Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
CAB

থেমেও থামছে না বিতর্ক! অভিষেককে ফের ‘আক্রমণ’ সিএবি কোষাধ্যক্ষের

সিএবি কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয় দাস টেনে আনছেন প্রাক্তন সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়ার প্রসঙ্গ। বলে দিচ্ছেন, ‘‘উনিও তো কুলিং অফ শুরু হয়ে যাওয়ার পরেও দশ-এগারো মাস বাড়তি ছিলেন।’’ অভিষেক যার পালটা দিচ্ছেন। সেই পালটার প্রেক্ষিতে ফের মুখ খুলছেন সিএবি কোষাধ‌্যক্ষ।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২৬, ১১:০৫

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২৬, ১১:০৫

options
link
থেমেও থামছে না বিতর্ক! অভিষেককে ফের ‘আক্রমণ’ সিএবি কোষাধ্যক্ষের zoom
অভিষেক ডালমিয়া। ফাইল ছবি

সিএবিতে বিতর্কের আগুন যেন থেমেও থামছে না। কখনও লোধা আইন ভেঙে সংস্থার যুগ্ম সচিব মদন ঘোষের পদ ‘আঁকড়ে’ (লোধা আইন অনুযায়ী সত্তরোর্ধ্ব হলে প্রশাসনিক পদ ছেড়ে দিতে হয়, মদন যা এখনও করেননি) থাকার প্রেক্ষিতে সিএবি কোষাধ‌্যক্ষ সঞ্জয় দাস টেনে আনছেন প্রাক্তন সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়ার প্রসঙ্গ। বলে দিচ্ছেন, ‘‘উনিও তো কুলিং অফ শুরু হয়ে যাওয়ার পরেও দশ-এগারো মাস বাড়তি ছিলেন।’’ অভিষেক যার পালটা দিচ্ছেন। সেই পালটার প্রেক্ষিতে ফের মুখ খুলছেন সিএবি কোষাধ‌্যক্ষ।

শুক্রবার সঞ্জয়ের মন্তব‌্যের পরিপ্রেক্ষিতে ‘সংবাদ প্রতিদিন’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রাক্তন সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়া বলে দেন, ‘‘দুর্ভাগ‌্যজনক যে, সিএবি পদাধিকারীরা কর্তা হয়েও সংস্থার গঠনতন্ত্র জানেন না।’’ সঙ্গে যোগ করেন, ‘‘মিডিয়ায় কিছু বলার আগে সব সময় হোমওয়ার্ক করে নেওয়া উচিত। বিশেষ করে প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের নামে মন্তব‌্য করার আগে। আমি নিশ্চিত, যদি উনি ভালো করে সব খতিয়ে দেখেন, তা হলে বুঝবেন যে ডিসকোয়ালিফিকেশন আর কুলিং, দু’টো আলাদা বিষয়। উনি (পড়তে হবে সঞ্জয়) লিগ্যাল ব‌্যাকগ্রাউন্ডের নন। বুঝতে ওঁর অসুবিধে হতেই পারে। উনি তাই সিএবি-র লিগ্যাল কাউন্সেল সম্রাটবাবুর (সেন) সাহায‌্য নিতে পারেন।’’

Advertisement

অভিষেক ঘনিষ্ঠদের যুক্তি ছিল, কর্তাদের ‘ইনএলিজিবিলিটি’ দুই রকম। প্রথম শর্ত, সত্তরোর্ধ্ব হয়ে গেলে কিংবা ভারতীয় না হলে, প্রভৃতি। দ্বিতীয়ত, কোনও পদাধিকারী যদি দু’টো টার্ম সম্পন্ন করার পর তিন বছরের কুলিং অফে না যান, নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। বলা হচ্ছিল, অভিযেক তো নির্বাচনে লড়েননি। তা হলে কত দিন বাড়তি থাকলেন, তাতে সমস‌্যা কোথায়? অভিষেক নিজেও বলেন, ‘‘২০০ সালের ২ আগস্টে সম্রাটবাবুর একটা মতামত দেওয়া হয়েছে বোর্ডকে। তার মধ‌্যে এই তুলনার ব‌্যাপারটা বিশদে বলা রয়েছে। উনি পুরোটা পড়লে বুঝতে পারবেন যে, আমি কোনও নিয়ম ভাঙিনি। সিএবি-র কোনও কমিটিতেও থাকিনি।’’

এ দিন তার প্রত‌্যুত্তরে সঞ্জয় বলেন, ‘‘আমার কম শিক্ষা থেকে এটুকু বুঝি, পরপর দু’টো টার্ম হয়ে গেলে থাকা যায় না। অভিষেক আমাকে এটা বুঝিয়ে দিন, সমস‌্যা না থাকলে, উনি তা হলে চুরাশি মাসই বা থাকলেন কেন? আরও তো বেশি সময় থাকতে পারতেন। তা হলে তো ন’-দশ বছরও অনায়াসে থাকতে পারতেন।’’ এখানেই না থেমে সঞ্জয়ের সংযোজন, ‘‘প্রাক্তন সিএবি প্রেসিডেন্ট স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ‌্যায় টার্ম শেষ হওয়ার আগে চার মাস আগে পদ ছেড়ে দেন। তিনি তা হলে আটষট্টি মাস থাকলেন কেন? ছ’বছর, অর্থাৎ বাহাত্তর মাস কেন থাকলেন না? অভিষেক ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসেই সরে যেতে পারতেন। কিন্তু উনি সেটা করেননি। পরের বছর অক্টোবরে গিয়ে সরে যান। সেটাও বা তা হলে কেন সরলেন? আরও থেকে যেতে পারতেন। সেটা হল না কেন?’’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.