BREAKING NEWS

২৩ শ্রাবণ  ১৪২৭  শনিবার ৮ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

কবে, কোথায় ভূমিকম্প? অঙ্কের পথ ধরে আগাম সতর্কবার্তা দেওয়ার চেষ্টায় বিজ্ঞানী মহল

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: July 13, 2020 5:46 pm|    Updated: July 13, 2020 5:48 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাঝেমধ্যেই কেঁপে উঠছে ধরিত্রী।কম্পনপ্রবণ জাপান থেকে ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত, প্রায়ই অনুভূত হচ্ছে ভূমিকম্প। এও আবহাওয়া পরিবর্তনের এক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ। ঝড়বৃষ্টি, সাইক্লোনের মতো প্রকৃতির রোষের পূর্বাভাস পাওয়া গেলেও, ভূমিকম্পের জন্য সুনির্দিষ্ট কোনও আগাম সতর্কবার্তা কিন্তু আজও দিতে পারে না আবহাওয়া অফিস। এর হদিশ দিতে এবার নতুন পদ্ধতির খোঁজে বিজ্ঞানীরা। ব্রিটিশ জিওলজিক্যাল সার্ভে এবং হ্যারিয়ট-ওয়াট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূবিজ্ঞানীরা যৌথভাবে এই কাজ করছেন স্রেফ অঙ্কের উপর ভিত্তি করে। যাতে নির্দিষ্ট জায়গায় ভূমিকম্পের আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া যায়।

ল্যাবরেটরিতে যন্ত্রপাতি নিয়ে পরীক্ষা, পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত টানা নয়। ভূমিকম্পের আগাম সতর্কবার্তা দেবে স্রেফ অঙ্কের ফলাফল। অঙ্ক কষেই বোঝা যাবে, কোথায় কখন কম্পন হতে পারে। ভূবিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, আগে ভূমিকম্পে মাটির নিচে চিড় ধরা পাথরই তাঁদের দিশা দেখাবে।

[আরও পড়ুন: গনগনে লাল নয়, আগ্নেয়গিরির গহ্বর থেকে বিদ্যুৎনীল লাভা! ভয়ংকর সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ নেটিজেনরা]

ফাইলোসিলিকেটস (Phyllosilicate) অর্থাৎ সিলিকনের পাতলা প্লেট, যা তৈরি হয় কম্পনের পর ভূগর্ভের একাধিক পরিবর্তনের ফলে। তাঁদের ব্যাখ্যা, খুব পাতলা সিলিকন প্লেটের অতি ধীরগতিতে চলনের ফলে কম্পন হয়। তাই কম্পনে সেই স্তরের চিড় কতটা, তার উপর নির্ভর করে অঙ্ক এগোবে। ভূবিজ্ঞানী ডক্টর ডেন হারটগের কথায়, “মাইক্রোস্কপিক স্তরে সেই চ্যুতি দেখে আমরা একটা প্রাথমিক সমীকরণ তৈরি করব। এবার সেই সিলিকন প্লেটের চলনের সঙ্গে সমীকরণ কীভাবে বদলায়, তার ভিত্তিতে কম্পনের স্থান বোঝা যাবে।” ওই স্থানে ফের কম্পনের আশঙ্কা আছে কি না, অথবা অন্য কোথায়, কবে ভূমিকম্প হতে পারে তার আঁচ পাওয়া যাবে। তবে এই অঙ্ক শুধুই সম্ভাবনার (Probablity) কথা জানাবে।

[আরও পড়ুন: দেশে বাড়ছে বাঘের সংখ্যা, রেকর্ড গড়ে গিনেস বুকে নাম তুলল ব্যাঘ্রশুমারি]

মাস কয়েক আগে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডের্ন ভূমিকম্পের আগাম খবর পাওয়ার জন্য এধরনের একটি ধারণা দিয়েছিলেন। তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, নিউজিল্যান্ডের বিজ্ঞানীরা আগের কম্পনস্থলের খুঁটিনাটি দেখে পরবর্তী বিপদ সংকেত দেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন বিজ্ঞানীরা। সেই ধারণার বশবর্তী হয়েই এই গবেষণার কাজে হাত দিচ্ছেন ব্রিটিশ ভূতাত্বিকরা। এ পর্যন্ত হওয়া কাজ প্রকাশিত হয়েছে ‘জার্নাল অফ জিওফিজিক্যাল রিসার্চ: সলিড আর্থ’এ। তাহলে কি নতুন অঙ্ক সত্যিই ভূমিকম্পের আগাম বিপদ সংকেত দেবে? উত্তর পেতে আরও অনেকটা সময়ের অপেক্ষা।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement