Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৩০ জুন ২০২৬
IND vs ENG

আম্পায়ার্স কলে বাঁচতেই আইসল্যান্ড ক্রিকেটের কটাক্ষের শিকার স্টোকস, ব্যাপারটা কী?

শেষ পর্যন্ত আম্পায়ার্স কলেই বাঁচলেন স্টোকস।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৪, ১৮:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৪, ১৮:২১

options
link
আম্পায়ার্স কলে বাঁচতেই আইসল্যান্ড ক্রিকেটের কটাক্ষের শিকার স্টোকস, ব্যাপারটা কী? zoom
ছবি: X হ্যান্ডেল

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চলতি টেস্ট সিরিজে ভারতের মাঠে ব্যবহৃত প্রযুক্তি ডিআরএস-কে (DRS) কাঠগড়ায় তুলেছিলেন বেন স্টোকস (Ben Stokes)। রাজকোট টেস্টে হারের পর ডিআরএস-কে বিলুপ্তি করার দাবি জানিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের (England) অধিনায়ক। স্টোকসের দাবি ছিল আম্পায়ার্স কলের জন্য বেশ কিছু সিদ্ধান্ত তাঁর দলের বিরুদ্ধে গিয়েছে। তবে সেই ডিআরএস এবং আম্পায়ার্স কলের জন্য এবার চতুর্থ টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে আউট হয়েও বেঁচে গিয়েছিলেন স্টোকস।

আর এর পরেই তাঁকে ব্যাপক কটাক্ষ করেছে আইসল্যান্ড ক্রিকেট। নিজেদের X হ্যান্ডেলে তাঁকে ব্যাপক কটাক্ষ করা হয়েছে। আইসল্যান্ড ক্রিকেট নিজেদের X হ্যান্ডেলে লিখেছে, ‘বেন স্টোকসকে তো এবার ‘আম্পায়ার্স কল’-এ ধরমান্তরিত হয়ে যাওয়া উচিত।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

 

[আরও পড়ুন: অশ্বিন-কুলদীপ স্পিন ম্যাজিকে ৪ ঘণ্টাতেই শেষ ইংল্যান্ড, জয়ের লক্ষ্যে এগোচ্ছে রোহিতের ভারত]

ঠিক কী ঘটেছিল দ্বিতীয় ইনিংসে?

রাঁচি টেস্টের তৃতীয় দিনের শেষ সেশনে দাপট দেখায় টিম ইন্ডিয়া (Team India)। রবিচন্দ্রন অশ্বিন (Ravichandran Ashwin) ও কুলদীপ যাদবের (Kuldeep Yadav) স্পিন ম্যাজিকে শুরুতেই দ্রুত চার উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। সেই সময় ক্রিজে নামেন স্টোকস। এর পর ২৯.৪ ওভারে তাঁর বিরুদ্ধে লেগ বিফোরের আবেদন করেন রবীন্দ্র জাদেজা (Ravindra Jadeja)। তাঁর ডেলিভারি প্যাডে লাগলেও আম্পায়ার রড টাকার আউট দেননি। আম্পায়ারের মতে বল ইমপ্যাক্ট লাইনের মধ্যে থাকলেও, লেগ স্টাম্পের বাইরে গিয়ে বল লাগছিল। ফলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন স্টোকস। ভারতীয় দল ডিআরএস-কে হাতিয়ার করে রিভিউ নিলেও লাভ হয়নি। যদিও রিপ্লেতে দেখা যায় বল লেগ স্টাম্পে গিয়েই লাগছিল। তবুও এ যাত্রায় আম্পায়ার্স কল ও ডিআরএস-এর জন্য বেঁচে যান ইংরেজ অধিনায়ক।

 

যদিও তাঁর ইনিংস বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। দলের রান যখন ১২০ তখন ৫ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। ৩২.৩ ওভারে ব্যক্তিগত ৪ রানে আউট হন স্টোকস। কুলদীপের বলে তিনি বোল্ড হন।

তৃতীয় টেস্টে হারের পর স্টোকস বলেছিলেন, “জ্যাক ক্রলির রিভিউ আমাকে অবাক করেছে। রিভিউতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল, বল স্টাম্পের উপর দিয়ে গিয়েছে। তার পরেও কীভাবে আম্পায়ার্স কল থাকল! বল স্টাম্পে লাগলে তবেই আম্পায়ার্স কল হত। সেটা হয়নি। তা হলে হয় ছবিতে কোনও ভুল ছিল, না হলে তৃতীয় আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে। এমন ভুল প্রযুক্তি আমাদের বিরুদ্ধে গিয়েছে। এটা ঠিক নয়।” তাঁর আরও অভিযোগ ছিল তিন বার তাঁদের বিরুদ্ধে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর খেসারত দিতে হয়েছে ইংল্যান্ডকে। তবে এবার সেই ডিআরএস ও আম্পায়ার্স কল স্টোকসে বাঁচিয়ে দিয়েছিল। যদিও তিনি বড় রান করতে পারেননি। তবে তাই বলে বাঁচতে পারলেন না স্টোকস। তাঁকে ব্যাপক কটাক্ষ করল আইসল্যান্ড ক্রিকেট।

[আরও পড়ুন: কুম্বলের সামনেই তাঁর রেকর্ড ভেঙে চুরমার! শীর্ষে বসলেন অশ্বিন]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.