Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
IND vs ENG

কাজে এল না বাজবল ক্রিকেট, সিরাজ ঝড়ে ৩১৯ রানে শেষ ইংল্যান্ড

চারটি উইকেট নেন সিরাজ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৪, ১৪:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৪, ১৪:০৭

options
link
কাজে এল না বাজবল ক্রিকেট, সিরাজ ঝড়ে ৩১৯ রানে শেষ ইংল্যান্ড zoom
ইংল্যান্ডের ইনিংস ভাঙলেন সিরাজ। ছবি-পিটিআই

ভারত (প্রথম ইনিংস ) ৪৪৫ (রোহিত ১৩১, জাদেজা ১১২, সরফরাজ ৬২)
ইংল্যান্ড (প্রথম ইনিংস) ৩১৯ (ডাকেট ১৫৩, স্টোকস ৪১, সিরাজ ৪/৮৪)
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:
কাজে এল না ইংল্যান্ডের বাজবল ক্রিকেট। দ্বিতীয় দিনে ব্যাট করতে নেমে আগ্রাসী ব্যাটিং করেছিলেন বেন ডাকেট। কিন্তু তৃতীয় দিনে ভারতীয় বোলারদের দাপটে ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংস শেষ হয়ে গেল ৩১৯ রানে। বেন ডাকেট ১৫৩ রান করেন। মহম্মদ সিরাজ ঝড়ে ভারতের রানের থেকে অনেক আগেই থেমে গেল ইংল্যান্ড। ১২৬ রানে পিছিয়ে ইংরেজরা। 
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বাজবল ক্রিকেট সফল হলেও  ভালো বোলিংয়ের সামনে বাজবল ক্রিকেটও যে অসহায় তা দেখা গেল রাজকোটে (IND vs ENG)। দ্বিতীয় দিনের শেষে বেন ডাকেট অপরাজিত ছিলেন ১৩৩ রানে। তৃতীয় দিনের সকালে আরও ২০ রান যোগ করার পরে ডাকেট ফিরে যান প্যাভিলিয়নে। ডাকেট ফিরে যাওয়ার পরেই ইংল্যান্ডের বাজবল ক্রিকেট অন্ধগলিতে পথ হারায়। উলটে ভারতীয় বোলাররা জাঁকিয়ে বসতে থাকে ম্যাচের উপরে। বোলারদের দাপটে ইংল্যান্ড ধারাবাহিক ভাবে উইকেট হারাতে থাকে। দ্বিতীয় দিনের শেষে ইংল্যান্ডের রান ছিল ২উইকেটে ২০৭। এদিন বাকি ৮টি উইকেট ইংল্যান্ড হারায় মাত্র ১১২ রানে। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাল ইংল্যান্ড। 

[আরও পড়ুন: বাড়ি ফিরেছেন অশ্বিন, টেস্টের তৃতীয় দিন কালো আর্ম ব্যান্ড পরে মাঠে ১০ জনের ভারত]

মায়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে আপৎকালীন ভিত্তিতে চেন্নাই ফিরে যান রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ফলে তৃতীয় দিনের সকালে জশপ্রীত বুমরাহ ও কুলদীপ যাদবকে দীর্ঘক্ষণ বল করতে হয়। জো রুট মাত্র ১৮ রান করেন। ইংল্যান্ডের রান তখন ৩ উইকেটে ২২৪। খাতা না খুলেই ফিরে যেতে হয় বেয়ারস্টোকে। বেন ডাকেটকে ফেরান কুলদীপ যাদব। প্রথম সেশনের শেষে ইংল্যান্ডের রান ছিল ৫ উইকেটে ২৯০। বেন স্টোকস ব্যক্তিগত ৪১ রানে আউট হন। ইংল্যান্ডের রান তখন ৬ উইকেটে ২৯৯। তার পরে ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা এলেন আর গেলেন। ভারতীয় বোলারদের দাপটে কোনও ইংরেজ ব্যাটারই সেভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারলেন না। ইংল্যান্ড থেমে গেল ৩১৯ রানে। মহম্মদ সিরাজ ২১.১ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৪টি উইকেট নেন সিরাজ। কুলদীপ যাদব ২টি উইকেট নেন। তিনিও কিছু ক্ষেত্রে ভাগ্যের সাহায্য পাননি। একবার তাঁর ঘূর্ণির নাগাল পাননি বেন স্টোকসও। অল্পের জন্য সেই যাত্রায় বেঁচে যান স্টোকস। শেষমেশ অবশ্য জাদেজা ফেরান ইংল্যান্ড অধিনায়ককে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বলে দেওয়াই যায় রাজকোট টেস্টে ভারতেরই অ্যাডভান্টেজ। তবে ক্রিকেট যে মহান অনিশ্চয়তার খেলা। যে কোনও মুহূর্তে ম্যাচের রং বদলে যেতে পারে। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘আইপিএলে তো এত নো বল হয় না!’ টেস্ট চলাকালীন জাদেজাকে হঠাৎই খোঁচা রোহিতের]

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.