Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

অ্যাথলেটিক্সে ইতিহাস, প্রথম ভারতীয় হিসাবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা হিমা দাসের

অসমের সোনার মেয়ের কীর্তিতে গর্বিত গোটা দেশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০১৮, ১১:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০১৮, ১১:০৯

options
link
অ্যাথলেটিক্সে ইতিহাস, প্রথম ভারতীয় হিসাবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা হিমা দাসের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কমনওয়েলথ গেমসে নয়া ইতিহাস তৈরি করলেন অসমের সোনার মেয়ে হিমা দাস। প্রথম ভারতীয় হিসেবে আন্তর্জাতিক দৌঁড় প্রতিযোগিতায় সোনা জেতার অনন্য নজির গড়লেন হিমা। ফিনল্যান্ডের ট্যাম্পারে অনুর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে ৪০০ মিটার দৌঁড়ে সোনা জিতলেন অসমের মেয়ে । মাত্র ৫১.৪৬ সেকেন্ডে ৪০০ মিটার প্রতিযোগিতা শেষ করেন হিমা।

[কুলদীপ-রোহিত যুগলবন্দিতে ধরাশায়ী ইংল্যান্ড, সিরিজ শুরুতেই জাত চেনাল ভারত]

ফিনল্যান্ডে বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নামার আগেই অবশ্য স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল কোনও না কোনও পদক জিতেই ফিরবেন হিমা। কারণ বাছাই পর্বে রেকর্ড টাইমিং-এ দৌঁড় শেষ করেন বছর আঠারোর তরুণী। সেমিফাইনালেও রেকর্ড সময়ে দৌঁড় শেষ করেছিলেন তিনি। তবে, ফাইনালে আমেরিকা, জামাইকার মতো দেশের সেরা সেরা স্প্রিন্টাররা ছিলেন, তাই লড়াইটা কঠিন ছিল হিমার জন্য। দৌঁড়ের শুরুটা খুব একটা ভালও করতে পারেননি তিনি। কিন্তু শেষ ৮০ মিটারে স্বপ্নের দৌঁড় তাঁকে সোনার পদক এনে দিল। ওই ৮০ মিটারের মধ্যেই তিনজন প্রতিদ্বন্দ্বীকে টপকে যান হিমা। তাঁর দৌঁড় শেষ হয় ৫১.৪৬ সেকেন্ডে।

Advertisement

[শুধু সুন্দরীদের না দেখিয়ে খেলা দেখাও, সম্প্রচারকারী সংস্থাকে হুঁশিয়ারি ফিফার]

অনুর্ধ্ব-২০ প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জেতার সঙ্গে সঙ্গেই প্রথম ভারতীয় হিসেবে কোনও আন্তর্জাতিক দৌঁড় প্রতিযোগিতায় সোনা জেতার অনন্য নজির গড়ে ফেললেন অসমের অখ্যাত গ্রামের অষ্টাদশী। এর আগে অনুর্ধ্ব-২০ অ্যাথলেটিক প্রতিযোগিতায় ভারতীয় হিসেবে পদক জেতার নজির রয়েছে মাত্র তিনজনের। তারা হলেন সীমা পুনিয়া (ব্রোঞ্জ, ডিসকাস), নভজিত কৌর ধীলোঁ ( ব্রোঞ্জ, ডিসকাস), নীরজ চোপড়া (সোনা, জ্যাভলিন)

[জানেন, বিশ্বকাপ জিতলে কত টাকা পাবে চ্যাম্পিয়ন দল?]

পেশাদার সার্কিটে দৌঁড় শুরু করেছেন ১৮ মাস আগে। বছর দেড়েক আগেও আন্তর্জাতিক সার্কিটে এত সাফল্যের কথা ভাবতে পারতেন না হিমা। বাবা সামান্য ধানচাষি। ছোটবেলায় চাষের কাজে বাবাকে সাহায্যও করতেন অসমের নগাঁও জেলার অখ্যাত ঢিঙা গ্রামের হিমা। ছোটবেলায় খেলাধুলো শুরু করেন ফুটবল দিয়ে। স্থানীয় ছেলেদের সাথেই ফুটবল খেলত সে। ফুটবল খেলতে খেলতেই স্থানীয় এক অ্যাথলেটিক কোচের নজরে পড়েন হিমা। জেলাস্তরের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার সময় জেলা ক্রীড়া আধিকারিক নিপন দাসের চোখে পড়েন হিমা। এরপর তাঁর কোচিংয়ের দায়িত্ব নেন নিপন। একের পর এক সাফল্য পেতে থাকেন হিমা। স্বাভাবিকভাবেই চরম দারিদ্র্যের মধ্যে থেকে উঠে আসা হিমা আন্তর্জাতিক সার্কিটে প্রথম বড় সাফল্য পেয়ে উচ্ছ্বসিত। সোনা জয়ের পর তাঁর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া, “আমি এই জয় উপভোগ করছি।” হিমার এই জয় উপভোগ করছে গোটা দেশও। তাঁকে টুইট করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও টুইটে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন হিমা দাসকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.