১২ ফাল্গুন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

সচেতনতা বাড়াতে সুন্দরবন নিয়ে পাঠ্যক্রম চালুর আরজি পরিবেশপ্রেমীদের

Published by: Paramita Paul |    Posted: January 24, 2021 6:31 pm|    Updated: January 27, 2021 12:55 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত-বাংলাদেশের অনন্য প্রাকৃতিক সম্পদ সুন্দরবন (Sundarban)। অথচ সেখানকার পরিবেশরক্ষা নিয়ে মাথাব্যথা নেই কারোর। তাই এবার সেখানকার পরিবেশ বাঁচাতে এক অভিনব উদ্যোগ নিয়েছেন জনা কয়েক পরিবেশপ্রেমী তথা প্রত্ন গবেষক। সুন্দরবন সংক্রান্ত পাঠ্যক্রম চালু করতে চান তাঁরা। তৈরি করেছেন সংগ্রহশালাও।

প্রত্ন গবেষক দীনবন্ধু নস্কর ও তাঁর সহযোদ্ধারা বহুদিন ধরেই সুন্দরবনকে নিয়ে নিরন্তর কাজ করে চলেছেন। সেরকমই আরেক জন মানুষবীজেন্দ্র বৈদ্য। আগামী প্রজন্মের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে এবার ম্যানগ্রোভের পরিবেশ নিয়ে পাঠ্যক্রম শুরু করতে চান তিনি। শুধুমাত্র দেশে নয় বিদেশেও সুন্দরবনলজি পড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে এই উদ্দেশ্যে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও গঠন করেছেন। নাম রেখেছেন শতমুখী পরিবেশ কল্যাণ কেন্দ্র। শান্তিনিকেতনের পাঠশালার মতো বাচ্চাদের নিয়ে গাছের নিচে পড়ান শিক্ষকরা। সেখানে সুন্দরবনের ইতিহাস নিয়ে নিয়মিত আলোচনা করা হয়।

[আরও পড়ুন : আন্টার্কটিকায় মাইলের পর মাইল জুড়ে রহস্যময় দাগ! ঘনিয়ে উঠছে রহস্য]

বহু বছর আগে দীনবন্ধু নস্কর কাশিনগরের খাড়ি ছত্রভোগ সংগ্রহশালা গড়ে তুলেছিলেন নিজের হাতে। সুন্দরবনের বহু প্রাচীন ঐতিহাসিক জিনিসপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। সুন্দরবনের গন্ডারের মাথার খুলি-দাঁত-চোয়াল রাখা রয়েছে এই সংগ্রহশালায়। বর্তমানে তার দেখভাল করেন সংগ্রহশালার সভাপতকি পঙ্কজ নস্কর এবং সহ-সম্পাদক বীজেন্দ্রবাবু। সুন্দরবনের এই ঐতিহাসিক সংগ্রহশালাকে বাঁচানোর জন্য সরকারের কাছে আবেদনও করেছেন তাঁরা। তবে সরকারের তরফে এখনও কোনও সাড়া মেলেনি। 

পাঁচের দশকে সুন্দরবনকে বাঁচাতে ইন্দিরা গান্ধীর নজর টানতে তিনজন পায়ে হেঁটে পাড়ি দেন দিল্লি। ইন্দিরা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু আদতে কিছুই হয়নি। অগত্যা নিজের সাধ্যমতো উদ্যোগ নিয়েছেন স্থানীয় পরিবেশপ্রেমীরা। সংগ্রহশালা তৈরি করতে সর্বস্ব হারিয়েছেন দীনবন্ধু নস্কর।

[আরও পড়ুন : ৬৫ মাইল দুর্গম পথ পেরিয়ে প্রেমিকের দেখা! শিহরিত করে ৯০ হাজার বছরের প্রাচীন প্রেমকথা]

 এদিকে বীজেন্দ্রবাবু হলদিয়ায় এক বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। তবে সুন্দরবনের প্রতি তাঁর ভালবাসা সেই ছেলেবেলার। নয়ের দশকে নিজের পিঠে জঞ্জাল পরিষ্কার করা হয় লিখে বাজারে-বাজারে ঘুরতেন। পশুদের জন্য কবরস্থান তৈরি করেছেন। ১৭ সেপ্টেম্বরকে সুন্দরবন যুব দিবস হিসেবে ঘোষণার আরজিও জানিয়েছেন তিনি।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement