Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৫ জুন ২০২৬
IPL 2020 Bangla News

কোনও খেলায় পারদর্শী না হয়েও স্পোর্টস হাব আমিরশাহী, কেন জানেন?‌

শুধু আইপিএল নয়, একাধিক বড় বড় টুর্নামেন্ট আয়োজিত হয়েছে সে দেশে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০, ২৩:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০, ২৩:৪৭

options
link
কোনও খেলায় পারদর্শী না হয়েও স্পোর্টস হাব আমিরশাহী, কেন জানেন?‌ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ বহু টালবাহানার পর অবশেষে শুরু হতে চলেছে এবারের IPL (IPL 2020)। প্রথম ম্যাচেই মুখোমুখি দুই হেভিওয়েট প্রতিপক্ষ। মহেন্দ্র সিং ধোনির (Mahendra Singh Dhoni) চেন্নাই সুপার কিংস এবং রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স (Mumbai Indians)। করোনার কারণে এবার আর এদেশে নয়, আইপিএল–১৩’র আসর বসছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে। অর্থাৎ আরও এক বড়সড় টুর্নামেন্টের আয়োজন করতে চলেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। কিন্তু কেন বারবার এই দেশটিই সবার প্রথম পছন্দ? কীভাবে বড় বড় টুর্নামেন্টগুলো  এত সফলভাবে আয়োজন করতে পারে UAE? জেনে নেওয়া যাক‌ ‌এই প্রতিবেদনে।

শুধু ক্রিকেট বা IPL নয়, বিশ্বের বহু বড় বড় টুর্নামেন্টের আসর ইতিমধ্যে বসেছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে। ফুটবল, টেনিস–কী নেই তালিকায়। ২০১৪ সালেই সেই তালিকাতে নাম লিখিয়েছিল আইপিএল। সে বছর দেশে লোকসভা নির্বাচনের জন্য নিরাপত্তার স্বার্থে টুর্নামেন্টের প্রথম দিকের কয়েকটি ম্যাচ আমিরশাহীতে আয়োজন করা হয়েছিল। আর এবার গোটা টুর্নামেন্টটিই আয়োজিত হচ্ছে সেখানে। অথচ ক্রীড়াজগতে এই দেশটির উল্লেখযোগ্য সাফল্য বলতে সাকুল্যে দুটি – ২০০৪ অলিম্পিকে একটি সোনা এবং ২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকে একটি ব্রোঞ্জ পদক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন:‌ থিম সংয়ে ব্রাত্য কন্নড় ভাষা, আইপিএল শুরুর আগেই বিতর্কে কোহলির আরসিবি]

আসলে ক্রীড়াক্ষেত্রে এই দেশটির দুর্দান্ত পরিকাঠামো রয়েছে। প্রয়োজনে মেলে পূর্ণ সরকারি সহায়তাও। ক্রীড়াক্ষেত্রে উন্নতি দেশের সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্যও। আর তাই বিশ্বের বহু নামী টুর্নামেন্টের আসর বসে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে। তবে এদেশের জনসংখ্যা খুবই কম। বেশিরভাগই ভিনদেশী। কর্মসূত্রে সেদেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন।

এই প্রসঙ্গে UAE অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের স্ট্র্যাটেজিক ডিরেক্টর হরমিক সিং এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান, ‘‌‘‌আমরা খুবই তরুণ দেশ। বেশিদিন হয়নি স্বাধীনতা অর্জন করেছি। দেশের অধিকাংশ ভিনদেশী, যারা কিনা কর্মসূত্রে এদেশের নাগরিকত্ব নিয়েছেন। তবে আমরা চেষ্টা করছি সবাই মিলে যাতে আমাদের দেশকে ক্রীড়াক্ষেত্রে আরও উঁচুতে নিয়ে যেতে পারি।’‌’ তিনি আরও জানান, UAE খেলার দুনিয়ায় তেমন সাফল্য না পেলেও এখানকার পরিকাঠামো থেকে শুরু করে সমস্ত আধুনিক সরঞ্জাম, উন্নতমানের স্টেডিয়াম, যাতায়াত ব্যবস্থা এবং অন্যান্য বিষয় বাকি দেশগুলোর থেকে অনেকটাই এগিয়ে। তাই সবারই প্রথম পছন্দে স্থান পায় সংযুক্ত আরব আমিরশাহী।

[আরও পড়ুন:‌ আইপিএল ১৩: ভুরি ভুরি রান নয়, আমিরশাহীর তিনটি পিচই হতে পারে বোলারদের স্বর্গ]

প্রসঙ্গত, ক্রিকেটের একাধিক টুর্নামেন্ট বাদেও ফুটবলের বহু টুর্নামেন্ট থেকে শুরু করে বহু গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেন্ডলি ম্যাচ এই দেশে আগেও আয়োজিত হয়েছে। এছাড়া এখানে প্রত্যেক বছর আয়োজিত হয় ডব্লুউটিএ এবং এটিপি টুর্নামেন্ট। পাকিস্তানে (Pakistan) যখন শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটারদের উপর জঙ্গি হামলা হয়, তারপর থেকে দীর্ঘদিন এটা সরফরাজ আহমেদদের ‘‌হোম গ্রাউন্ড’‌ ছিল। নিজেদের হোম সিরিজগুলোও এখানে খেলেছিল পাকিস্তান।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.