Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Lalit Modi

আইপিএল থেকে ১০০ কোটি আয় করবে ক্রিকেটারেরা! ভবিষ্যদ্বাণী ললিত মোদির

তাঁর আশা, এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ থেকে ভবিষ্যতে ক্রিকেটাররা ১০০ কোটি টাকা আয় করবে। তাছাড়াও তিনি উচ্ছ্বসিত বিস্ময় প্রতিভা বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়েও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৯, ২০২৬, ২০:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৯, ২০২৬, ২০:৩০

options
link
আইপিএল থেকে ১০০ কোটি আয় করবে ক্রিকেটারেরা! ভবিষ্যদ্বাণী ললিত মোদির zoom
ফাইল ছবি।

আইপিএলের সাফল্যের নেপথ্য কারিগর কে, এই প্রশ্নের উত্তরে অনেকেই বলবেন ললিত মোদির (Lalit Modi) নাম। তাঁর হাত ধরে ভারতের এই ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের সূত্রপাত। তবে এখন তিনি ক্রিকেট থেকে অনেক দূরে রয়েছেন। তবে আইপিএলের খোঁজখবর রাখেন। তাঁর আশা, এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ থেকে ভবিষ্যতে ক্রিকেটাররা ১০০ কোটি টাকা আয় করবে। তাছাড়াও তিনি উচ্ছ্বসিত বিস্ময় প্রতিভা বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়েও।

বয়স মাত্র ১৫ হলেও ব্যাট হাতে প্রতিপক্ষ বোলারদের ত্রাস বৈভব। রাজস্থান রয়্যালসের জার্সিতে এই মরশুমে ইতিমধ্যেই অসাধারণ ছন্দে আছে সে, তাও আবার অবিশ্বাস্য স্ট্রাইক রেটে। সিনিয়রদের ছাপিয়ে যাওয়ার সেই গল্প এখন ড্রেসিংরুম থেকে গ্যালারি – সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। ললিত মোদির মতে, আগামী দিনে ভারতীয় ক্রিকেটের মুখ বৈভব। “ভবিষ্যতে ভারতীয় ক্রিকেটের মুখ হয়ে উঠবে ও। এইটুকু বয়সে ওর আত্মবিশ্বাস সত্যিই অবাক করে দেওয়ার মতো। আমার ছেলের বয়সও ১৪। তবে বৈভবের ব্যাটিং দেখে মনে হচ্ছিল, আমি কি স্বপ্ন দেখছি! অবিশ্বাস্য ব্যাটিং। আগের বছর ওর খেলা দেখে মনেই হয়নি ওর বয়স মাত্র ১৪। সন্দেহ হচ্ছিল বলে গুগল করেছিলাম। বেশ কয়েকজনকে ফোনও করে জিজ্ঞেস করলাম। সকলে একই কথা বলল। ওর বয়স ওটাই। বারবার ওর খেলা দেখেছি। সকলকে ছাপিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রয়েছে ওর মধ্যে।”

Advertisement

ললিতের সংযোজন, “বৈভবের মতো অন্তত ৫০টা ছেলে ভারতে আছে। আইপিএল কিন্তু এই পরিবর্তনটাই করেছে। দেশের আনাচকানাচের ক্রিকেটারদের জন্য সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে এই লিগ।” সেই কারণেই আইপিএলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী তিনি। বলছেন, “২০৩০ সালের মধ্যে অন্য উচ্চতায় পৌঁছে যাবে আইপিএল। আমার মনে হয়, বছরে একেকজনের রোজগার ১০০ কোটি টাকায় পৌঁছে যাবে। সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বিসিসিআইয়ের আয়ও বাড়বে।”

তাঁর দাবি, “প্রথম সারির ক্রিকেটাররা প্রত্যেক ম্যাচ থেকে সাড়ে ৮ কোটি টাকা আয় করতে পারে। দলের সবচেয়ে দামি ক্রিকেটাররা বছরে ১৩০ থেকে ১৫০ কোটি টাকা পেতে পারে।”

সম্প্রতি কেভিন পিটারসেন এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছিলেন, ‘তিন বছরের মধ্যে দ্য হান্ড্রেড বড়সড় টি-টোয়েন্টি লিগে পরিণত হবে। এমনকী এই লিগকে অনেকেই ইংল্যান্ডের আইপিএল হিসাবে দেখবে।’ এর জবাবে ললিত মোদি বলেন, “বন্ধু, এই জীবনে কোনও টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টই আইপিএলের মতো হবে না।” তাঁর দাবি, “প্রথম সারির ক্রিকেটাররা প্রত্যেক ম্যাচ থেকে সাড়ে ৮ কোটি টাকা আয় করতে পারে। দলের সবচেয়ে দামি ক্রিকেটাররা বছরে ১৩০ থেকে ১৫০ কোটি টাকা পেতে পারে।” তাঁর আশা, ২০৩০ সালে এই অঙ্কটা ৯৩২ কোটিতে পৌঁছে যাবে। বিশ্বের অন্য কোনও টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের পক্ষে তা সম্ভব নয়।

প্রথমে সংশয় থাকলেও, আইপিএলের প্রথম নিলামেই আটটি দল বিক্রি হয়। তারপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। আজ বিশ্বের অন্যতম ধনী ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট লিগ আইপিএল। উল্লেখ্য, ২০১০ সালে দেশ ছেড়েছিলেন ললিত মোদি। কর ফাঁকি, অর্থ পাচার ও আইপিএলের সম্প্রচার স্বত্ব বরাদ্দে কারসাজির অভিযোগে কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন তিনি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট দাবি করেছিল, ২০০৯ সালের সম্প্রচার স্বত্বে অনিয়ম করে ১২৫ কোটিরও বেশি ঘুষ নেন মোদি। কিন্তু সেই ঘটনার ১৭ বছর পরেও কার আইপিএল নিয়ে চর্চা অব্যাহত। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.