Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Largest Snake

আমাজনে মারা গেল বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাপ, অ্যানাকোন্ডার মৃত্যু ঘিরে ঘনাচ্ছে রহস্য

কয়েক সপ্তাহ আগেই খোঁজ মিলেছিল বিরল প্রজাতির সাপটির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৮, ২০২৪, ১৮:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৮, ২০২৪, ১৮:৫৫

options
link
আমাজনে মারা গেল বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাপ, অ্যানাকোন্ডার মৃত্যু ঘিরে ঘনাচ্ছে রহস্য zoom
বিশ্বের দীর্ঘতম সাপ অ্যানা জুলিয়া

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মারা গেল বিশ্বের দীর্ঘতম সাপ অ্যানা জুলিয়া। আমাজনের (Amazon) জঙ্গলে তার দেহটি উদ্ধার হয়েছে। কয়েক সপ্তাহ আগেই বিজ্ঞানীদের এক দল সন্ধান পেয়েছিল এই মুহূর্তে পৃথিবীতে বেঁচে থাকা সবচেয়ে বড় প্রজাতির সাপের। এই নয়া প্রজাতির সবুজ অ্যানাকোন্ডাকে ঘিরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু এবার জানা গেল তার মৃত্যুর খবর।

দক্ষিণ ব্রাজিলের এক গ্রাম্য অঞ্চলে ২৬ ফুট দীর্ঘ ও প্রায় ২০০ কেজি ওজনের সাপটির সন্ধান মিলেছিল। একটি চ্যানেলের জন্য কাজ করছিলেন ওই বিজ্ঞানীরা। কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক দলটি আচমকাই অ্যানাকে খুঁজে পায়। এবার তার মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া বিজ্ঞানী মহলে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: পাহাড়ে শক্তিবৃদ্ধি ইন্ডিয়া জোটের, ভূমিপুত্রদের ‘অধিকার নিশ্চিত’ করতে ‘হাত’ ধরলেন অজয় এডওয়ার্ড]

কিন্তু কীভাবে মারা গেল অ্যানা জুলিয়া? শোনা যাচ্ছে, গুলি করে নাকি হত্যা করা হয়েছে অতিকায় এই প্রাণীকে। কিন্তু অ্যানার আবিষ্কর্তাদের অন্যতম এক গবেষক এই দাবিকে উড়িয়ে দিয়ে জানাচ্ছেন, এখনও অ্যানার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যায়নি। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দেখা হচ্ছে সম্ভাব্য সমস্ত কারণ। কিন্তু যেহেতু অ্যানার স্বাস্থ্য খুব ভালো ছিল এবং বয়সের হিসেবেও সে একেবারেই তরুণ, তাই তার মৃত্যু অপ্রাকৃতিক কোনও কারণে হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে গুঞ্জন। পাশাপাশি পরিবেশবিদরা জানাচ্ছেন, বিরল প্রজাতির ওই অ্যানাকোন্ডার (Anaconda) মৃত্যু আমাজনের জীববৈচিত্রেও বড় ধাক্কা। প্রসঙ্গত, এই সাপগুলি বিষধর নয়।

‘ডাইভার্সিটি’ নামের এক জার্নালের সূত্রে জানা যাচ্ছে, সবুজ অ্যানাকোন্ডার এই প্রজাতি ১ কোটি বছর আগেও এখানে ছিল। তবে বর্তমান প্রজাতিটির সঙ্গে তাদের ফারাক প্রায় ৫.৫ শতাংশ। এখনও ওই প্রজাতির সাপ থাকতে পারে আমাজনে। স্থানীয় উপজাতির দাবি, ৫০০ কেজি ওজনের অতিকায় অ্যানাকোন্ডাও ওই অঞ্চলে থাকতে পারে। উল্লেখ্য, অ্যানার খোঁজ যেসময় মিলেছিল সেই সময় এমনই দীর্ঘ ও ভারী সাপের দেখা পেয়েছিলেন গবেষকরা। কিন্তু অ্যানাই ছিল সবচেয়ে অতিকায়।

[আরও পড়ুন: যুদ্ধের আবহে দিল্লিতে ইউক্রেনের বিদেশমন্ত্রী, কোন মন্ত্রে ভারসাম্য বজায় রাখবে ভারত?]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.