Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
ICC

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গড়াপেটা? সন্দেহের চোখে নিউজিল্যান্ডের ম্যাচ! তদন্ত শুরু আইসিসি’র

একটি নয়, দু'টি ভিন্ন ঘটনা নিয়ে সন্দেহ আরও তীব্র হচ্ছে ক্রিকেট মহলে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ১৪:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ১৪:১৫

options
link
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গড়াপেটা? সন্দেহের চোখে নিউজিল্যান্ডের ম্যাচ! তদন্ত শুরু আইসিসি’র zoom
কানাডার বিরুদ্ধে নিউজিল্যান্ডের ম্যাচ। ফাইল ছবি

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে গড়াপেটার ছায়া! বিশ্বকাপে কানাডা ও নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচটি ঘিরে অনেক প্রশ্নচিহ্ন উঠতে শুরু করেছে। যা নিয়ে ইতিমধ্যে ক্রিকেট কানাডার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে আইসিসি দুর্নীতি দমন শাখা। একটি নয়, দু’টি ভিন্ন ঘটনা নিয়ে সন্দেহ আরও তীব্র হচ্ছে ক্রিকেট মহলে।

সম্প্রতি কানাডার একটি অনুসন্ধানকারী অনুষ্ঠান ‘দ্য ফিফথ এস্টেট’-এ ৪৩ মিনিটের একটি তথ্যচিত্র সম্প্রচারিত হয়। সেখানে কানাডার ক্রিকেটের ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন অসঙ্গতি ও বিশ্বকাপের ম্যাচের ঘটনার দিকে অভিযোগের আঙুল তোলা হয়েছে। ওই তথ্যচিত্র অনুযায়ী নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে কানাডার অধিনায়ক দিলপ্রীত বাজওয়ার একটি ওভার আতসকাঁচের তলায়। পঞ্চম ওভারের শুরুতে তিনি নো বল করেন, তারপর ওয়াইড বল করেন। ওই ওভারে ১৫ রান দেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র তিন সপ্তাহ আগে তাঁকে অধিনায়ক করা হয়। ১৭৪ রান তাড়া করতে নেমে ৮ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় নিউজিল্যান্ড।

Advertisement

দ্বিতীয় তদন্তটি শুরু হয়েছে কানাডার ক্রিকেট প্রশাসনের ভিতরের ঘটনা নিয়ে। যার নেপথ্যে কানাডার প্রাক্তন কোচ কুররাম চোহানের ফাঁস হওয়া একটি ফোন বার্তা। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, এক বোর্ড মেম্বার তাঁকে নির্দিষ্ট কয়েকজন প্লেয়ারকে দলে নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন। এই তথ্যচিত্রের মতে, ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় তৎকালীন কোচ পুদুবু দশনায়াকে’কে একই রকম চাপ দেওয়া হয়েছিল। এমনিতেই কানাডা ক্রিকেট গত কয়েক বছরে টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। আগের সিইও সলমন খানকে নিয়োগ ও অপসারণ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক হয়। সলমনের বিরুদ্ধে চুরি ও জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে।

তবে আইসিসি’র দুর্নীতি দমন বিভাগের কর্তারা এই নিয়ে মুখ খুলতে রাজি হননি। তাঁদের বক্তব্য, “ওই তথ্যচিত্র সম্পর্কে আমরা জানি। কিন্তু এই নিয়ে এখনই মন্তব্য করা ঠিক হবে না। প্রশাসনিক বিষয়গুলো সেই দেশের নিজস্ব। তার নিজস্ব সাংবিধানিক প্রক্রিয়া আছে। আমাদের মূল কাজ হল, খেলার স্বচ্ছতা বিঘ্নিত হলে তা নিয়ে তথ্যসংগ্রহের মাধ্যমে তদন্ত করা। যাতে ভবিষ্যতে এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রতিরোধ করা যায়।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.