Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Sayani Das

নতুন প্রণালী জয়ের পথে বাধা! মিলছে না স্পনসর আক্ষেপ সায়নীর

দেশের সাঁতারুদের জন্য সেই ভাবে স্পনসরশিপ না থাকায় আক্ষেপ সায়নীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০২৪, ১৭:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০২৪, ১৭:১৬

options
link
নতুন প্রণালী জয়ের পথে বাধা! মিলছে না স্পনসর আক্ষেপ সায়নীর zoom
সায়নী দাস।

অভিষেক চৌধুরী, কালনা: নতুন এক রেকর্ডের হাতছানি সায়নী দাসের (Sayani Das) সামনে। আর একটি চ্যানেল জিতলেই এশিয়া (Asia) মহাদেশের সবথেকে বেশি চ্যানেল জয়ের মুকুট উঠবে তাঁর মাথায়। কিন্তু সেই রেকর্ড গড়ার আগে স্পনসরশিপ (Sponsorship) নিয়ে দারুণ চিন্তায় সায়নী। নিজের দক্ষতায় চ্যানেল তো না হয় অতিক্রম করে যাবেন। কিন্তু স্পনসরশিপ নিয়ে সমস্যা দূর হবে কী করে! 
কিছুদিন আগে নিউজিল্যান্ডের (New Zealand) কুক প্রণালী জয় করেছেন কালনার সাঁতারু। আর একটি চ্যানেল জয় করলেই তাঁর মুকুটে যোগ হবে নতুন  পালক। এশিয়া মহাদেশের মধ্যে সবথেকে বেশি চ্যানেল জয়ের মালকিন হবেন তিনিই। এরকম এক পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে সায়নী শুধু নিজের কথাই বলছেন না, বরং দেশের অন্যান্য সাঁতারুদের সমস্যার দিকটাও তুলে ধরছেন। সায়নী বলেছেন, ”এইসব চ্যানেল জয় করতে গিয়ে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়। খুব বেশি স্পনসর পাই না। যেটুকু পাই তা দিয়ে বাইরে গিয়ে ১০-১৫ দিন অনুশীল করা যায়। “

কালনা (Kalna) শহরের বারুইপাড়ার বাসিন্দা পেশায় প্রাথমিক শিক্ষক রাধেশ্যাম দাস। ছোট মেয়ে সায়নীর ইংলিশ চ্যানেল জয়ের স্বপ্নপূরণ করতে বাড়ি বন্দক রাখতে হয় রাধেশ্যামবাবুকে। ইংলিশ চ্যানেল জয়ের পর পরিস্থিতি কিছুটা বদলায়। তবে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি। দমে না গিয়ে সপ্তসিন্ধু জয়ের চ্যালেঞ্জ নেন সায়নী। ক্যাটালিনা, মার্কিন মুলুকের মলোকাই প্রণালীর পর ২ এপ্রিল নিউজিল্যাণ্ডের কুক প্রণালী জয় করেন তিনি। এর মাঝে অস্ট্রেলিয়ার (Australia) রটনেস্টও জয় করেন সায়নী। আগামী লক্ষ্য হিসাবে আয়ারল্যান্ডের নর্থ চ্যানেলকে বেছে নিয়েছেন তিনি। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: আচমকাই অলিম্পিকে ভারতের বড়সড় দায়িত্ব ছাড়লেন মেরি কম, কেন এই সিদ্ধান্ত?]

নতুন প্রণালী জয়ের খুশি থাকলেও আবেগের জোয়ারে ভেসে যেতে নারাজ এই বঙ্গতনয়া। কিছু দিন পরে সে দেশে যাওয়ার কথা থাকলেও স্পনসর পাননি বলে জানিয়েছেন সায়নী। এবিষয়ে সরকার, কর্পোরেট গ্রুপ ও হাউসগুলি কাছে তাঁর আবেদন, যদি তাঁরা এগিয়ে আসেন তাহলে দেশের সাঁতারুরা আগামিদিনে এই সব বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যেতে পারবেন। সায়নীর কোচ ও বাবা রাধেশ্যাম দাস বলেন, “আমার বন্ধু সুরজিৎ বক্সি, সায়নীর মেন্টর সুশীল কুমার মিশ্র অর্থনৈতিক সাহায্য করেছেন। তার সঙ্গে কিছু ক্লাব,বন্ধুরাও সায়নীর পাশে রয়েছে। তবে খেলোয়াড়দের স্বার্থে সরকার এগিয়ে এলে খুব ভালো হয়।”

[আরও পড়ুন: নিউজিল্যান্ডের কুক প্রণালী জয় বাংলার সায়নীর, উচ্ছ্বাসের ঢেউয়ে ভাসছে কালনা]

এদিকে বৃহস্পতিবার নিউজিল্যান্ড থেকে কালনার বাড়ি ফিরতেই তাঁকে ঘিরে উচ্ছ্বাসে মেতেছেন পরিবার ও  কালনার বাসিন্দারা। বাড়িতে গিয়ে তাকে ফুলের স্তবক,মিষ্টি,দই দিয়ে শুভেচ্ছা জানান রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। মন্ত্রী বলেন, “মফস্বল শহর কালনার মেয়ে সাঁতারু সায়নী আজ বিশ্ববন্দিত। কালনার পুকুরে, গঙ্গায় অনুশীলন করে তাঁর এই বিশ্বজয়ে আমরা গর্বিত।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.