৯ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

এবার ঘরোয়া ক্রিকেটে করোনার কোপ, চারটি বড় টুর্নামেন্ট বাতিল করছে বিসিসিআই!

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: July 19, 2020 4:11 pm|    Updated: July 19, 2020 4:11 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবার ঘরোয়া ক্রিকেটে করোনার মার। বাতিল হচ্ছে চারটি বড় ঘরোয়া টুর্নামেন্ট। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, আগামী মরশুমে শুধু রনজি ট্রফি (Ranji Trophy) এবং অনূর্ধ্ব-১৯ বিনু মানকড় টুর্নামেন্টের আয়োজন করতে চলেছে বোর্ড। সৈয়দ মুস্তাক আলি টি-২০ ট্রফি আয়োজনের চেষ্টা করা হবে। তবে তার সম্ভাবনা কম। বিজয় হাজারে ট্রফি (Vijay Hazare Trophy), দলীপ ট্রফি (Duleep Trophy) এবং দেওধর ট্রফি (Deodhar Trophy) পুরোপুরি বাতিল হতে চলেছে। সি কে নাইডু অনূর্ধ্ব-২৩ টুর্নামেন্টও বাতিল হতে চলেছে বলে সূত্রের খবর।

Bengal-Ranji

সাধারণত সেপ্টেম্বরের শেষ কিংবা অক্টোবরের শুরুতে ঘরোয়া মরশুম শুরু হয়। কিন্তু এবার সেটা হয়তো তা সম্ভব হবে না। বিসিসিআই চেষ্টা করছে অক্টোবর-নভেম্বরে আইপিএল (IPL) করার। সেটা যদি হয়, তাহলে ঘরোয়া ক্রিকেট শুরু হতে নভেম্বরের শেষ হয়ে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যার ফলে হাতে সময় অনেক কমে যাচ্ছে। সেজন্য ওই টুর্নামেন্টগুলি বাতিল করা ছাড়া উপায় থাকছে না। তাছাড়া, করোনার যা পরিস্থিতি তাতে কতটা ট্রাভেল করে ম্যাচ খেলা সম্ভব সেটা নিয়েও সন্দিহান বিসিসিআই। সমস্যা আছে ক্রিকেটারদের হোটেল পাওয়া নিয়েও। সেসব সমস্যার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ওই সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি।

[আরও পড়ুন: রাহুল জোহরির পর সাবা করিম, BCCI’র আরও এক ক্রিকেট প্রশাসকের ইস্তফা]

শুধু এই টুর্নামেন্টগুলি বাতিল তাই নয়, রনজি ট্রফিরও ফরম্যাট বদল হতে পারে। আগের মতো জোন-পর্ব চালু করে দেওয়া হতে পারে রনজিতে। সেক্ষেত্রে ম্যাচও যেমন কমবে তেমন ক্রিকেটারদের খুব বেশি ট্রাভেল করতে হবে না। তেমনই আবার রনজিতে গ্রুপে চার কিংবা পাঁচ ম্যাচ করে দেওয়া হতে পারে। এতদিন ধরে টিমগুলো সাধারণত আটটা ম্যাচ খেলত। আর ঠিক এখানেই চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন ক্রিকেটাররা। যদিও ফরম্যাট বদল যে হবেই, সেটা বিসিসিআই(BCCI) চূড়ান্ত করে জানায়নি। কিন্তু ক্রিকেটারদের আশঙ্কা এই পরিস্থিতিতে ফরম্যাট বদলে যাওয়ার চান্স বেশি। আর যদি ম্যাচ কমে যায়, তাহলে তো রোজগারও কমে যবে। এখন রনজি ম্যাচ (Ranji Trophy) প্রতি ক্রিকেটাররা প্রায় দেড় লক্ষ টাকা করে পান। অবশ্য যাঁরা প্রথম এগারোয় থাকেন না, তাঁরা তার অর্ধেক পান। একে চারটি টুর্নামেন্ট বাতিল হচ্ছে। সৈয়দ মুস্তাক আলিও অনিশ্চিত। তার পর যদি আবার রনজির ম্যাচ কমে, ঘরোয়া ক্রিকেটারদের রোজগার একধাক্কায় অনেকটা কমে যাবে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement