Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Environment

পরিবেশ রক্ষায় সাইকেল নিয়ে দেশভ্রমণ, প্লাস্টিক বন্ধের বার্তা ছুটছেন অনিল ‘রানার’

সাত মাসে পেরিয়েছেন ১১ হাজার কিমি পথ, এখন গন্তব্য বাংলাদেশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২২, ১২:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২২, ১২:২৯

options
link
পরিবেশ রক্ষায় সাইকেল নিয়ে দেশভ্রমণ, প্লাস্টিক বন্ধের বার্তা ছুটছেন অনিল ‘রানার’ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এ এক অন‌্য ‘রানার’-এর গল্প! তবে পায়ে হেঁটে নয়। এই ‘রানার’ ছোটেন বাহনে। আরও স্পষ্ট করে বললে – সাইকেলে (Bicycle)। সঙ্গী দুই কন‌্যা। সাত বছরের শ্রেয়া আর চার বছরের যুক্তি। মা-মরা দুই মেয়েকে নিয়েই দমন-দিউয়ের এক অখ‌্যাত গ্রাম থেকে অনিল চৌহান পাড়ি দিয়েছেন দেশের এক রাজ‌্য থেকে অন‌্য রাজ্যে। উদ্দেশ্য অনেক বড়। ‘সিঙ্গল ইউজ প্লাস্টিক’ (Single use plastic) ব্যবহার বন্ধের বার্তা দিতে অনিলের এই সাইকেল ভ্রমণ।

যাত্রা শুরু হয়েছিল সাত মাস আগে, চলতি বছরের প্রথম দিনে। তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত অনিল চষে ফেলেছেন ১১,০০০ কিলোমিটার। পেরিয়েছেন পাঁচটি রাজ‌্য – গোয়া, গুজরাট, রাজস্থান, দিল্লি এবং মধ‌্যপ্রদেশ। তবে তাঁর গন্তব‌্য পড়শি দেশ, বাংলাদেশ (Bangladesh)। কিন্তু কেন ছুটছেন এই ‘রানার’? অনিল চান, একক-ব‌্যবহারযোগ‌্য প্লাস্টিকের ব‌্যবহার চিরতরে বন্ধ হোক। এই প্লাস্টিকের কারণেই বাড়ছে গরু (Cow) মৃত্যুর সংখ‌্যা। আবর্জনার স্তূপ থেকে খাবার সংগ্রহে গিয়ে, না বুঝেই প্লাস্টিক খেয়ে ফেলে গরু। তারপরই মৃত্যু।

Advertisement

[আরও পড়ুন: গরু পাচার মামলার তদন্তে সায়গল হোসেনের মা ও স্ত্রীকে তলব ইডি’র, দিল্লিতে হাজিরার নির্দেশ]

এই ধরনের প্লাস্টিক থেকে গরুর বিভিন্ন বিপজ্জনক রোগ-ব‌্যাধিও হয়। তাই ‘সিঙ্গল-ইউজ’ প্লাস্টিকের ব‌্যবহার বন্ধ করা কতটা জরুরি, সেই বার্তা দেশবাসীকে দিতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েছেন অনিল। তাঁর সাইকেলে বাঁধা রয়েছে কেবল একটি ব‌্যাগ, যেখানে সম্বল বলতে দু’টি কম্বল। মেয়েদের জন‌্য। অনিল সারা দিন সাইকেলে ঘোরেন, মানুষজনকে প্লাস্টিকের ব‌্যবহার বন্ধের বার্তা দেন। আর রাত হলে কোনও মন্দির, বাস স্টপ, স্টেশন কিংবা ধরমশালায় শুয়ে বিশ্রাম নেন।

[আরও পড়ুন: এসএসসি কর্তাদের সই ‘জাল’ করে সুপারিশপত্র! নিয়োগ নিয়ে পার্থকে প্রশ্ন সিবিআইয়ের]

তাঁর দাবি, খাবারদাবারের বন্দোবস্ত করে দেন স্থানীয়রাই, তাঁর মহৎ উদ্দেশ্যের কথা জেনে। অনিল জানিয়েছেন, ‘‘দমন-দিউয়ে আমার গ্রামের লোকেরা যখন জানল আমি কেন মেয়েদের নিয়ে সাইকেল-যাত্রায় বেরচ্ছি, সকলে খুব হেসেছিল। কিন্তু আমি একে দায়িত্ব হিসাবে নিয়েছিলাম। আর মেয়েদের নিয়ে আসার কারণ, মা-মরা মেয়েদের আর কোথায়ই বা রেখে আসব?’’ অনিল চান বাংলাদেশ পর্যন্ত যেতে। তাঁর কাছে নিজের এবং দুই মেয়ের জন‌্য পাসপোর্টের বন্দোবস্তও সারা। অনিলের আশা, ভিসা পেতেও কোনও সমস‌্যা হবে না তাঁ ও দুই মেয়ের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.