Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
Aussie Cricketer

মারাত্মক রোগে মরতে বসেছিলেন! কীভাবে কামব্যাক? ২০২৬ ট্রেন্ডে গা ভাসিয়ে আবেগঘন অজি তারকা

কোমা থেকে ফিরে আবেগঘন পোস্টে সকলের মন জয় করে নিয়েছেন বিশ্বকাপজয়ী অজি তারকা। মার্টিনের সেই পোস্ট শেয়ার করেছে আইসিসি-ও। 

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ২০:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ২০:০২

options
link
মারাত্মক রোগে মরতে বসেছিলেন! কীভাবে কামব্যাক? ২০২৬ ট্রেন্ডে গা ভাসিয়ে আবেগঘন অজি তারকা zoom
সমুদ্র সৈকতে মার্টিন।
Advertisement

মৃত্যুমুখ থেকে নতুন জীবন পেয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন ক্রিকেটার ড্যামিয়েন মার্টিন। একেবারের চ্যাম্পিয়নের মতোই তাঁর এই প্রত্যাবর্তনে খুশি সবাই। মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হয়ে কোমায় চলে যান তিনি। সেখান থেকে ফিরে ২০২৬ ট্রেন্ডে গা ভাসিয়ে আবেগঘন পোস্টে সকলের মন জয় করে নিয়েছেন বিশ্বকাপজয়ী তারকা। মার্টিনের সেই পোস্ট শেয়ার করেছে আইসিসি-ও। 

৫৪ বছর বয়সি প্রাক্তন ক্রিকেটার সম্প্রতি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, বক্সিং ডে অর্থাৎ ২৬ ডিসেম্বর মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হন তিনি। দ্রুত তাঁকে গোল্ড কোস্ট ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত বছরের একেবারে শেষ দিনে জানা যায়, তিনি কোমায় চলে গিয়েছেন। তারপর থেকে নিরন্তর প্রার্থনা করে গিয়েছেন ভক্তরা। সব সময় পাশে ছিল মার্টিনের পরিবার ও প্রাক্তন সতীর্থরা। ৪ জানুয়ারি ড্যামিয়েন মার্টিনের পরিবার থেকে জানানো হয়, তিনি কোমা থেকে জেগে উঠেছেন। এরপর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান।

Advertisement

মার্টিনের হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার খবরটি নিশ্চিত করেন গিলক্রিস্ট। আর এবার অনেকটাই সুস্থ হয়ে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন মার্টিন। সেখানে তিনি সমুদ্রসৈকতে দাঁড়িয়ে থাকার একটা ছবি দিয়েছেন। লিখেছেন, ‘এই পোস্ট আমার পরিবার, বন্ধু, সতীর্থ ও ভক্তদের জন্য। তাঁরা সব সময় আমার পাশে থেকেছেন। খোঁজখবর নিয়েছেন। তাদের ধন্যবাদ জানিয়েই এই পোস্ট। ২০২৫-এর ২৭ ডিসেম্বর আমার জীবনের নিয়ন্ত্রণ হাতের বাইরে চলে গিয়েছিল। মস্তিষ্কে মেনিনজাইটিসের মতো রোগ দখল নিয়েছিল। যা থেকে আমার জীবন চলে যেতে পারত। আট দিন কোমায় ছিলাম। আমি লড়েছি। সকলেই আমাকে এই যাত্রায় সহায়তা করেছে। এখন আমি এই রোগ মুক্ত। এখন আমি সমুদ্রসৈকতে জীবন উপভোগ করছি।’

তিনি আরও লেখেন, ‘৫০/৫০ সুযোগ ছিল আমার। তা সত্ত্বেও কোমা থেকে ফিরে আসি। হাঁটতে বা কথা বলতে পারছিলাম না। কিন্তু এর মাত্র চার দিন পর চিকিৎসকদের চমকে দিয়ে আমি হাঁটাচলা বা কথা বলা শুরু করে ওঁদের প্রমাণ দিই কেন আমাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়তে হবে। বাড়ি ফিরে খুব খুশি আমি। বালুকাবেলায় হাঁটতে পেরে মন ভরে যাচ্ছে। যাঁরা আমাকে আর আমার পরিবারকে সমর্থন জুগিয়েছে, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ। জীবন যে কতটা অনিশ্চিত, সেই অভিজ্ঞতা হয়েছে। এগিয়ে এসো ২০২৬… আমি ফিরে এসেছি।’ মার্টিনের এই পোস্ট আইসিসি শেয়ার করে লিখেছে, ‘অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন ব্যাটার ড্যামিয়েন মার্টিনের কাছ থেকে পাওয়া ইতিবাচক খবর।’

উল্লেখ্য, ১৯৯২ সালে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে অভিষেক হয় মার্টিনের। ২০০৬ পর্যন্ত ব্যাগি গ্রিন টুপি পরেছেন। ৬৭ টেস্টে তাঁর রান সংখ্যা ৪,৪০৬। সেঞ্চুরি আছে ১৩টি। অন্যদিকে ২০৮টি ওয়ানডেতে রান করেছেন ৫,৩৪৬। সেঞ্চুরি ৫টি। ২০০৩ বিশ্বকাপ ফাইনালে ভাঙা আঙুলে ৮৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। অধিনায়ক রিকি পন্টিংয়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে ভারতের হাত থেকে ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেই বিশ্বকাপ তো বটেই, তার আগে ১৯৯৯ সালের অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য ছিলেন। এছাড়া ২০০৬ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ী দলেও ছিলেন। মার্টিনের প্রত্যাবর্তনকে ‘অলৌকিক’ বলেছেন অনেকেই। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.