Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৩ জুন ২০২৬

স্থায়ী হল না শুরুর ঝড়, ২০০-র ইঙ্গিত দিয়ে ভারত থামল ১৮১ রানে

কোহলি খেললেন ৬০ রানের প্রয়োজনীয় ইনিংস।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২২, ২৩:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২২, ২৩:২৮

options
link
স্থায়ী হল না শুরুর ঝড়, ২০০-র ইঙ্গিত দিয়ে ভারত থামল ১৮১ রানে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হংকংয়ের বিরুদ্ধে বিরাট কোহলি (Virat Kohli) ব্যাট হাতে জ্বলে উঠেছিলেন। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সুপার ফোরের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও ‘কিং কোহলি’ হাফ সেঞ্চুরি করলেন। এমন একটা সময়ে পাকিস্তান বোলারদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালেন তিনি, সেই সময়ে একের পর এক উইকেট হারাচ্ছিল ভারত। কোহলি দলকে নির্ভরতা দিলেন। মূলত তাঁর জন্যই উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলে ভারত  ২০ ওভারে করল ৭ উইকেটে ১৮১ রান। শেষমেশ কোহলি ৬০ রানে রান আউট হন। 

যদিও ভারত (India) শুরু করেছিল দুদ্দাড়িয়ে। যে গতিতে রান তুলছিলেন রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুল তাতে অনায়াসে ২০০ রানে পৌঁছে যেতেই পারত টিম ইন্ডিয়া। কিন্তু মোক্ষম সময়ে পরপর উইকেট হারিয়ে একসময়ে ভারত চাপে পড়ে গিয়েছিল। সেই চাপ সামলে ভারত বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রান করল । এশিয়া কাপে পাকিস্তানের (Pakistan) বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়েই টুর্নামেন্ট শুরু করেছিলের রোহিত-কোহলিরা। সুপার ফোরে রবিবাসরীয় ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে পারদ চড়েছিল মরুশহরে। এদিন টস জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায় পাকিস্তান। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ১৭ মাস পর খুলছে হাওড়া স্টেশনের ফুড প্লাজা, ভারতীয় খাবারের পাশাপাশি মিলবে পিৎজা-বার্গারও]

লোকেশ রাহুল ও রোহিত শর্মা শুরুটা করেছিলেন মারমুখী মেজাজে। পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণে নেই শাহিন শাহ আফ্রিদির মতো বোলার। নাসিম শাহ পাক বোলিং আক্রমণকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। কিন্তু রোহিত শর্মা শুরু থেকেই নির্দয় ছিলেন নাসিমের উপরে।  আরেক ওপেনার লোকেশ রাহুলকেও শুরু থেকেই ছন্দে দেখিয়েছে। ভারতের প্রথম উইকেট যায় ৫৪ রানে। রোহিত শর্মা যে শটে আউট হন, তার দরকারই ছিল না। মাত্র ১৬ বলে ২৮ রান করেন ভারত অধিনায়ক। হ্যারিস রাউফকে মাঠের বাইরে ফেলতে গিয়ে আউট হন। 

রোহিত ফেরার কিছুক্ষণ পরেই লোকেশ রাহুলও ফিরে যান ডাগ আউটে। ২০ বলে ২৮ রান করেন লোকেশ রাহুল। রাহুলেরও শট নির্বাচন ঠিক হয়নি। রোহিত ও রাহুল আরও কিছুক্ষণ ক্রিজে থাকলে ভারতকে আরও শক্ত ভিতের উপরে দাঁড় করাতে পারতেন। ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটে সূর্যকুমার যাদবকে ক্রাইসিস ম্যান বলা হয়। যে কোনও সময় ম্যাচের রং বদলাতে পারেন তিনি। এদিন মাত্র ১৩ রান করেন সূর্যকুমার। মহম্মদ নওয়াজের শিকার তিনি। ঋষভ পন্থও (১৪) ভুল শট নির্বাচন করে উইকেট ছুঁড়ে দেন।  

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে হার্দিক পান্ডিয়া শেষপর্যন্ত ক্রিজে থেকে ভারতকে জিতিয়েছিলেন। এদিন খাতা না খুলেই ফেরেন পান্ডিয়া। পরপর উইকেট হারালেও বিরাট কোহলি নিজের লক্ষ্য থেকে সরেননি। হংকংয়ের বিরুদ্ধে আগের ম্যাচে ৫৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে সেট হয়ে যাওয়ার পরে আউট হওয়ায় কোহলির সমালোচনা করেছিলেন প্রাক্তন পাক অধিনায়ক ইনজামাম উল হক। এদিন কিন্তু কোহলি ভারতীয় ইনিংসকে টানলেন। পর পর উইকেট যখন পড়ছে ভারতের, তখন কোহলি নির্ভরতা দিলেন। কোহলি ছিলেন বলেই ভারত ২০ ওভারে ১৮১ রান করতে সক্ষম হয়।  

[আরও পড়ুন: ‘TET নেবেন না, আত্মহত্যা করব’, নিয়োগ তৎপরতা শুরু হতেই পর্ষদ সভাপতিকে হুমকি উত্তীর্ণদের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.