৫ আশ্বিন  ১৪২৬  সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হিমালয় পর্বতমালার অন্নপূর্ণা রেঞ্জের লেক তিলিচো৷ এতদিন এটাই বিশ্বের সর্বোচ্চ হ্রদের শিরোপা মাথায় পরে ছিল৷ নেপাল ভূখণ্ডে ৮৯১৯ মিটার উঁচুতে অবস্থিত এই হ্রদ৷ কিন্তু এবার সেই মুকুট হারাতে চলেছে সে৷

[আরও পড়ুন: পরিবেশ রক্ষায় নজর মোদির, গান্ধী জয়ন্তীতে সূচনা হবে প্লাস্টিক বিরোধী কমর্সূচির]

মাস খানেক আগেই হিমালয়ে ট্রেকিংয়ে গিয়ে নেপালের মানাংয়ের কাছে একখণ্ড জলরাশি চোখে পড়ে পর্বতারোহীদের৷ তখন তাঁরা প্রায় ৫০০০ মিটার উপরে৷ তাঁরা বুঝতে পারেন, ওটি আসলে একটি লেক, বরফঘেরা এলাকার মাঝে স্বচ্ছ সবুজাভ নীল জল৷ নাম কাজিন সারা৷ খুব ছোট লেকও নয়৷ পর্বতারোহীর দল মাপজোকও করেন৷ তাঁরাই ট্রেকিং শেষে সমতলে নেমে চেম এলাকার প্রশাসনকে একটি রিপোর্ট জমা দেন৷ প্রশাসনক কর্তা লোকেন্দ্র ঘালে জানিয়েছেন, ‘কাজিন সারা লেকটি মোটামুটি ১৫০০ মিটার দীর্ঘ, ৬০০ মিটার চওড়া৷ ৫২০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত৷ এবং সম্ভবত এটিই বিশ্বের সর্বোচ্চ হ্রদ৷’

এতদিন এই নেপালের মানাংয়েরই তিলিচো লেক ছিল বিশ্বের উচ্চতম হ্রদ৷ নেপালের পরিবেশ দপ্তরের সূত্র অনুযায়ী, ৪৯১৯ মিটার উঁচুতে অবস্থিত হ্রদটি ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ, প্রায় দেড় কিলোমিটার চওড়া এবং ২০০ মিটার গভীর৷ এত উঁচুঁতে থাকার কারণেই এই হ্রদের জলে কোনও জীবের অস্তিত্ব নেই৷ তবে এই লেক ঘিরে আশেপাশে বেশ কিছু কল্পকাহিনিও শোনা যায়৷ বলা হয়, রামায়ণের কাকভুষুণ্ডির জলাশয়ই ২০০০ সালে আবিষ্কৃত হওয়া এই লেক তিলিচো৷ তাই হিন্দুরাষ্ট্র নেপালে এই হ্রদ খুব পবিত্র বলে ধরা হয়৷ কঠিন রাস্তা পেরিয়ে লেকে গিয়ে অনেকেই পুজো দেন৷

[আরও পড়ুন: পৃথিবীর বন্ধন থেকে স্বাধীন, বিরাট লাফে চাঁদের কক্ষপথমুখী চন্দ্রযান-২]

তবে নব আবিষ্কৃত কাজিন সারা লেক নিয়ে আরও বিস্তারিত গবেষণার পরই বোঝা যাবে, লেক তিলিচোর কৌলিন্য ম্লান হয়ে গেল কি না৷ উচ্চতার নিরিখে কে কাকে হারিয়ে দিল, সেটাও দেখা যাবে৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং