Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
lockdown

‘তিন সপ্তাহ যথেষ্ট নয়, দরকার ৪৯ দিনের লকডাউন’, ভারতকে পরামর্শ কেমব্রিজের গবেষকদের

ভারতীয় বংশোদ্ভূত ওই দুই গবেষকদের মধ্যে একজন বাঙালিও রয়েছেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২০, ২০:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২০, ২০:১৪

options
link
‘তিন সপ্তাহ যথেষ্ট নয়, দরকার ৪৯ দিনের লকডাউন’, ভারতকে পরামর্শ কেমব্রিজের গবেষকদের zoom
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার প্রকোপে বিশ্বজুড়ে অব্যাহত মৃত্যুমিছিল। এই পরিস্থিতি সংক্রমণ রুখতে দেশজুড়ে ২১ দিনের লকডাউনের ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। লকডাউন মেনে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ না রুখলে দেশ ২১ বছর পিছিয়ে যাবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে গত কয়েকদিন ধরে ঘরবন্দি অবস্থায় হাঁসফাঁস করছেন বেশিরভাগ ভারতবাসী। বৃহস্পতিবার লকডাউনের নবম দিনে দাঁড়িয়ে কেউ কেউ যখন ঘর থেকে বেরোনোর ছুঁতো খুঁজছেন, তখন কেমব্রিজ ( Cambridge) বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ভারতীয় বংশোদ্ভূত গবেষক লকডাউনের সময়সীমা আরও বাড়ানো উচিত বলে পরামর্শ দিলেন। তাঁদের মতে, নোভেল করোনা ভাইরাসের প্রকোপ থেকে ভারতের নাগরিকদের রক্ষা করতে হলে ২১ দিন যথেষ্ট নয়। তিন সপ্তাহের মধ্যে পরিস্থিতি পুরোপুরি সামলানো যাবে না। ভারতকে করোনা থেকে সম্পূর্ণ মুক্তও করা যাবে না। এই মারণ ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা পেতে দরকার সাত সপ্তাহ বা ৪৯ দিন। আর তা না পারলে নিদেনপক্ষে ৪৫ দিন। না হলে ফের নতুন করে সংক্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে।

গত ডিসেম্বর মাসে প্রথম করোনা ভাইরাসের ফলে মৃত্যু হওয়ার খবর পাওয়া যায় চিনের ইউহান শহরে। এরপর আস্তে আস্তে চিনের গণ্ডি ছাড়িয়ে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে এই মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ। যা আজ ভয়ানক মহামারি আকার নিয়েছে। ভারতেও বাড়ছে সংক্রমণ। আর এটা রুখতে লকডাউন চলছে এখানে। এই পুরো পরিস্থিতি নিয়ে গবেষণা করেছেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপ্লায়েড ম্যাথামেটিক্স অ্যান্ড থিওরিটিক্যাল ফিজিক্স বিভাগের দুই ভারতীয় বংশোদ্ভূত গবেষক রণজয় অধিকারী ও রাজেশ সিং। এর মধ্যে রণজয় আবার বাঙালি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: জানেন, করোনার জেরে হাত ধুতে দিনভর কত জল নষ্ট হচ্ছে? অপচয় বাঁচান এই উপায়ে ]

ভারতের পরিস্থিতি সম্পর্কে গবেষণা করে তাঁরা চার ধরনের অবস্থার কথা বলেছেন। তাঁদের মতে, তিন সপ্তাহ ধরে চলা লকডাউনের ফলে সংক্রমণ ও নতুন আক্রান্তের সংখ্যা হয়তো কমবে। কিন্তু, ফের তা ফিরে আসতে পারে। পরিস্থিতি দেখে তখন হয়তো পাঁচ দিনের ছাড় দিয়ে ফের ২৮ দিনের লকডাউন করল সরকার। কিন্তু, এতে পরিস্থিতির খুব একটা পরিবর্তন হবে না। মাঝে দেওয়া ছাড়ের কারণে ফের সংক্রমণ হতে পারে। তবে ২৮ দিন লকডাউনের পর আবার যদি পাঁচ দিনের ছাড় দিয়ে ১৮ দিনের লকডাউন। মানে তিন দফায় ১০ দিনের ছাড় দিয়ে ৬৭ দিনের লকডাউন হলে অবশ্য পরিস্থিতি অনেকটাই শুধরে যাবে। নতুন করে সংক্রমণের সম্ভাবনাও তলানিতে এসে ঠেকবে। তবে টানা ৪৯ দিনের লকডাউন করা হলে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ আসবে করোনা। একসঙ্গে সাত সপ্তাহের লকডাউন বা সামাজিক দূরত্ব বদলে দেবে সবার জীবন।

[আরও পড়ুন: তাক লাগানো আবিষ্কার, বাতাসে করোনা মারতে মেশিন তৈরি করলেন বাঙালি গবেষক]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.