২ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৯ নভেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

ভারত: ৬০১/৫ ডিক্লেয়ার্ড (মায়াঙ্ক-১০৮, কোহলি-২৫৪*, জাদেজা- ৯১)
দক্ষিণ আফ্রিকা: ২৭৫ (মহারাজ ৭২, ডু প্লেসি ৬৪, অশ্বিন ৪-৬৯, উমেশ ৩-২৭)
তৃতীয় দিনের খেলা শেষে ভারত ৩২৬ রানে এগিয়ে

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গতকালের স্কোরলাইন, এবং আজ সকালে প্রথম দুই সেশনের শেষের স্কোরলাইন। এই দুই স্কোরলাইন দেখার পর অনেকেই হয়তো ভেবেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ইনিংস আড়াইশোর মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু, ভারতীয় সমর্থকদের সব অঙ্ক গোলমাল করে দিল মহারাজ এবং ফিল্যান্ডারের জুটি। ৯৯ রানের এই জুটিই হয়তো কোহলির চিন্তা বাড়িয়ে দিল। দ্বিতীয় টেস্টের তৃতীয় দিনের শেষ লগ্নে ২৭৫ রানে দাঁড়ি পড়ল দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস।

[আরও পড়ুন: ভোজপুরী গানে তুমুল নাচ মহম্মদ শামির মেয়ের, ভাইরাল ভিডিও]

গতকালই প্রথম ইনিংসে তিন উইকেট খুঁইয়ে ফেলেছিল আফ্রিকা। এদিন, গতকালের অপরাজিত দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যান ডে ব্রুইন তাড়াতাড়ি প্যাভিলিয়নে ফেরেন। নরেজও দাঁড়াতে পারেননি বেশিক্ষণ। প্রথম সেশন শেষ হওয়ার সময় ছয় উইকেটে ১৩৬ তুলেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। মধ্যাহ্নভোজের পর মুথুস্বামীর(৭) উইকেট নেন রবীন্দ্র জাদেজা। তারপর অধিনায়ক ফাফ দু’প্লেসিকে (৬৪) ফেরান রবিচন্দ্রন অশ্বিন। চা পানের বিরতির আগে দক্ষিণ আফ্রিকার আট উইকেট পড়ে যায়। তখন স্কোর বোর্ডে সাকুল্যে ১৬২ রান। তারপরই ইনিংসের হাল ধরেন ফিল্যান্ডার এবং মহারাজ। ভারতীয় স্পিনারদের ঘূর্ণি এবং পেসারদের গতি রিভার্স সুইং সব সামলে নবম উইকেটের জুটিতে তাঁরা তোলেন ৯৯ রান। ব্যক্তিগত ৭২ রানে আউট হন মহারাজ। তাঁকে ফেরান অশ্বিন। কিছুক্ষণের মধ্যেই রাবাডার উইকেটের পতন। ব্যক্তিগত ২ রানের মাথায় তাঁকেও ফেরান অশ্বিনই। ফিল্যান্ডার ৪৪ রানে অপরাজিত থাকেন।

[আরও পড়ুন: ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত টিম ইন্ডিয়া, ইনিংসের শুরুতেই মুখ থুবড়ে পড়ল দক্ষিণ আফ্রিকা ]

দক্ষিণ আফ্রিকার ২৭৫ রানে অল আউট হওয়ায়, ভারতের হাতে আরও ৩২৬ রান আছে। এখন বিরাট কোহলি তথা টিম ম্যানেজমেন্টকে ঠিক করতে হবে চতুর্থ দিনে ভারত দক্ষিণ আফ্রিকাকে ফলো-অন করায়, নাকি নিজেরা ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন। দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসের শেষের দিকে বোলারদের অনেকটাই ক্লান্ত মনে হচ্ছিল। সেকথা মাথায় রেখে কোহলি ফলো-অন করানোর সিদ্ধান্ত নাও নিতে পারেন। আবার পিচের ঘূর্ণির কথা মাথায় রেখে ফলো-অন করানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে ভারত। পুরোটাই নির্ভর করছে টিম ম্যানেজমেন্টের উপর।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং