মহাশূন্য যেন মণিমুক্তোর সম্ভার! কখন কী ঘটে যায়, তা কল্পনারও অতীত। ঠিক তেমনই মহাকাশের সৌন্দর্যও সুপ্ত। কীভাবে গ্রহ-নক্ষত্র-ছায়াপথ-ধূমকেতুদের পারস্পরিক গতিবিধি, সহাবস্থান কোন বিরল আর অনির্বচনীয় দৃশ্যের জন্ম দেয়, জানা সম্ভব নয়। একমাত্র যদি অতি শক্তিশালী কোনও ক্যামেরার লেন্স নিরন্তর মহাকাশের দিকে চোখ রেখে থাকে, তবেই সেসব বিরল ছবি ধরা পড়তে পারে। আর সেটাই হয়ে ওঠে সবচেয়ে দামি, মনোমুগ্ধকর ছবি। যেমনটা দেখা গেল সম্প্রতি রাতের আকাশে শুক্র গ্রহের উদয়ে অপূর্ব এক চিত্র। ছায়াপথ আর পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ধূসর স্তর ভেদ করে শুকতারার আগমনে হঠাৎই আকাশ হয়ে উঠল আলোকময়! নাসার এক নভশ্চরের ক্যামেরায় ধরা পড়া সেই ছবি এখন ভাইরাল নেটদুনিয়ায়। মুগ্ধ মহাকাশপ্রেমীদের প্রশংসনীয় মন্তব্যের বন্যা সোশাল মিডিয়ায়।
সম্প্রতি নিজের এক্স হ্যান্ডলে এমনই অদৃষ্ট এক ছবি পোস্ট করেছেন ডন পেটিট। তাতে দেখা যাচ্ছে, আকাশে লালচে সবুজ ছটা। তার উপরে ঘন কালো আঁধারে ফুটে থাকা তারা। ছবির বর্ণনায় ডন লিখেছেন, ‘পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ধূসর লালচে স্তর ভেদ করে ছায়াপথকে ঘিরে শুক্রের উদয়! বায়ুমণ্ডলের সর্বোচ্চ স্তরে বিদ্যুৎপ্রবাহের আলোর সঙ্গে তা মিলেমিশে এমন বিরল ছবি ধরা পড়ল। মনে হচ্ছে, মহাশূন্যের অগণিত তারার মাঝে পৃথিবী ও শুক্র – দুই গ্রহের পৃথক জগৎ ঝলমল করছে।’
আরও পড়ুন:
নাসার নভশ্চর ডন পেটিট মহাকাশপ্রেমী তো বটেই, আলোকচিত্রী হিসেবেও তাঁর কাজকর্ম বেশ তারিফযোগ্য। যদিও ডনের বিষয়বস্তু শুধুই মহাকাশ। বিশাল শূন্যতার মাঝেই তাঁর ক্যামেরার লেন্স খুঁজে বেড়ায় ব্যতিক্রমী সব ছবি, যা টেলিস্কোপেও হয়ত স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে না। এর জন্য ডনের অত্যন্ত শক্তিশালী ক্যামেরা আছে। তাতে মাঝেমধ্যে ধরা পড়ে আকাশের আলোকিত সব চিত্র, যা বিরল। দিন কয়েক আগেই বেগুনি ছটাময় আকাশের ছবি নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন নভশ্চর ডন। আর এবার তাঁর ক্যামেরার মাধ্যমে গোটা বিশ্ব দেখল আকাশগঙ্গা ছায়াপথে পৃথিবী, শুক্রের সহাবস্থানে কেমন আলোকময় পরিবেশ তৈরি হয়।
Milky Way galaxy with a bright planet Venus rising through the hazy red airglow of Earth’s atmosphere, above scattered purple lightning flashes. Two stormy worlds shining among endless stars! pic.twitter.com/ES6S8lqCFX
— Don Pettit (@astro_Pettit) September 18, 2026
সম্প্রতি নিজের এক্স হ্যান্ডলে এমনই অদৃষ্ট এক ছবি পোস্ট করেছেন ডন পেটিট। তাতে দেখা যাচ্ছে, আকাশে লালচে সবুজ ছটা। তার উপরে ঘন কালো আঁধারে ফুটে থাকা তারা। ছবির বর্ণনায় ডন লিখেছেন, ‘পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ধূসর লালচে স্তর ভেদ করে ছায়াপথকে ঘিরে শুক্রের উদয়! বায়ুমণ্ডলের সর্বোচ্চ স্তরে বিদ্যুৎপ্রবাহের আলোর সঙ্গে তা মিলেমিশে এমন বিরল ছবি ধরা পড়ল। মনে হচ্ছে, মহাশূন্যের অগণিত তারার মাঝে পৃথিবী ও শুক্র – দুই গ্রহের পৃথক জগৎ ঝলমল করছে।’ এই ছবি দেখে আপ্লুত মহাকাশপ্রেমীরা। ডনের পোস্টে কেউ লিখছেন, ‘শুক্র, ছায়াপথ আর বিদ্যুৎপ্রবাহ মিলেমিশে এই একটা ফ্রেম অসাধারণ!’ কারও মন্তব্য, ‘অপূর্ব! এ জগতের বাইরের কোনও দৃশ্য মনে হচ্ছে।’ কেউ কেউ ডনের অপূর্ব ফটোগ্রাফির প্রশংসা করেছেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
জমি, সম্পত্তি লিখিয়ে বাবাকেই চড়-লাথি! শ্বশুরবাড়িতে রেখে খেতে না দিয়ে নৃশংস ‘অত্যাচার’ মেয়ের
-
‘ভাঁড়ের দল, থার্ড ক্লাস’, ভরা মঞ্চে মোদিকে নিয়ে রসিকতা করায় রাহুলকে তুলোধোনা বিজেপির
-
করম পরবে ‘কল্পতরু’ মুখ্যমন্ত্রী! পুরুলিয়া থেকে কুড়মালি ভাষা নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
মা-বাবার সুরক্ষার স্বার্থে পরিবারে নতুন সদস্য, কত লাখি গাড়ি উপহার দেবের?
-
বয়সকালে হাড় ভাঙার ঝুঁকি কতটা? কলকাতা মেডিক্যালে জানা যাবে বিনামূল্যেই