২১ আষাঢ়  ১৪২৭  সোমবার ৬ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

টেস্ট ক্রিকেটে সত্যিই আসতে পারে ‘করোনা পরিবর্ত’, আলোচনা শুরু আইসিসিতে

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: June 6, 2020 12:44 pm|    Updated: June 6, 2020 12:53 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘কনকাশন’ সাবস্টিটিউটের পর ক্রিকেটে কি এবার করোনা পরিবর্ত আসতে চলেছে? ইংল্যান্ড ও ওয়েলশ ক্রিকেট বোর্ডের ডিরেক্টর স্টিভ এলওয়ার্দি সে রকমই শুনিয়ে রাখলেন। স্কাই স্পোর্টসে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এলওয়ার্দি বলে দিলেন যে, ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা সে রকমই ভাবছে! এবং যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েই ভাবছে!

দিন কয়েক আগে ইসিবিই (ECB) আইসিসি’র কাছে প্রস্তাব রেখেছিল, করোনা উত্তর যুগে ক্রিকেট শুরু হলে সেখানে ‘করোনা পরিবর্ত’ চালু করার কথা ভাবতে। ইসিবি ডিরেক্টরের কথা ধরলে সেই ভাবনাচিন্তা অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। এমনকী তিনি এটাও বলে দেন যে, ‘কনকাশন’ পরিবর্তের মতো একই আদলে হতে পারে করোনা পরিবর্ত। টেস্টের মধ্যে কোনও ক্রিকেটারের করোনা ধরা পড়লে তাঁর পরিবর্ত হিসেবে আর একজন নেমে যাবেন।

[আরও পড়ুন: কৃষ্ণাঙ্গ ‘হত্যাকাণ্ডে’র বিরুদ্ধে সরব আইসিসি, বিশ্বকাপের ভিডিওই হয়ে উঠল প্রতিবাদের ভাষা]

“ওয়ানডে কিংবা টি-টোয়েন্টিতে এই পরিবর্তের প্রয়োজন পড়বে না। কিন্তু টেস্টে অবশ্যই পড়বে। আমি দেখেছি এটা নিয়ে কথাবার্তা চলছে আইসিসিতে। আশা করছি, করোনা পরিবর্ত নিয়ে আসবে আইসিসি (ICC),” বলে দিয়েছেন এলওয়ার্দি। সঙ্গে যোগ করেছেন, “আর এই পরিবর্তটা হবে একদম নিখুঁত পরিবর্ত। কোনও বোলারের হলে অন্য একজন বোলার পরিবর্ত হিসেবে নেমে যাবে। ব্যাটসম্যান হলে ব্যাটসম্যান। মাঠে করোনা বিশেষজ্ঞ উপস্থিত থাকবেন। কারও করোনা ধরা পড়লে সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে আইসোলেশনে নিয়ে যাওয়া হবে।”

[আরও পড়ুন: এবার ভারতীয় ক্রিকেটেও বর্ণবিদ্বেষের ছায়া! সতীর্থদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক প্রাক্তন পেসার]

আগামী জুলাই মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তিন টেস্টের সিরিজ খেলবে ইংল্যান্ড। যেখানে চোদ্দো জনের স্কোয়াডের পাশাপাশি আরও এগারো জন ক্রিকেটার যাবেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে। সেখানে তাঁদের প্রথমে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে। ট্রেনিংও চলবে। আগামী ৮ জুলাই থেকে সাউদাম্পটনে প্রথম টেস্ট। ইসিবি আশা করছে, তার আগেই করোনা পরিবর্ত চলে আসবে। আসলে ক্রিকেট শুরু হলেও করোনা পরবর্তী পরিস্থিতিতে ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত সব দেশই। তাই করোনা থেকে বাঁচতে সবরকম উপায়ই করে রাখতে চাইছে আইসিসি। 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement