Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Space X'এর সফল অবতরণ

মহাশূন্যে সফর সেরে সমুদ্রে সফল অবতরণ বেসরকারি মহাকাশযান Space X’এর, দেখুন ভিডিও

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে নিরাপদে ফিরলেন ২ নভোশ্চর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০২০, ১৪:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০২০, ১৪:৫২

options
link
মহাশূন্যে সফর সেরে সমুদ্রে সফল অবতরণ বেসরকারি মহাকাশযান Space X’এর, দেখুন ভিডিও zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহাকাশ থেকে ফিরে সোজা সমুদ্রে পড়ল মহাকাশযান Space X. তারপর জলের তলদেশ থেকে হাসতে হাসতে একটি বোটে উপকূলে এসে পৌঁছলেন দুই মহাকাশচারী। রবিবার ফ্লোরিডায় এমন টানটান উত্তেজক ঘটনার লাইভ দেখার সাক্ষী রইলেন অনেকে। এই প্রথম বেসরকারি উদ্যোগে কোনও মহাকাশ অভিযান সাফল্যের সঙ্গে উতরে গেল। যার নেপথ্যে ড্রাগন ক্যাপসুল Space X এবং দুই মহাকাশচারী – ডগ হার্লে, বব বেনকেন। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (International Space Station) বেশ কয়েক মাস কাটিয়ে তাঁরা নিরাপদে ফিরে এলেন পৃথিবীতে।

Space X’এর এই সাফল্য আরও নানা কারণে উল্লেখযোগ্য হয়ে রইল। বলা হচ্ছে, যে পদ্ধতি ভূপৃষ্ঠে অবতরণ করল এই ড্রাগন ক্যাপসুল অর্থাৎ মাটিতে নয়, জলে অবতরণ, তা একটা রেকর্ড বটে। ৪৫ বছর আগে চন্দ্রযান অ্যাপোলোর (Apollo) একটি ক্যাপসুল এভাবে সমুদ্রে নেমেছিল। সাড়ে চার দশক পর সেই স্মৃতি ফিরিয়ে আনল Space X’এর সফল অবতরণ। আর সেই বিরল ঘটনার সাক্ষী থাকার জন্যই মহাকাশযানের ফেরার যাত্রা লাইভে দেখানোর ব্যবস্থা হয়। জানা গিয়েছে, মেক্সিকো উপকূলে আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল একটি বোট। মহাকাশচারী ডগ হার্লে এবং বব বেনকেনের প্যারাশুট জলস্পর্শ করতেই তাঁদের সঙ্গে সঙ্গে বোটে তুলে নেওয়া হয়। ফলে একেবারে ঝুঁকিহীনভাবেই তাঁরা পৌঁছে যান উপকূলে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ল্যান্ডার বিক্রম ভেঙে পড়লেও অক্ষত রোভার প্রজ্ঞান, চলেও ছিল কিছু দূর, হদিশ দিলেন চেন্নাইয়ের টেকি]

তবে ঝুঁকিও ছিল Space X’এর ল্যান্ডিংয়ে। নাসার বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা ছিল, বড় বিপদ ঘটতে পারে। ডিরেক্টর জিম ব্রিডেনস্টাইনের কথায়, “কোনও মহাকাশযান এভাবে অবতরণের সময়ে যেটা সাধারণত ঘটে, তা হল পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের পর প্রচুর পরিমাণ নাইট্রোজেন টেট্রক্সাইড (Nitrogen Tetroxide) তৈরি হয়, যা মহাকাশচারীদের পক্ষে ক্ষতিকর। এক্ষেত্রেও তেমনটা ঘটতে পারত, আমরা সেই আশঙ্কায় ছিলাম। যদিও এ বিষয়ে মহাকাশচারীদের সাবধান করে দেওয়া হয়েছিল। আর তাতেই ওঁরা ঠিক সময়মতো প্যারাশুট নিয়ে Space X থেকে পৃথক হয়ে গিয়েছিলেন। ফলে বিপদ হয়নি।”

[আরও পড়ুন: লক্ষ্য মহাকাশে অফুরান শক্তির জোগান, চাঁদে পারমাণবিক চুল্লি বসাতে চায় আমেরিকা]

ডগ হার্লে আর বব বেনকেন অবশ্য ফিরে বেজায় খুশি। মহাশূন্যে ভেসে থাকার পর ফের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে বলছেন, দারুণ লাগছে, সাফল্যের সঙ্গে এই মিশন সম্পূর্ণ করতে পারা সম্মানের ব্যাপার। তাঁদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.