Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
Abishek Porel

দ্রুত শুনানি চেয়েও সুরাহা হল না, হাই কোর্টে ধাক্কা ধর্ষণে অভিযুক্ত অভিষেক পোড়েলের

বিচারপতি জানিয়ে দেন, যেহেতু অভিষেক ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার হয়েছেন, তাই তিনি জামিনের আবেদন করতে পারেন। সেই আবেদনের শুনানি হবে আদালতের নিয়ম মেনেই।

গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২৬, ১৪:২৮

link
গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২৬, ১৪:২৮

options
link
দ্রুত শুনানি চেয়েও সুরাহা হল না, হাই কোর্টে ধাক্কা ধর্ষণে অভিযুক্ত অভিষেক পোড়েলের zoom
অভিষেক পোড়েল। ফাইল ছবি।
Advertisement

গ্রেপ্তারির পর মামলার দ্রুত শুনানি চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta HC) দ্বারস্থ হয়েছিলেন বাংলার ক্রিকেটার অভিষেক পোড়েল (Abishek Porel)। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করে দিল আদালত। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, চাইলে অভিষেক জামিনের আবেদন করতে পারেন। তবে তার জন্য আলাদা করে দ্রুত শুনানি হবে না। মামলাটি আদালতের নির্ধারিত তালিকা মেনেই শুনানি হবে।

সোমবার দ্রুত শুনানির আর্জি জানিয়ে আদালতে আবেদন করেন অভিষেকের আইনজীবী ময়ূখ মুখোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, মামলায় ইতিমধ্যেই চার্জশিট পেশ হয়ে গিয়েছে। গ্রেপ্তারের আশঙ্কা থেকেই প্রথমে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক। কিন্তু তার মধ্যেই ১১ আগস্ট বাড়ি থেকেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এখন মামলা বিচারাধীন থাকায় জামিনের আবেদনও করা যাচ্ছে না বলে আদালতে জানান আইনজীবী। আইনজীবী জানিয়েছেন, সামনেই বাংলার ক্রিকেট দলের নির্বাচন। তার আগে জামিনের বিষয়টি নিষ্পত্তি না হলে সমস্যায় পড়তে পারেন অভিষেক। কিন্তু সেই যুক্তি তোয়াক্কা করেনি আদালত। বিচারপতি জানিয়ে দেন, যেহেতু অভিষেক ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার হয়েছেন, তাই তিনি জামিনের আবেদন করতে পারেন। সেই আবেদনের শুনানি হবে আদালতের নিয়ম মেনেই।

Advertisement

আইনজীবী জানিয়েছেন, সামনেই বাংলার ক্রিকেট দলের নির্বাচন। তার আগে জামিনের বিষয়টি নিষ্পত্তি না হলে সমস্যায় পড়তে পারেন অভিষেক। কিন্তু সেই যুক্তি তোয়াক্কা করেনি আদালত।

কিছুদিন আগেই আসন্ন মরশুমের জন্য প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে বাংলা। প্রত্যাশামতোই সেই দলে জায়গা হয়নি অভিষেকের। কর্নাটকের এক তরুণীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস-সহ একাধিক অভিযোগে সম্প্রতি গ্রেপ্তার করা হয়েছে এই তরুণ উইকেটকিপার-ব্যাটারকে। অভিষেককে গ্রেপ্তার করে হুগলির মগরা থানার পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে বিএনএস এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। বর্তমানে তিনি হুগলির জেলে বন্দি। ২৩ জুন মগরা থানায় অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন কর্নাটকের ওই তরুণী, যিনি ডাক্তারি পড়ুয়া। অভিযোগকারিণীর দাবি, প্রায় সাড়ে তিন বছর অভিষেকের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল। তাঁদের বিয়ে হবে বলেও ঠিক ছিল। একসঙ্গে বিদেশেও গিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু বছর দেড়েক আগে অভিষেকের সঙ্গে অভিযোগকারিণীর সম্পর্কে অবনতি ঘটে। সেবারও বিষয়টি থানা পর্যন্ত পৌঁছেছিল। কিন্তু ওই তরুণী সেসময় অভিযোগ দায়ের করেননি।

মাঠের বাইরের আইনি জটিলতায় এখন তাঁর ক্রিকেটজীবন ঘোরতর অনিশ্চয়তার মুখে। বাংলার মূল দল নির্বাচনের আগে গ্রেপ্তারির বিরুদ্ধে দ্রুত শুনানির আবেদন হাই কোর্ট খারিজ করে দেওয়ায় সেই অনিশ্চয়তা আরও বাড়ল।

অভিযোগ দায়েরের পরও পুলিশ পদক্ষেপ করছে না, এই অভিযোগে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তরুণী। আদালতের নির্দেশের পরেই অভিষেককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ফলে অনিশ্চয়তার মুখে অভিষেকের ক্রিকেটজীবনও। গত মরশুমে দিল্লি ক্যাপিটালসে জায়গা পেয়েছিলেন বাংলার এই ক্রিকেটার। বাংলার হয়ে ধারাবাহিক রান করার সুবাদেই আইপিএলে সুযোগ পান তিনি। ঋষভ পন্থের বিকল্প হিসাবে দলে নেওয়া হলেও মাত্র চারটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। প্রথম মরশুমে ব্যাট হাতে তেমন সাফল্য আসেনি। তবু তাঁর উপর আস্থা রেখেছিল দিল্লি। পরের মরশুমেও দলে রাখা হয় তাঁকে। কিন্তু মাঠের বাইরের আইনি জটিলতায় এখন তাঁর ক্রিকেটজীবন ঘোরতর অনিশ্চয়তার মুখে। বাংলার মূল দল নির্বাচনের আগে গ্রেপ্তারির বিরুদ্ধে দ্রুত শুনানির আবেদন হাই কোর্ট খারিজ করে দেওয়ায় সেই অনিশ্চয়তা আরও বাড়ল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.