Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
পৃথ্বী শ

ব্যাটই শেষ কথা বলবে, ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত কামব্যাক পৃথ্বীর

নির্বাসন কাটিয়ে আট মাস পর ২২ গজে ফিরলেন তরুণ ক্রিকেটার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৮, ২০১৯, ১৫:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৮, ২০১৯, ১৫:১৫

options
link
ব্যাটই শেষ কথা বলবে, ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত কামব্যাক পৃথ্বীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ব্যাটই শেষ কথা বলবে। সমালোচকদের উদ্দেশে রবিবার এমনই ইঙ্গিত করলেন তিনি। এখন তাঁর একটাই লক্ষ্য, প্রতিটি ম্যাচে যত বেশি সম্ভব রান করে যাওয়া। নির্বাচকদের নজরে তারপর যদি পড়েন তাহলে ভাল। নাহলেও লড়াই চালিয়ে যেতে তিনি দ্বিধা করবেন না।

তিনি বলতে পৃথ্বী শ’। মুম্বই দলের অন্যতম ক্রিকেটার। গত আট মাস তিনি ছিলেন নির্বাসনে। নিষিদ্ধ ওষুধ সেবন করে ডোপ টেস্টে ধরা পড়ে যান। তারপর বোর্ড তাঁকে নির্বাসিত করে। গত শুক্রবার ডোপ কেলেঙ্কারি থেকে মুক্ত হয়েছেন। মুক্ত হয়ে নেমেছিলেন খেলতে। সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে। মুখোমুখি হয়েছিল অসম-মুম্বই। পৃথ্বী ৩৯ বলে ৬৩ রান করেন। অসমকে ৮৩ রানে হারায় মুম্বই। এক সাক্ষাৎকারে পৃথ্বী শ’ বলেছেন, “আমি এখন রান করে যেতে চাই। সেই সঙ্গে জেতাতে চাই দলকে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে এখন এগোতে চাইছি। তারপর নির্বাচকরা যা ভাল বোঝার বুঝবেন। এর বেশি কিছু ভাবতে চাই না।”

Advertisement

নির্বাসনের দিনগুলোর কথা মনে পড়লে এখনও আঁতকে ওঠেন পৃথ্বী। যখন তাঁকে মাঠের বাইরে মাসের পর মাস কাটাতে হয়েছে। পৃথ্বী সেই দিনগুলোকে আর মনে রাখতে চাইছেন না। “কখনও ভাবিনি এমন ঘটনা আমার জীবনে ঘটতে পারে। যখন শুনলাম তখন সত্যি ভেঙে পড়েছিলাম। ভেবে পাচ্ছিলাম না কীভাবে দিন কাটাব। কীভাবেই বা ঘটনাটা ঘটল।” বলছিলেন পৃথ্বী। জাতীয় দলের হয়ে টেস্ট খেলতে নেমে একটাতে সেঞ্চুরি, অন্যটাতে হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন। তিনি ছিটকে যাওয়াতেই টেস্ট দলে ঢুকে পড়েন রোহিত শর্মা ও মায়াঙ্ক আগরওয়াল। নাহলে এখন তাঁর জাতীয় দলের হয়ে টেস্ট খেলার কথা।

[আরও পড়ুন: ‘ধোনির জন্যই বিশ্বকাপ ফাইনালে সেঞ্চুরি পাইনি’, বিস্ফোরক গম্ভীর]

নির্বাসন পর্ব চলাকালীন তিনি চলে গিয়েছিলেন লন্ডনে। সেই কথা উল্লেখ করে পৃথ্বী বলছিলেন, “সেই সময় আমি চলে গিয়েছিলাম লন্ডন। ১৫ সেপ্টেম্বরের আগে আমার মাঠে নামার উপর নিষেধাজ্ঞা ছিল। তাই মাঠেও নামতে পারিনি। পরবর্তীকালে অবশ্য নিজেকে সামলে নিই। বোঝানোর চেষ্টা করি নিজেকে। তখন মনে মনে ভাবতাম, সামনে তিনটে মাস ঠিক কেটে যাবে। কিন্তু এক একটা দিন তখন আমার কাছে বিভীষিকার মতো লাগতো। মনে হত, দিনটা যেন ক্রমশ লম্বা হচ্ছে। এখন আর সেদিনের কথাগুলো মনে রাখতে চাইনা।”

তবে পৃথ্বী শ’ কৃতজ্ঞ থাকতে চান রাহুল দ্রাবিড়ের কাছে। তিনি যদি না থাকতেন তাহলে এত দ্রুত হয়তো মাঠে ফিরতে পারতেন না। সেই কথা উল্লেখ করে পৃথ্বী বলছিলেন, “এনসিএ-তে আমাকে দারুণ সাহায্য করেছেন রাহুল দ্রাবিড়।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.