Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
সঞ্জীব চাওলা

‘ক্রিকেট মানেই গড়াপেটা, কোনও ম্যাচ স্বচ্ছভাবে হয় না’, বিস্ফোরক দাবি কুখ্যাত ‘বুকি’র

'ক্রিকেট ম্যাচগুলি ভাল পরিচালক নির্দেশিত ছবির মতো',দাবি তার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১, ২০২০, ১১:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১, ২০২০, ১১:৪৫

options
link
‘ক্রিকেট মানেই গড়াপেটা, কোনও ম্যাচ স্বচ্ছভাবে হয় না’, বিস্ফোরক দাবি কুখ্যাত ‘বুকি’র zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্রিকেট ম্যাচ মানেই গড়াপেটা। কোনও ক্রিকেট ম্যাচই স্বচ্ছভাবে হয় না। সম্প্রতি দিল্লি পুলিশকে দেওয়া এক জবানবন্দিতে এমনটাই দাবি করেছে কুখ্যাত ক্রিকেট বুকি সঞ্জীব চাওলা (Sanjeev Chawla)।

২০০০ সালের ম্যাচ গড়াপেটা কাণ্ডের কথা এখনও অনেক ক্রিকেটপ্রেমীর মনে পড়বে হয়তো। দক্ষিণ আফ্রিকা তথা বিশ্বক্রিকেটকে রীতিমতো আলোড়িত করেছিল তৎকালীন প্রোটিয়া অধিনায়ক হ্যানসি ক্রোনিয়ের (Hansie Cronje) একটি স্বীকারোক্তি। ক্রোনিয়ে স্বীকার করেছিলেন, তিনি বুকিদের পাল্লায় পড়ে ম্যাচ ফিক্স করেছেন। ক্রোনিয়ের সঙ্গে বুকিদের যোগাযোগ করিয়ে দেয় এই সঞ্জীব চাওলা। এছাড়াও চাওলার বিরুদ্ধে একাধিক গড়াপেটার অভিযোগ আছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বোর্ডের অনুমতি ছাড়াই লকডাউনে মাঠে অনুশীলনে নেমে বিপাকে ভারতীয় তারকা ক্রিকেটার]

২০০০ সালের ৭ এপ্রিল হ্যানসি ক্রোনিয়ের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগ দায়ের করে দিল্লি পুলিশ। মাসখানেক পরেই জিজ্ঞাসাবাদে ফিক্সিংয়ের কথা স্বীকার করেন ক্রোনিয়ে। তিনি জানিয়ে দেন, সঞ্জীব চাওলা নামের ওই বুকিই তাঁকে ফিক্সারদের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দিয়েছে। ক্রোনিয়ের স্বীকারোক্তির পর ম্যাচ গড়াপেটার তদন্ত গতি পায়। কিন্তু, বছর দুই পরে এক ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান ঘটনার মূল অভিযুক্ত এবং সাক্ষী ক্রোনিয়ে। ঝিমিয়ে পড়ে ম্যাচ গড়াপেটা তদন্তের গতি। এদিকে, ততদিনে সঞ্জীব চাওলা ভারত ছেড়ে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে ব্রিটেনে। সেখানেই নাগরিকত্ব নিয়ে এতদিন থাকছিল কুখ্যাত এই বুকি। তাঁর বিরুদ্ধে ২০১৩ সালে চার্জশিট পেশ করে দিল্লি পুলিশ। তারপর থেকেই লন্ডনের আদালতে তাঁর প্রত্যর্পণের মামলা চলছিল। ফেব্রুয়ারিতে সেই মামলায় জয়লাভ করে ভারত। তাকে দেশে ফেরানো হয়। কিন্তু মাস তিনেক যেতে না যেতেই সে জামিন পেয়ে যায়।

[আরও পড়ুন: বিয়ের আগেই অন্তঃসত্ত্বা বাগদত্তা, সুখবর শোনালেন হার্দিক পাণ্ডিয়া]

জামিনের আগে দিল্লি পুলিশকে দেওয়া জবানবন্দিতে সঞ্জীব বলেছে, “মানুষ যে ক্রিকেট টিভিতে দেখে, তা আগে থেকেই ‘ফিক্স’ হয়ে থাকে। কোনও ক্রিকেট ম্যাচ স্বচ্ছভাবে খেলা হয় না। এটা অনেকটা ভাল পরিচালকের নির্দেশনায় হওয়া সিনেমার মতো।” সঞ্জীবের দাবি, যারা ক্রিকেট খেলাটাকে নিয়ন্ত্রণ করে তাঁরা অত্যন্ত বিপজ্জনক। এ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বললে তাকে প্রাণে মেরে দেওয়া হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.