২৪ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  বুধবার ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রথমে রাহুল দ্রাবিড়। তার ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ‌্যায়। স্বার্থের সংঘাত ইস্যু থেকে শেষ পর্যন্ত মুক্তি পেয়ে গেলেন ভারতীয় ক্রিকেটের দুই কিংবদন্তিই।

[আরও পড়ুন: শেখ হাসিনার সফর ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে মুড়েছে ইডেন, হেঁশেলেও বসছে সিসিটিভি]

সৌরভ যখন আইপিএলে দিল্লি ক‌্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে যুক্ত ছিলেন, তখনই তাঁর বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ আনা হয়েছিল। বলা হয়েছিল, সৌরভ একই সঙ্গে সিএবি প্রেসিডেন্ট এবং আইপিএলে দিল্লি ফ্র্যাঞ্চাইজির মেন্টর। একসঙ্গে তিনি একাধিক পদে আছেন।

কিন্তু, ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর সিএবি প্রেসিডেন্টের পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেন সৌরভ। দিল্লি ক্যাপিটালসের সঙ্গেও তিনি আর যুক্ত নন। যে কারণে ভারতীয় বোর্ডের এথিকস অফিসার ডি কে জৈন স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়ে দিলেন সৌরভকে। শনিবার একটি এক বিবৃতি প্রকাশ করে তিনি জানান, ‘সৌরভের বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাতের যে অভিযোগ ছিল, বর্তমানে তার আর কোনও রকম অস্তিত্ব নেই। অন্তত আমি আর তেমন কিছু পাচ্ছি না। তাই এই অভিযোগ খারিজ করা হচ্ছে।’

[আরও পড়ুন: বাংলাদেশকে হারিয়ে ধোনির রেকর্ড ভাঙলেন কোহলি, নজির গড়লেন শামিও]

এর আগে একই ঘটনা ঘটেছিল ভারতীয় ক্রিকেটে  ‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’ হিসেবে পরিচিত প্রাক্তন অধিনায়ক রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গেও। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আইপিএলের সফলতম ফ্র‌্যাঞ্চাইজি টিম চেন্নাই সুপার কিংসের (সিএসকে) মালিক ইন্ডিয়া সিমেন্টস। যে কোম্পানির সর্বময় কর্তা প্রাক্তন বোর্ড প্রধান এন শ্রীনিবাসন। বোর্ডের কাছে দ্রাবিড়ের বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ তুলেছিলেন মধ্যপ্রদেশ ক্রিকেট সংস্থার আজীবন সদস্য সঞ্জীব গুপ্তা। তারপরই নোটিস পাঠানো হয়েছিল রাহুলকে। দ্রাবিড়ের বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাতের নোটিস পাঠানোর কথা স্বীকার করে  এথিকস অফিসার অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ডি কে জৈন উত্তরের জন্য মিস্টার ডিপেন্ডবলকে দু’সপ্তাহ সময় দিয়েছিলেন। এদিকে গোটা ঘটনায় বিরক্তি প্রকাশ করেছিলেন তাঁর এককালের সতীর্থ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। বিসিসিআইয়ের কার্যকলাপ নিয়ে টুইটারে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তিনি। 

যদিও পরে রাহুলকে ক্লিনচিট দিয়েছিলেন বিসিসিআইয়ের প্রশাসনিক কমিটির (সিওএ) সদস্য রবি থোড়গে। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, “রাহুল দ্রাবিড় কোনও স্বার্থের সংঘাতে জড়িত নন। ওঁকে একটা নোটিস দেওয়া হয়েছিল। তাঁকে ক্লিনচিট দেওয়া হয়েছে। যদি এবিষয়ে ওম্বুডসম্যান কোনও যুক্তি খাঁড়া করতে পারে, তবে আমরাও জবাব দিতে প্রস্তুত। বুঝিয়ে দেওয়া হবে কেন তাঁর বিরুদ্ধে কোনও স্বার্থের সংঘাত নেই।”

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং