Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Asia Cup 2025

জয় দিয়ে এশিয়া কাপ অভিযান শুরু বাংলাদেশের, হংকংকে উড়িয়ে দিলেন লিটনরা

পাওয়ার প্লে-তে দুই উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলাতে পারেনি হংকং।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৫, ২৩:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৫, ২৩:৪৮

options
link
জয় দিয়ে এশিয়া কাপ অভিযান শুরু বাংলাদেশের, হংকংকে উড়িয়ে দিলেন লিটনরা zoom
Advertisement

হংকং: ১৪৩/৭ (নিজাকত ৪২, জিশান ৩০, তানজিম ২১/২)
বাংলাদেশ: ১৪৪/৩ (লিটন ৫৯, হৃদয় ৩৫ অপরাজিত, আতিক ১৪/২)
৭ উইকেটে জয়ী বাংলাদেশ।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রত্যাশামতোই হংকংয়ের বিরুদ্ধে অনায়াস জয় দিয়েই এশিয়া কাপ অভিযান শুরু করল বাংলাদেশ। পাওয়ার প্লে-তে দুই উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলে উঠতে না পারা হংকং স্কোরবোর্ডে দেড়শোও পেরতে পারেনি। ফলে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের বিশেষ ঝক্কি পোয়াতে হয়নি জয়ের রান তুলতে।

এদিন টসে জিতে হংকংকে ব্যাট করতে আমন্ত্রণ জানান বাংলাদেশের অধিনায়ক লিটন দাস। মাত্র ৭ রানে প্রথম উইকেট পড়ে যায়। যখন মনে হচ্ছিল বোধহয় দ্বিতীয় উইকেটে জমাটি পার্টনারশিপ গড়তে চলেছে হংকং, তখনই ফের উইকেটের পতন। স্কোরবোর্ডে তখন ৩০। ম্যাচের বয়স ৪.৪ ওভার। এই জোড়া ধাক্কা হংকং ব্যাটংয়ের মেরুদণ্ডই ভেঙে দেয়। শেষপর্যন্ত তারা শেষ করে ৭ উইকেটে ১৪৩ রানে। সর্বোচ্চ স্কোরার নিজাকত খান। তিনি ৪২ রান করেন। যদিও ইনিংসটি ছিল অত্যন্ত ধীরগতির। আজকের দিনে পঞ্চাশ ওভারের হিসেবেও সেটিকে শ্লথই বলতে হবে। ৪০ বলে ৪২ রানের ইনিংসটিতে সাকুল্যে দু’টি বাউন্ডারি। তাও প্রথম ৩১ বলে একটিও চার ছিল না! ওপেনার জিশান আলি (৩৪ বলে ৩০, ৩x৪, ১x৬) এবং পাঁচ নম্বরে নামা ইয়াসিম মুর্তাজা (২৮, ২x৪, ২x৬) চেষ্টা করেছিলেন ঠিকই। কিন্তু তা যথেষ্ট ছিল না।

Advertisement

বাংলাদেশের পক্ষে দু’টি করে উইকেট নেন তাসকিন, সাকিব ও রিশাদ। তবে আলাদা করে উল্লেখ করতে হবে মুস্তাফিজুর রহমানের কথা। নিজের ৪ ওভারে মাত্র ২২ রান দেন তিনি। অর্থাৎ ওভার প্রতি ছ’রানও খরচ করেননি। যদিও এগারো ম্যাচ পরে উইকেটশূন্য থাকতে হল তাঁকে।

বড় স্কোর তাড়া করতে হয়নি। তবুও বাংলাদেশ ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই পারভেজ হোসেন ইমন আউট হয়ে যাওয়ায় বিপদের গন্ধ পেয়েছিলেন সমর্থকরা। ওই ওভারের তৃতীয় বলে ফাইন লেগ দিয়ে চমৎকার ছক্কা মেরেছিলেন পারভেজ। কিন্তু ওভারের শেষ বলটি ছিল স্লোয়ার। অফস্টাম্পের বাইরে পিচ করা ফুল লেংথের বলটিকেও ডিপ মিড উইকেটের উপর দিয়ে উড়িয়ে দিতে চেয়েছিলেন পারভেজ। কিন্তু ব্যাটে বলে না হওয়ায় বাউন্ডারির ধারে ধরা পড়েন তিনি। ১৪ বলে ১৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। এরপর ফের উইকেট পড়ে পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে। তানজিদ হাসান তামিমও বড় শট খেলতে গিয়ে মিড অফে ক্যাচ দিলেন। বাঁহাতি ওপেনার আজ আদৌ ছন্দে ছিলেন না। ১৮ বলে করলেন ১৪! চার মাত্র একটি। 

এরপর আর কখনওই মনে হয়নি হংকংয়ের এই ম্যাচে কোনও সুযোগ আছে বলে। অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলে গেলেন লিটন। মাত্র ৩৩ বলে অর্ধশতরান করলেন তিনি। দলের জয় যখন দু’কদম দূরে, তিনি ফিরলেন ৩৯ বলে ৫৯ করে। মেরেছেন ৬টি বাউন্ডারি ও একটি ছক্কা। তাওহিদ হৃদয়ও তাঁকে চমৎকার সঙ্গত করলেন। করলেন ৩৬ বলে ৩৫। সাত উইকেটে অনায়াস জয় পেল বাংলাদেশ। ১৪ বল বাকি থাকতে থাকতেই জয়ের রান তুলে ফেলল তারা। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.