি। তাঁদের সকলের জন্যই প্রয়োজন পৃথিবীর বাইরে বিকল্প বাসস্থান।’ শুভাংশু শুক্লার এই ‘ভীম’ প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিঃসন্দেহে। বলা হচ্ছে, শুধু বিকল্প বসতিই নয়, মহাকাশ গবেষণায় আরও নতুন মাত্রা যোগ হবে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.