Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
টিম ইন্ডিয়া

ইন্দোর টেস্টে দেড়শো রানেই গুটিয়ে গেল বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস, নজির অশ্বিনের

তিনটি উইকেট নেন শামি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৪, ২০১৯, ১৭:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৪, ২০১৯, ১৭:১৫

options
link
ইন্দোর টেস্টে দেড়শো রানেই গুটিয়ে গেল বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস, নজির অশ্বিনের zoom
Advertisement

বাংলাদেশ: ১৫০/১০ (মমিনুল-৩৭, মুশফিকুর-৪৩)
ভারত: ৮৬/১ (মায়াঙ্ক-৩৭*, পূজারা-৪৩*)
প্রথম দিনের খেলা শেষ

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লড়াইটা এক নম্বরের সঙ্গে নয় নম্বরের। তাই দ্বিতীয় পক্ষকে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তেই হবে, এ আর আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না। হলও তাই। ইন্দোরের হোলকার স্টেডিয়ামের উইকেটে প্রথম দিন উঠল পেস ঝড়। যে ঝড়ে তছনছ হয়ে গেল বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইন আপ। কথায় বলে, মর্নিং শোজ দ্য ডে। শুরুর দিনেই যেন ম্যাচের ফলের ইঙ্গিত দিয়ে দিলেন বিরাট কোহলিরা।

Advertisement

খেলা শুরু হওয়ার ঘণ্টা পাঁচেকের মধ্যেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস। সৌজন্যে তিন ভারতীয় পেসার উমেশ যাদব, মহম্মদ শামি এবং ইশান্ত শর্মা। দুটি করে উইকেট তুলে নেন উমেশ ও ইশান্ত। তিনটি উইকেট ঝুলিতে ভরেন বাংলার পেসার শামি। তবে শুধুই পেসাররা নন, জোড়া উইকেট তুলে নিয়ে নজির গড়লেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। হরভজন সিং এবং অনিল কুম্বলের পর তৃতীয় ভারতীয় স্পিনার হিসেবে ঘরের মাটিতে ২৫০-র বেশি উইকেটের মালিক হয়ে গেলেন তিনি। এদিন অধিনায়ক মমিনুল হককে ৩৭ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরাতেই বোলারদের এলিট তালিকায় ঢুকে পড়েন অশ্বিন। সাড়ে তিনশো উইকেট নিয়ে এই তালিকার শীর্ষে কুম্বলে। ঘরের মাঠে ২৬৫টি উইকেট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ভাজ্জি। আর এদিন তিন নম্বর জায়গাটি পাকা করলেন অশ্বিন। শুধু তাই নয়, দেশের মাটিতে ৪২টি ম্যাচ খেলে যুগ্ম দ্রুততম বোলার হিসেবে এই মাইলস্টোন স্পর্শ করলেন তিনি। শ্রীলঙ্কান মুথাইয়া মুরলিধরনও একই সংখ্যক ম্যাচ খেলে এই নজির গড়েছিলেন।

[আরও পড়ুন: এবার ঘরোয়া ক্রিকেটে হ্যাটট্রিক চাহারের, তবে পেসারের রেকর্ড ঘিরে বিতর্ক]

ইন্দোরে প্রথম দিন ভারতীয় শিবিরে হতাশা কেবল একটাই। রোহিত শর্মার রান না পাওয়া। আবু জায়েদের বলে ৬ রানে ক্যাচ আউট হন তিনি। তবে এদিন জায়েদের নামের পাশে আরও একটি উইকেট লেখা থাকত। কিন্তু মায়াঙ্ক আগরওয়ালের ক্যাচ ফিল্ডার মিস করেন। ফলে দিনের শেষে নট-আউট থেকেই মাঠ ছাড়েন তিনি। সঙ্গী হিসেবে ক্রিজে রয়েছেন চেতেশ্বর পূজারা। এই পারফরম্যান্স ধরে রাখতে পারলে বিরাটদের জয় আটকায়, সাধ্য কার।

[আরও পড়ুন: ডিসেম্বরে আইপিএল নিলামের আগেই কেকেআর থেকে বাদ যেতে পারেন এই তারকারা]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.