২ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‌নিজেকে বিশ্বাসঘাতক মনে হচ্ছিল, গার্লফ্রেন্ডকে ফোন করে খুব কেঁদেছিলাম:‌ ইশান্ত শর্মা

Published by: Abhisek Rakshit |    Posted: August 5, 2020 7:36 pm|    Updated: August 5, 2020 8:01 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ সমস্ত খেলোয়াড়ের জীবনেই কখনও কখনও খারাপ সময় আসে। সেই সময় পারফরম্যান্স যেন কিছুতেই ভাল হতে চায় না। ভারতীয় ক্রিকেট দলের (‌Indian Cricket Team)‌ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ইশান্ত শর্মাকেও (‌Ishant Sharma)‌ সেরকমই খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে একদিন যেতে হয়েছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেকথাই ফাঁস করলেন ডানহাতি এই পেসার। জানালেন, একটি ম্যাচে খারাপ পারফর্ম করায় কীভাবে নিজেকে বিশ্বাসঘাতক মনে হয়েছিল। এমনকী নিজের গার্লফ্রেন্ডকে ফোন করে কান্নাকাটিও করেছিলেন। সেকথাও অকপটে স্বীকার করলেন ইশান্ত।

[আরও পড়ুন: করোনা কালে ধোনির বিরল রেকর্ড ভেঙে উচ্ছ্বসিত ইংল্যান্ড অধিনায়ক ইয়ন মর্গ্যান]

আসলে ইশান্ত যে ম্যাচের কথা বলছেন, সেটি ২০১৩ সালে মোহালিতে অনুষ্ঠিত ভারত–অস্ট্রেলিয়া তৃতীয় ওয়ানডে। অজিদের জয়ের জন্য তিন ওভারে ৪৪ রান। কিন্তু ইশান্তের এক ওভারেই ম্যাচ অস্ট্রেলিয়ার (Australia) দিকে ঝুঁকে যায়। ওই ওভারে ৩০ রান দিয়ে বসেন অভিজ্ঞ ভারতীয় পেসার। চারটে ছয় মারেন জেমস ফকনার। ‌ম্যাচ হারে ভারত। আর এরপরই ইশান্ত ফর্ম হারাতে থাকেন। বাদ পড়েন টিম থেকে। 

এই প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, ‘‌‘‌২০১৩ সাল ছিল আমার কেরিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট। ফকনার আমার এক ওভারে ৩০ রান দিয়েছিল। মোহালির ম্যাচটা অস্ট্রেলিয়া জিতে যায়। আমার তখন নিজেকে বিশ্বাসঘাতক মনে হচ্ছিল। দু–তিন সপ্তাহ কারোর সঙ্গে কথা বলিনি। শুধু কেঁদেছিলাম। সবাই মনে করে আমি খুব কঠিন চরিত্রের মানুষ। কিন্তু সেদিন নিজের গার্লফ্রেন্ডকে ফোন করে প্রচণ্ড কান্নাকাটি করতাম। খাওয়া–দাওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ঘুমও পেত না। দুঃস্বপ্নের মতো রাতগুলো কেটেছে। টিভি চালালেই নিজের সমালোচনা দেখতে পেতাম।’‌’

[আরও পড়ুন: কমানো হোক কোয়ারেন্টাইনের সময়, বিসিসিআইয়ের কাছে একাধিক দাবি জানাল IPL ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলি]

এরপরই তিনি যোগ করেন, ‘‌‘‌এখন সেই সমস্ত কিছু ভাবলে হাসি পায়। ওই সময়টা আমার কাছে ছদ্মবেশে আশীর্বাদ ছিল। কখনও কখনও একটা ধাক্কা ভিতরের আগুনটা জ্বালিয়ে দেয়। ২০১৩ সালের পর আমার জীবনেও অনেক পরিবর্তন আসে। আমি বিষয়গুলো অনেক গুরুত্ব দিয়ে বুঝতে শিখি। আগে খারাপ পারফরম্যান্স করলে কেউ যদি বলত, ঠিক আছে, এরকম হতেই পারে। আমি শুনতাম। কিন্তু এখন আর শুনি না। আমার ভুলের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে সেটাকে বদলের চেষ্টা করি।’‌’‌‌

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement