BREAKING NEWS

২৬ শ্রাবণ  ১৪২৭  বুধবার ১২ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

এবার স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগে বিদ্ধ বিরাট কোহলি! হতে পারে বড় শাস্তি

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: July 5, 2020 4:23 pm|    Updated: July 5, 2020 4:23 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, রাহুল দ্রাবিড়দের পর এবার স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগে বিদ্ধ টিম ইন্ডিয়ার বর্তমান অধিনায়ক বিরাট কোহলি (Virat Kohli)। বিরাটের বিরুদ্ধেও একই সময়ে একাধিক লাভজনক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বড়সড় শাস্তি পেতে হতে পারে কোহলিকে।

বিরাটের বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ এনেছেন মধ্যপ্রদেশ ক্রিকেট সংস্থার আজীবন সদস্য সঞ্জীব গুপ্তা (Sanjeev Gupta)। বিসিসিআইয়ের এথিকস অফিসার তথা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ডি কে জৈনের (D K Jain) কাছে একটি চিঠি লিখেছেন সঞ্জীব। এর আগে শচীন তেণ্ডুলকর, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, ভিভিএস লক্ষণদের মতো তারকাদের বিরুদ্ধেও এই একই ধরনের অভিযোগ এনেছিলেন সঞ্জীব। তাঁর করা অভিযোগের ভিত্তিতে শচীন, সৌরভদের বিসিসিআইয়ের ক্রিকেট উপদেষ্টামণ্ডলীর পদ ছাড়তে হয়। পরে অবশ্য তাঁরা নির্দোষ প্রমাণিত হন। এবার সঞ্জীব গুপ্তা বিরাট কোহলিকে নিয়ে পড়েছেন। তাঁর অভিযোগ, বিসিসিআইয়ের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও বিরাট ক্রীড়া সম্পর্কিত একাধিক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত আছেন। যা লোধা কমিশন ও সুপ্রিম কোর্টের সুপারিশের বিরোধী। নিজের অভিযোগ পত্রে বিরাটের দুটি সংস্থার নামও লিখে দিয়েছেন সঞ্জীব গুপ্তা। তাঁর অভিযোগ এই দুটি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত থেকে বিসিসিআইয়ের নিয়ম ভেঙেছেন কোহলি।

[আরও পড়ুন: মানবিকতার নজির, পাকিস্তানের হিন্দু শরণার্থীদের জন্য এই কাজটিই করলেন শিখর ধাওয়ান]

তবে সঞ্জীব গুপ্তার এই অভিযোগে খুব একটা আমল দিতে নারাজ বিসিসিআই (BCCI)। বোর্ডের এক কর্তা বলছিলেন, কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ভারতীয় বোর্ডকে বেলাইন করার চেষ্টা করছে। যারা দেশের সেবা করছেন, তাঁদের ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য ব্ল্যাকমেল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। যেভাবে এই চিঠিগুলি লেখা হচ্ছে তাতেই স্পষ্ট, এর পিছনে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য আছে। সঞ্জীব গুপ্তা অবশ্য নিজের লেখা চিঠিতেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তিনি কারও প্রতি ব্যক্তিগত শত্রুতা থেকে এভাবে একের পর এক অভিযোগ আনছেন না। তাঁর একটাই উদ্দেশ্য, বিসিসিআইয়ের কাজকর্মের স্বচ্ছতা বজায় থাকুক এবং লোধা কমিশন তথা, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ পালন করা হোক।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement