Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
পাকিস্তান

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ‘ফেভরিট’ ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপে জয়ের খাতা খুলল পাকিস্তান

কাজে এল না দুই ইংলিশ তারকার জোড়া সেঞ্চুরি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩, ২০১৯, ২৩:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩, ২০১৯, ২৩:৪৬

options
link
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ‘ফেভরিট’ ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপে জয়ের খাতা খুলল পাকিস্তান zoom

পাকিস্তান: ৩৪৮/৮ (বাবর-৬৩, হাফিজ-৮৪)
ইংল্যান্ড: ৩৩৪/৯ (রুট-১০৭, বাটলার-১০৩)
১৪ রানে জয়ী পাকিস্তান
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চলতি বিশ্বকাপে প্রথমবার ফিরল আইপিএলের ঝলক। এতদিন যে ক’টি ম্যাচ হয়েছে, তার বেশিরভাগগুলোই ছিল কার্যত একপেশে। অন্তত খেলা খানিকটা গড়ানোর পরই ম্যাচের ভবিষ্যৎ আন্দাজ করা গিয়েছিল। কিন্তু সোমবার একটি রুদ্ধশ্বাস ম্যাচের সাক্ষী থাকলেন নটিংহ্যামে হাজির দর্শকরা। শেষ ওভার পর্যন্ত টানটান উত্তেজনা। যে কোনও মুহূর্তে অঘটন ঘটার আশঙ্কা। আর দিনের শেষে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই জিতে তৃপ্তির হাসি ফুটল পাক ক্রিকেটারদের মুখে।

[আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের মাঝেই ঘোষিত আগামী মরশুমের ক্রীড়াসূচি, জোড়া ম্যাচ পেল ইডেন]

শেষ ১১ ওয়ানডে একটিতেও জয়ের মুখ দেখেনি পাকিস্তান। যার মধ্যে সম্প্রতি ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ০-৪ ব্যবধানে সিরিজও হারেন সরফরাজরা। তার উপর বিশ্বকাপ অভিযানের শুরুতেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে মুখ থুবড়ে পড়েছিল পাক দল। উলটোদিকে আবার ম্যাচ শুরুর আগে ইংলিশ অধিনায়ক ইয়ন মর্গ্যান হুঙ্কার দিয়ে রেখেছিলেন, আগে ব্যাট করলে ৫০০ রানও তোলার চেষ্টা করবে তাঁর দল। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে মর্গ্যানবাহিনীর ক্ষুরধার পারফরম্যান্স নিয়েও তো নতুন করে বলার কিছু নেই। তাছাড়া হারের জেরে পাক দলকে নিয়ে মশকরারও শেষ নেই নেটিজেনদের। এমন পরিস্থিতিতে এবারের টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভরিট সেই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে নার্ভ শক্ত করে লড়াইয়ে নামাটা নেহাত সহজ ছিল না আমির-বাবরদের কাছে। কিন্তু ১০৫ রানে অল আউট হওয়ার দুঃসহ স্মৃতি ভুলিয়ে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেই যেভাবে ঘুরে দাঁড়াল পাকিস্তান, তার প্রশংসা করতেই হয়।

Advertisement

স্কোরবোর্ডে প্রায় সাড়ে তিনশো রান একেবারেই খারাপ নয়। লড়াই দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। যদিও সেই রানের প্রায় কাছাকাছিই পৌঁছে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। সৌজন্যে দুই ব্যাটসম্যান, জো রুট এবং জস বাটলার। দুজনেই দুর্দান্ত সেঞ্চুরি হাঁকান। এবারের বিশ্বকাপে প্রথম সেঞ্চুরির মালিক হয়ে গেলেন রুট। কিন্তু আফসোস একটাই। দলকে জেতাতে পারলেন না। কাজে এল না তাঁদের চোখ ধাঁধানো ইনিংস। শাদাব-আমির-রিয়াজরা যেন এদিন প্রতিজ্ঞাই করে নেমেছিলেন, না জিতে মাঠ ছাড়বেন না। তাঁদের বোলিংয়েও সেই ট্র্যাডিশনাল পাক আগ্রাসন ছিল স্পষ্ট।

তবে পাকিস্তানের ভিতটা শক্ত করে দিয়েছিল পাক টপ-অর্ডার। ফখর জামান, ইমাম, বাবর, হাফিজ, অধিনায়ক সরফরাজ, প্রত্যেকেই ভাল খেলেন। আর তাতেই অতীতের হারের মধুর প্রতিশোধ নিতে সফল পাকিস্তান। ইমরান খানের দেশকে যে ‘আন্ডারডগ’ ভাবা ভুল হবে, সেটাই মনে করিয়ে দিল সরফরাজ অ্যান্ড কোং। এদিন ইংল্যান্ড পয়েন্ট নষ্ট করতেই জমে গেল বিশ্বকাপের লড়াই। 

[আরও পড়ুন: বিশ্বকাপে বিরাটদের সমর্থনে ভারতের জার্সি গায়ে চাপালেন জার্মান তারকা মুলার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.