২২ আষাঢ়  ১৪২৭  মঙ্গলবার ৭ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

ঐতিহাসিক! নাসার দুই নভোশ্চরকে নিয়ে মহাকাশে যাত্রা করল SpaceX রকেট

Published by: Sucheta Chakrabarty |    Posted: May 31, 2020 9:15 am|    Updated: May 31, 2020 3:33 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শনিবার রাতে ঘড়ির কাটায় নির্দিষ্ট সময় মেনে মহাকাশে পাড়ি দিল স্পেস-এক্স রকেট। নাসার দুই প্রবীণ নভোশ্চরকে নিয়ে মহাকাশের আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের দিকে রওনা দেয় রকেটটি। স্পেসএক্সের এই যাত্রাকে যুগের ঐতিহাসিক যাত্রা বলেই আখ্যা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

ঠিক রাত একটা বেজে ১মিনিট। ৩৯-এ লঞ্চপ্যাড থেকে ফ্যালকন ৯ রকেটের উৎক্ষেপণ হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। ৪৮ বছরের অ্যাস্ট্রো-বেনকেন ও ৫৩ বছরের অ্যাস্ট্রো-হার্লেকে নিয়ে মহাকাশের আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের দিকে রওনা দেয় ফ্যালকন রকেট। মহাকাশে রওনা হওয়ার মাত্র ৬ মিনিটের মাথায় ফ্যালকন ৯ রকেট থেকে আলাদা হয়ে বেরিয়ে যায় ড্রাগন ক্যাপসুল। গতি বাড়িয়ে এখন তা এগিয়ে যাচ্ছে পৃথিবীর কক্ষপথের দিকে। প্রতি ঘণ্টায় ১৭ হাজার মাইল বেগে এই ড্রাগন ক্যাপসুল পাড়ি দেবে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের দিকে। পৌঁছতে সময় লাগতে পারে ১৯ ঘণ্টা। স্পেস এক্সের এই মহাকাশ যাত্রাকে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। কারণ, অন্য দেশের সাহায্য ছাড়াই এই মার্কিন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা স্পেসএক্স (SpaceX) গোটা মিশনের উদ্যোগ ও পরিকল্পনা তৈরি করে। তবে এই উদ্যোগে স্পেসএক্সের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে নাসা (NASA)।

[আরও পড়ুন:সিনেমা থেকে সোজা বাস্তবে X-Men’এর চরিত্র! মার্কিন মুলুকে দেখা মিলল Wolverine-এর]

নাসার প্রধান জিম ব্রিডেনস্টাইন জানিয়েছে, “প্রথমবার কোনও বেসরকারি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা মিশনের এত বড় উদ্যোগ নিয়েছে। দেশের জন্য এটা গর্বের মুহূর্ত। ঠিক সময় স্পেসক্রাফ্ট যাত্রা শুরু করলে বেনকেন ও হার্লের আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে পৌঁছতে সময় লাগবে ১৯ ঘণ্টার মতো। প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছে ২১০ দিন তাঁরা কাটাতে পারবেন স্পেস স্টেশনে। নভোশ্চররা স্পেস স্টেশনে পা রাখার পরেই পরবর্তী পরিকল্পনা ঠিক হবে। এখনই কিছু নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।” জানা যায়, ঐতিহাসিক মহাকাশ যাত্রা নাম দেওয়া হয়েছে ‘ডেমো ২’। এটা ডেমোনস্ট্রেশন মিশন, যা প্রমাণ করবে স্পেসএক্স শুধু স্পেসক্রাফ্ট বানাতেই দক্ষ নয়। নিরাপদে মহাকাশে নভোশ্চরদের নিয়ে যেতেও সক্ষম। এই ক্রু ড্রাগন ক্যাপসুলের মধ্যেই দুই নভোশ্চর থাকবেন। সেভাবেই এই ক্যাপসুলের নকশা বানানো হয়। দীর্ঘ সময় ব্যয়ে মহাকাশ যাত্রার জন্য এমন স্পেস-ক্যারিয়ার বানানো হয়েছে।

[আরও পড়ুন:টিকা আবিষ্কার হলেও করোনা থাকবে, উদ্বেগ বাড়িয়ে জানালেন বিশেষজ্ঞরা]

প্রথমবার ২০০৮ সালে পৃথিবীর কক্ষে ফ্যালকন-১ রকেট পাঠিয়েছিল স্পেসএক্স। সেটাই ছিল প্রথম মহাকাশ মিশন। ২০১০ সালে পরীক্ষামূলকভাবে ড্রাগন স্পেসক্রাফ্ট মহাকাশে পাঠিয়েছিল এই সংস্থা। এরপরে ২০১৫, ২০১৭ সালে ফ্যালকন-৯ রকেট পাক খেয়েছে পৃথিবীর কক্ষে। ২০১১ সালে প্রথমবার আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে ড্রাগন স্পেসক্রাফ্ট নামে। তারপর থেকে দীর্ঘ সময়ের বিরতি। ৯ বছর পরে নাসার সঙ্গে হাত মিলিয়ে ফের আইএসএস-এ নভোশ্চর পাঠানোর প্রস্তুতি নেয় স্পেসএক্স।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement